আস-সুন্নাহ ট্রাস্ট এ আপনাকে স্বাগতম

প্রশ্নোত্তর

ক্যাটাগরি
সব প্রশ্ন অর্থনৈতিক আকিকা আকীদা নামায আখিরাত ব্যক্তিগত ও পারিবারিক আদব আখলাক ইতিহাস ঈদ-কুরবানী ঈমান তাওহীদ রিসালাত জানাযা-কবর যিয়ারত জান্নাত-জাহান্নাম জিহাদ তাফসীর ত্বহারাত পবিত্রতা সফর জুমআ তারাবীহ নফল সালাত বিতর পোশাক-পরিচ্ছেদ ফারায়েজ ফিতরা বিচার-আচার বিবাহ-তালাক মানত যাকাত যিকির/দুআ/আমল রোজা লেনদেন শিরক-বিদআত সাধারণ দান-সদকাহ সিরাত/সামায়েল সুন্নাত হজ্জ হাদীস ও উসূলুল হাদীস হালাল হারাম বিবিধ কুরআন হাদীস বাতিল ফিরকা দাওয়াত ও তাবলিগ জাদু-টোনা মসজিদ মুসাফির রমযান সুদ-ঘুষ হালাল ইতিকাফ কাজা/কাফফারা গুনাহ জায়েয তায়াম্মুম ব্যক্তিগত ও তাবলিগ সদকাহ বিদআত কসর তাওবা জিন-পরি ব্যবসা-বাণিজ্য বই অসিয়ত
প্রশ্নঃ 1739
Assalamualaikum! 1.kono mohila ba poros sodo sondorjo rokko ba dekanor jonno porda kore othoba 1ta cheler jonnoy kono meye porda korle ta ki kono shirk hobe, jodi hoy tahole eta kon porjayer shirk? 2.amra onk somoy sodo amader ma-babar boka theke bacar jonny salat aday kori, ete ki kono shirk hobe? 3.kew jodi bandar shate somporkita kono gonah onner maddome khoma ceye ney tahole a ki hobe?
08 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। না, পর্দা করা, নামায পড়া এগুলো শিরক হবে না। তবে নিয়তটা পরিবর্তন করলেই তো লৌকিকতা থেকে বেঁচে থাকা যায়।

৩। যদি তিনি মাফ করে দেন তাহলে মাফ হবে।

প্রশ্নঃ 1684
আসসালামু আলাইকুম, আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রাঃ) স্যার এর বঙ্গানুবাদ ইমাম আবু হানিফার রচিত আল ফিখুল আকবর বইটি পড়েছি কিন্তু আমাকে কিছু আলেম বলছেন এই বইটি ইমাম আবু হানিফা (রাঃ) কিতাব এটা প্রমাণিত নয়, আসলে এর কোনটা সত্য তা জানতে চাচ্ছিলাম।
08 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। এই কিতাবটি যে আবু হানীফা রাহ. লিখিত তাতে কোন সন্দেহ নেই। তবে এই কিতাবটির নাম মূলত কী তা নিয়ে মতভেদ আছে। এই বিষয়ে ভূমিকার মধ্যে স্যার রহ. আলোচনা করেছেন, আপনি অনুগ্রহ করে সেটা দেখে নিন। আশা করি আপনার প্রশ্ন দূর হয়ে যাবে।

প্রশ্নঃ 1316
in the day of kiamah kaba will go jannah and every masjid with every pepole who build it will go with it. is it true?
05 Jan 2026

এটি কোন হাদীসে আছে বলে আমাদের জানা নেই। তবে যিনি মসজিদ নির্মান করবেন তার জন্য আল্লাহ তায়ালা জান্নাতে মসজিদের মত বাড়ি নির্মাণ করবেন বলে সহীহ হাদীসে উল্লেখ আছে। সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৪৫০।

প্রশ্নঃ 1190
আসসালামু আলাইকুম। আমার প্রশ্ন হচ্ছে যে, আমি যখন কলেজে ভর্তি হই তখন কলেজ কর্তৃপক্ষ শহিদ মিনার নির্মাণের জন্য আমার থেকে টাকা আদায় করে। অনিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও আমি টাকা প্রদান করতে বাধ্য হয়। আমি কখনও শহিদ মিনারে ফুল দিই না এবং এটি নির্মাণও সমর্থন করি না। এমতাবস্থায় আমি যে টাকা প্রদান করেছি তাতে কি আমার গুনাহ হবে?
04 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আলহামদুলিল্লাহ। আমরা ভাল আছি। আমরা দুআ করি আল্লাহ আপনাকেও ভাল রাখুন। আপনি কম্পিউটারে যে কাজ করছেন তা সরাসরি অপরাধ নয় তবে অপরাধে কিছুটা হলেও সহযোগিতা। তাই আপনি এমন একটি প্রতিষ্ঠান খুঁজে কাজ করার চেষ্টা করুন যে প্রতিষ্ঠানে এতটুকু সহযোগিতারও কোন অবকাশ নেই। আর আপনার দ্বিতীয় প্রশ্নের জবাব হলো আপনাকে অবশ্যই জামাতে সালাত আদায় করতে হবে। আপনার সমস্যার কারণে আপনি প্রথম জামাতেই (আপনার ভাষায় আহলে হাদীস মসজিদে) সালাত আদায় করে নিবেন। অন্যান্য মাজহাবেও আসরের সালাত আগেই আদায় করা হয়, সুতরাং এই সময় আসরের সালাত আদায় করলে কোন সমস্যা নেই।ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আলহামদুলিল্লাহ। আমরা ভাল আছি। আমরা দুআ করি আল্লাহ আপনাকেও ভাল রাখুন। আপনি কম্পিউটারে যে কাজ করছেন তা সরাসরি অপরাধ নয় তবে অপরাধে কিছুটা হলেও সহযোগিতা। তাই আপনি এমন একটি প্রতিষ্ঠান খুঁজে কাজ করার চেষ্টা করুন যে প্রতিষ্ঠানে এতটুকু সহযোগিতারও কোন অবকাশ নেই। আর আপনার দ্বিতীয় প্রশ্নের জবাব হলো আপনাকে অবশ্যই জামাতে সালাত আদায় করতে হবে। আপনার সমস্যার কারণে আপনি প্রথম জামাতেই (আপনার ভাষায় আহলে হাদীস মসজিদে) সালাত আদায় করে নিবেন। অন্যান্য মাজহাবেও আসরের সালাত আগেই আদায় করা হয়, সুতরাং এই সময় আসরের সালাত আদায় করলে কোন সমস্যা নেই।

প্রশ্নঃ 1191
আসসালামু আলাইকুম। আমার প্রশ্ন হচ্ছে যে, আমি যখন কলেজে ভর্তি হই তখন কলেজ কর্তৃপক্ষ শহিদ মিনার নির্মাণের জন্য আমার থেকে টাকা আদায় করে। অনিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও আমি টাকা প্রদান করতে বাধ্য হয়। আমি কখনও শহিদ মিনারে ফুল দিই না এবং এটি নির্মাণও সমর্থন করি না। এমতাবস্থায় আমি যে টাকা প্রদান করেছি তাতে কি আমার গুনাহ হবে?
04 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। কোন ধরণের অন্যায় কাজে টাকা-পয়সা দেয়া অবশ্যই অপরাধ এবং গুনাহের কাজ। এখন যদি বাধ্য হয়ে দিতেই হয় তাহলে মনে মনে ঘৃনা করতে হবে এবং আল্লাহর কাছে অপারগতার জন্য ক্ষমা চাইতে হবে।ওয়া আলাইকুমুস সালাম। কোন ধরণের অন্যায় কাজে টাকা-পয়সা দেয়া অবশ্যই অপরাধ এবং গুনাহের কাজ। এখন যদি বাধ্য হয়ে দিতেই হয় তাহলে মনে মনে ঘৃনা করতে হবে এবং আল্লাহর কাছে অপারগতার জন্য ক্ষমা চাইতে হবে।

প্রশ্নঃ 1129
আস-সালামু আলাইকুম! মুহতারাম, আমি শীয়াদের একটি গ্রুপ থেকে তাহরিফ-এ কুরান সম্পর্কে একটি Note পাই,যেখানে আহলে সুন্নার আলিমদের এব্যাপারে দোষারোপ করা হয়েছে (দলীল সহ)। আমি এব্যাপারে সঠিক তথ্য এবং দলীল ভিত্তিক জবাব জানতে ইচ্ছুক আপনার কাছে। এব্যাপারে আপনার সহযোগিতা আশা করতে পারি কি?
04 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। ভাই, আপনি উক্ত নোটে কী পড়েছেন? কী দলীল সেখানে আছে? বিস্তারিত জানালে আমাদের জন্য উত্তর দেয়া সহজ হবে। তবে সংক্ষেপে আপনাকে বলি শিয়াদের অনেকেই মনে করে বর্তমান কুরআন বিকৃত কুরআন। তাদের এমন বিশ্বাস কুফরী। আল্লাহ তায়াল কুরআনে বলেছেন, إِنَّانَحۡنُنَزَّلۡنَاٱلذِّكۡرَوَإِنَّالَهُۥلَحَٰفِظُونَ ا নিশ্চয় আমরা কুরআন নাযিল করেছি, আর আমরা স্বয়ং তার হিফাযত-কারী। সূরা আল-হিজর, আয়াত: ৯। সুতরাং যদি বলা হয় কুরআন বিকৃত হয়ে গেছে তাহলে বলতে হবে আল্লাহ তায়ালা কুরআনকে হেফাজত করতে পারেন নি। নাউযুবিল্লাহ। অথবা বলতে হবে কুরআন মিথ্যা, কারণ আল্লাহ তায়ালা বলেছেন হেফাজত করবেন পরে আর হেফাজত করেন নি। নাউযুবিল্লাহ। কোনটিই গ্রহনযোগ্য নয়। সুতরাং কুরআন বিকৃত হয়েছে এটা মিথ্যা ও ভুল কথা। কুরআন বিকৃত হওয়ার পক্ষে তারা যে দলীলই দিক তা অগ্রহনযোগ্য বলেই বিবেচিত হবে। তাদের এসব মিথ্যা, প্রতারণা পূর্ণ কোন নোট বা বই না পড়া্ই আমাদের জন্য কল্যানকর। আমরা আল্লহর কাছে দুআ করি আল্লাহ যেন আমাদের সঠিক পথে পরিচালিত করেন।

প্রশ্নঃ 1024
assala-mualaikum, ;Q1: na jene shirk korle ki hoy oi obosty marajay tahole ki hobe? Q2: na jene namje vol kirat porle tar namaz hobe?
04 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। ১. না জেনে শিরক বলতে আপনি কি বুঝাচ্ছেন সেটা আমাদের কাছে স্পষ্ট নয়। কারো কাছে যদি ইসলামের দাওয়াত একেবারই না পৌছায় তাহলে আল্লাহ তার উপরে সাধ্যের বাইরে কোন কিছু চাপাবেন না। আর যদি ছোট ছোট শিরক করে যেটা কবীর গুনাহের পর্যায়ের তাহলে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করতে পারেন আবার শাস্থিও দিতে পারেন। ছোট শিরক যেমন, কোন কিছুর মধ্যে অকল্যান আছে এমন বিশ্বাস করা ইত্যাদি। ২. না জেনে নামাযের ক্বিরাতে ভুল করার পর যখন জানতে পারবে নামাযে ভুল পড়েছে তখন পূনরায় নামায পড়েব। কারণ ঐ নামায তার হয় নি। অবশ্য ভুল এমন হতে হবে যে ভুল করার কারণে অর্থ পাল্টে যায়। আপনি আরো স্পষ্ট করে প্রশ্ন করবেন। আল্লাহ তায়ালা ভাল জানেন।

প্রশ্নঃ 1014
Muhtaram assalamualaiqum. amar prosno holo ekdin amader ekjon alim sommilitisommilito munajat korte giye ek porjaye dua korchilen evabe je aacute a Allah aponar kudtkudroti paye dhore khoma chachhi Amar proshno holo ai vasate dua kora jayez kina
03 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। ভাই, এই ধরনের কথার মধ্যে না জাযেজ কোন কিছু তো পাচ্ছি না। মানুষ আবেগের কারণে এমনটি বলতে পারে, এতে দোষের কিছু নেই। না জায়েজ হওয়ার জন্য যে সমস্ত দলীল দরকার এখানে তেমন কিছু আছে বলে আমার জানা নেই। মানুষ পা ধরে ক্ষমা চাওয়াকে ক্ষমা চাওয়ার শেষ স্তর মনে করে তাই হয়তো তিনি বলেছেন, আল্লাহর কুদরতি পায়ে ধরে ক্ষমা চাচ্ছি। আল্লাহ ভাল জানেন।

প্রশ্নঃ 641
আমি বিশ্বাস করি আল্লাহর কাছে চাইতে কোন মাধ্যম প্রয়োজন হয় না। আমরা প্রতি মোনাজাতে তাই কামনা করতেছি, কোন মাধ্যমের কাছে তো চাই না। হে আল্লাহ— বলেই সব চাওয়া একমাত্র আল্লাহর কাছেই চাই। কেন মাধ্যম দরকার? কিন্তু তাদের সাথে যুক্তি- তর্কে পারা যাবে না, বাস্তবতার সাথে কিছু ব্যাপার দাড় করিয়ে দিয়ে – তারা বলে প্রধানমন্ত্রীর সাথে সরাসরি দেখা করতে পার? না; তাহলে মাধ্যম দরকার হয়। একজন বলে যতই দোয়া করেন দোয়া আল্লাহর কাছে পৌছাবে না, নবী র দুরুদ পাঠ না করলে, তারা বলতে চায় এটাও মাধ্যম। নবী আমাদের জন্য সুপারিশ কেন করবে বলেন তো? ওমুক বাবা এটা করতে বলছে, ওমুক বাবা এটা নিষেধ করেছে। রোগ হলে ডাক্তারদের কাছে কেন যেতে হয়? আল্লাহর ক্ষমতা ও বাস্তবতা নিয়ে নানান যুক্তি উপস্থাপন করা, ইত্যাদি ইত্যাদি, নানান যুক্তি উপস্থাপন করা হয়। তাদের কে কিভাবে বোঝানো যাবে একটু বলবেন কি?
30 Dec 2025

আপনি আপনার বিশ্বাসের উপর অটল থাকুন। তাদের এমন কথার জবাবে আপনি বলবেন: ১। প্রধানমন্ত্রী আমাদের কথা শুনতে পান না তাই মাধ্যম লাগে। আল্লাহ সবার কথা শুনতে পান তাই মাধ্যম লাগে না। কুরআনে যে আমাকে ডাকবে আমি তার ডাকে সাড়া দিবো। وَإِذَا سَأَلَكَ عِبَادِي عَنِّي فَإِنِّي قَرِيبٌ أُجِيبُ دَعْوَةَ الدَّاعِ إِذَا دَعَانِ । সূরা বাকারাহ, আয়াত ১৮৬। দরুদ পাঠ না করলে দুআ কবুল হয় না এটাও ঠিক না । কুরআনের এই আয়াতে আল্লাহ বলেছেন বান্দা ডাকলেই অর্থাৎ দুআ করলেই আমি সাড়া দেব। তাহলে দরুদ জরুরী কেন হবে বলুন? তবে দরুদ পড়া অনেক সওয়াবের কাজ। কোন বাবার কথাতো আর দলীল নয় দলীল কুরআন-সুন্নাহ, সাহাবীদের কাজ। রোগ হলে ডাক্তারের কাছে যাওয়া এটাই সুন্নাত। রোগ হলে আল্লাহর কাছে দুআ করতে হবে আর চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। মনে রাখবেন দুআ একটি ইবাদত, তা সুন্নাহ নির্দেশিত পন্থাতেই হতে হবে। অসুস্থাতা থেকে সুস্থতা একটা জাগতিক কাজ এখানে জাগতিকভাবেই সমাধান করতে হবে। তবে আল্লাহ তায়ালার কাছেতো দুআতো করতেই হবে। বিষয়টি বিস্তারিত জানতে আপনি ড. আব্দুল্লঅহ জাহাঙ্গীর রচিত কুরআন সুন্নাহর আলোকে ইসলামী আকীদা বইটি পড়ুন। ওখানে আপনার সব প্রশ্নের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা আছে।

প্রশ্নঃ 639
আল্লাহ্ শব্দের বাদ দিয়ে আমরা বলি আল্লা। এমন আরও অনেক শব্দ আছে যেমন-বিসমিল্লাহ্ এর জায়গায় বলি বিসমিল্লা, আলহামদুলিল্লাহ্ এর জায়গায় বলি আলহামদুলিল্লা, সুবহানাল্লহ এর জায়গায় বলি সুবহানাল্ল ইত্যাদি। এমন বললে কি গুনাহ হবে না?
30 Dec 2025

ইচ্ছা করে এমন করা উচিত হবে না। এভাবে উচ্চারণ করলে সুবহানাল্লাহ এবং জাতীয় অন্যান্য শব্দ বললে যে সওয়াব হয় তা পাওয়া যাবে না। আল্লাহ শব্দের ক্ষেত্রে ইচ্ছাকৃত এমন করা অবশ্যই গুনাহ । তবে না জেনে কে্উ এমন করলে আশা করা যায় তিনি গুনাহগার হবেন না।

প্রশ্নঃ 601
আমি অসুস্থতার কারণে নামাজে যেতে পারি নাই – এইটা বলা কি শির্ক হবে? কি কি কথা শির্কের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে?
30 Dec 2025

না, এই কথার কারণে শিরক হবে না। শিরক বিষয়ে বিস্তরিত জানতে পড়ুন ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহ. রচিত কুরআন-সুন্নাহের আলোকে ইসলামী আকীদা বইটি।

প্রশ্নঃ 414
Assalamualaikum My niece is 8 years old. She received birthday invitation from her freind. Is she allowed to attend the birthday party with her mother? JazakAllahu Khair.
28 Dec 2025
ওয়া আলাইকুমুস সালাম।
ইসলামে জন্মদিন পালন বলতে কিছু নেই । এটা অন্য ধর্মের মানুষ কর্তৃক সৃষ্ট। সুতরাং কোন মূমিনের জন্য উচিৎ নয় জন্মদিন পালন করা, কারো জন্মদিনের অনুষ্ঠানে যোগ দেয়া, কাউকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানো কিংবা শুভেচ্ছার জবাব দেয়া।
প্রশ্নঃ 60
আস-সালাম আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ । মুহতারাম ! রাসূল সাঃ কি যিলহজ্জ মাসে বিশেষ কোন আমলের তাকিদ দিয়েছেন? সংক্ষেপে জানালে উপকৃত হব।
20 Dec 2025
ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নটি করার জন্য আপনাকে মোবারক বাদ। রাসূল (সা.) তার উম্মতকে প্রতিটি মূহুর্তেই আমলের মধ্যে থাকার জন্য তাকিদ দিয়েছে। বিশেষকরে জিলহজ্জ মাসের প্রথম তের দিন সময়ের প্রতি লক্ষ্য রাখার ব্যাপারে অধিক পরিমাণে গুরুত্বারোপ করেছেন। নিম্নে যিলহজ্জ মাসের প্রথম তের দিনের আমলসমূহ কুরআন হাদীসের আলোকে তুলে ধরা হল: আল্লাহ তায়ালা বলেন:
لإن شكرتم لأزيدنكم وإن كفرتم إن عذابي لشديد
অর্থঃ যদি তোমরা আমার নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় কর তাহলে আমি তোমাদের নিয়ামত বৃদ্ধি করে দিব । আর যদি তোমরা নাশুকরিয়া কর তাহলে (জেনে রেখ ) আমার আযাব বড় কঠিন। আল্লাহর অসংখ্য নিয়ামতের মাঝে অতি মুল্যবান একটি নিয়ামত হল জিবন,যা আল্লাহর বেধে দেয়া কিছু সময়ের সমষ্টি। মানুষের জিবনের প্রতিটি মুহূর্তই অতি মুল্যবান, অতি গুরুত্বপুর্ণ। সময়ের গুরুত্ব বর্ননা করতে গিয়ে আল্লাহ বলেন:
والعصر. إن الإنسان لفي خسر
সময়ের শফত। নিশ্চয় মানুষ ক্ষতির মধ্যে রয়েছে। সূরা আসর,আয়াত ১-২। প্রথমতঃ কোরানে আল্লাহ যা কিছু বলেছেন সবকিছুই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু তিনি যা শফত করে বলেছেন তা আরো এবং আরো গুরুত্বপূর্ণ। এখানে আল্লাহ শফতের সাথে সময়কে উল্লেখ করার কারণে তাই সময়ের গুরুত্বও আধিক্যে পৌছেছে। দ্বিতীয়তঃ সময়ের শফত করার পরেই তিনি যা বলেছেন তা হল মানুষ ক্ষতির মধ্যে রয়েছে। আমরা একটু লক্ষ্য করলেই বুঝতে পারি যে, মানুষের, বিশেষ করে মুসলমানদের সবচেয়ে বড়ক্ষতি তথা আখেরাত ধ্বংসের মূল কারণ হল সময়ের অবমূল্যায়ন। সময় নষ্ট করার ক্ষতি সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সা. বলেন:
لَمْ يَتَحَسَّـرْ أَهْلُ الْجَنَّةِ إِلاَّ عَلَى سَاعَةٍ مَرَّتْ بِهِمْ لَمْ يَذْكُـرُوْا اللهَ تَعَالَى فِيْهَا
জান্নাতের অধিবাসীগণ দুনিয়ার কোনো কিছুর জন্য আফসোস করবেন না, শুধুমাত্র যে মুহূর্তগুলি আল্লাহর যিক্র ছাড়া অতিবাহিত হয়ে গিয়েছে সেগুলির জন্য তাঁরা আফসোস করবেন। (হাইসামী, মাজমাউয যাওয়াইদদ ১০/৭৩ হাদীসটির সনদ মোটামুটি গ্রহণযোগ্য)। পৃথিবীর যে দেশের, যে জাতির, যে ধর্মের, যে বর্ণের যেই সময়ের মুল্যায়ন করবে তার জিবনই হয়ে উঠবে ধন্য,সাফল্যমন্ডিত। পৃথিবীর সব সফল ব্যক্তিদের জিবনীতে চোখ বুলালে সফলতার পেছনে মূল কারণ হিসেবে সময়ের গুরুত্ব এবং এর সঠিক ব্যবহারের বিষয়টিই পরিষ্কারভাবে বুঝা যায়। তবে অন্যান্য ধর্মাবলম্বি ভাই-বোনদের ক্ষেত্রে এসুসংবাদ কেবল দুনিয়ার জীবনেই বরাদ্দ। আখেরাতে তাদের কোন হিস্সা নেই। পক্ষান্তরে মুসলমানদের জন্য এসুসংবাদ কেবল দুনিয়ার জন্য নয় বরং আখেরাতেও তারা হবেন ধন্য যদি সময়ের মুল্যায়ন করে সময় নামক নিয়ামতের যথাযথ শুকরিয় আদায় করেন। উপরন্ত আল্লাহ অনুগ্রহ করে বান্দার জন্য কিছু সময়কে নির্ধারণ করেছেন, দিয়েছেন বিশেষ মর্যাদা, করেছেন মহিমাময়। জিলহজ্জের প্রথম তেরদিন ঠিক এমনই মহিমান্বিত,মহিমাময় । অতএব আমাদের উচিৎ কোরান হাদীসের আলোকে যিলহজ্জ মাসের আমল সমূহ জেনে নিয়ে বেশি বেশি নেক আমলের প্রতি মনোযোগি হওয়া। প্রথম দশদিনের আমলঃ এ মাসের দশ তারিখে আমরা ঈদুল আযহা বা কুরবানীর ঈদ আদায় করি। এদিনে সামর্থবান মুসলমানদের উপর কোরবানী বা নির্ধারিত পশু জবেহ করা ওয়াজীব। আল্লাহ তায়ালা বলেন: فصل لربك وانحر অর্থঃ তুমি তোমার রবের উদ্দেশ্যে সালাত আদায় কর এবং কোরবানী কর। সূরা আল- কাউসার,আয়াত,২। হযরত আয়েশা রাঃ বলেন :রাসূল সাঃ এরশাদ করেন,কোরবানীর দিন আদমের বেটা যত আমলই করে তার মধ্যে কোরবানীর আমলই হল আল্লাহর কাছে সবচে প্রিয় আমল । (তিরমিযী) এছাড়াও এ মাসের প্রথম দশটি দিন মুমিনের জন্য অত্যন্ত ফযীলতের। সহী বুখারীতে এসেছে রাসূল সাঃ বলেন:যুলহাজ্জ মাসের প্রথম দশ দিনে নেক আমল করা আল্লাহর নিকট যত প্রিয় আর কোন দিনের আমল তাঁর নিকট তত প্রিয় নয়। সাহাবীরা প্রশ্ন করলেন, হে আল্ল্হার রাসূল সাঃ আল্লাহর পথে জিহাদও কি এ দশদিনের নেক আমলের চেয়ে প্রিয় নয়? তিনি বললেন, না, আল্লাহর পথে জিহাদও প্রিয় নয়। তবে ঐ ব্যক্তি ছাড়া,যে ব্যক্তি নিজের প্রাণ ও সম্পদ নিয়ে জিহাদে গেল এবং কোন কিছুই আর ফিরে এলো না। (বুখারী,আস-সহীহ,১/৩২৯) অন্য হাদীসে তিনি বলেন,দুনিয়ার সবচেয়ে বেশি ফযিলতের দিন হল যুলহাজ্জ মাসের প্রথম দশদিন। (হাদীসটি সহীহ,হাইসামী,মাজমাউয যাওয়ায়েদ,৩/২৫৩) তাই আল্লাহর নযে়ামত ও বশিষে অনুগ্রহ মনে করে এই দশকে সাধ্যমতো নকে আমলরে পাবন্দী করা একান্ত প্রয়োজন। । সকল প্রকার ইবাদতই নেক আমল। ফরয ইবাদত তো সঠিক সময়ে সঠিকভাবে করতেই হবে। পাশাপাশি অন্যান্য নফল ইবাদতের প্রতিও গুরুত্ব দিতে হবে। যেমন, যিকর,দুআ,ইসতিগফার,নফল নামজ,নফল রোযা,কুরান তেলাওয়াত,দান ইত্যাদি। হাদীস শরীফে বিশেষ করে তিন প্রকার ইবাদত এ দিনগুলিতে পালনের জন্য উৎসাহ দেওয়া হয়েছে: কিয়ামুল্লাইল বা রাতের নামায,সিয়াম ও যিকর। বিশেষত যুলহাজ্জ মাসের ৯ তারিখে যেদিন হাজিগন আরাফার মাঠে অবস্থান করেন সে দিন যারা হজ্জে যান না তাদেরকে সিয়াম পালন করতে বিশেষভাবে উৎসাহ দিয়েছেন। রাসূল সাঃ বলেন: আমি আশা করি আরাফার দিবসের সিয়াম বিগত বছর ও আগামী বছরের কাফ্ফারা হবে। (মুসলিম আস-সহীহ ২/৮১৯)। অপর একটি হাদীসে তিনি বলেন:যুলহাজ্জ মাসের প্রথম দশদিনের চেয়ে আল্লাহর নিকট অধিক মর্যাদাময় কোনদিন নেই। এবং এবং নেক আমল করার জন্য এগুলির চেযে বেশি প্রিয় দিন আর নেই। অতএব তোমরা এদিনগুলিতে বেশি বেশি তাসবীহ (সুবহানাল্লাহ), তাহমীদ (আলহামদু লিল্লাহ), তাহলীল (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ) ও তাকবীর (আল্লাহু আকবার) আদায় করবে। অন্য বর্ণনায়: বেশি বেশি তাহলীল, তাকবীল ও আল্লাহর যিকর করবে। (হাদীসটি সহীহ। হাইসামী, মাজমাউয যাওয়াইদ ২/৩৯) বিভিন্ন হাদীসে এই দশকে বিশেষ কছিু আমলরে কথাও র্বণতি হয়ছে। যেমন ১. চুল, নখ, মোচ ইত্যাদি না কাটা যলিহজ্বরে চাঁদ দখোর পর থকেে কুরবানীর আগ র্পযন্ত নজিরে নখ, চুল, মোচ, নাভীর নচিরে পশম ইত্যাদি না কাটা। এটা মুস্তাহাব আমল। হযরত উম্মে সালামা রা. হতে র্বণতি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলছেনে-
إذا رأيتم هلال ذي الحجة وأراد أحدكم أن يضحي فليمسك عن شعره وأظفاره
তোমরা যদি যলিহজ্ব মাসরে চাঁদ দখেতে পাও আর তোমাদরে কউে কুরবানী করার ইচ্ছা করে তবে সে যনে স্বীয় চুল ও নখ কাটা থেকে বিরত থাক। -সহীহ মুসলমি, হাদীস : ১৯৭৭; জামে তরিমযিী, হাদীস : ১৫২৩; সুনানে আবু দাউদ, হাদীস : ২৭৯১; সুনানে নাসায়ী, হাদীস : ৪৩৬২; সহীহ ইবনে হবিবান, হাদীস : ৫৮৯৭ যে ব্যক্তি কুরবানী করতে সক্ষম নয় সেও এ আমল পালন করব। র্অথাৎ নজিরে চুল, নখ, গোঁফ ইত্যাদি কাটবে না; বরং তা কুরবানীর দিন কাটব। হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রা. হতে র্বণতি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করছেনে-
أمرت بيوم الأضحى جعله الله عيدا لهذه الأمة. قال له رجل :يا رسول الله! أرأيت إن لم أجد إلا منيحة أنثى أفأضحي بها؟ قال : لا، ولكن خذ من شعرك وأظفارك وتقص شاربك وتحلق عانتك، فذلك تمام أضحيتك
আমি কুরবানীর দনি সর্ম্পকে আদষ্টি হয়ছেি (অর্থাৎ এ দিবসে কুরবানী করার আদশে করা হয়ছে। আল্লাহ তাআলা তা এ উম্মতরে জন্য ঈদ হসিাবে নর্ধিারণ করছেনে। এক ব্যক্তি আরজ করল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! যদি আমার কাছে শুধু একটি মানীহা থাকে র্অথাৎ যা শুধু দুধপানরে জন্য দওেয়া হয়ছে? আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললনে, না; বরং সদেনি তুমি তোমার চুল কাটবে (মুন্ডাবে বা ছোট করব), নখ কাটব, মোচ এবং নাভীর নিচে নচিরে পশম পরষ্কিার করব। এটাই আল্লাহর কাছে তোমার র্পূণ কুরবানী বলে গণ্য হব। মুসনাদে আহমদ, হাদীস : ৬৫৭৫; সহীহ ইবনে হবিবান, হাদীস : ৭৭৩; সুনানে আবু দাউদ, হাদীস : ২৭৮৯; সুনানে নাসায়ী, হাদীস : ৪৩৬৫ র্অথাৎ যারা কুরবানী করতে সক্ষম নয় তারাও যনে মুসলমানদরে সাথে ঈদরে আনন্দ ও খুশি উদযাপনে অংশীদার হয়। তারা এগুলো কর্তন করেও পরিপূর্ণ সওয়াবরে অধকিারী হব। অনুরূপভাবে হাজীদরে সাদৃশ্য অবলম্বনকারী হব। ২. ঈদরে দনি ছাড়া বাকি নয় দনি রোযা রাখা আশারায়ে যলিহজ্বরে আরকেটি বশিষে আমল হল, ঈদুল আযহার দনি ছাড়া প্রথম নয় দনি রোযা রাখা। হাদীস শরীফে র্বণতি হয়ছে,ে নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই নয়টি দবিসে (যলিহজ্ব মাসরে প্রথম নয় দনি) রোযা রাখতনে। -সুনানে আবু দাউদ, হাদীস : ২৪৩৭; মুসনাদে আহমাদ, হাদীস : ২২২৩৪; সুনানে নাসায়ী, হাদীস : ২৪১৬ অন্য হাদীসে হযরত হাফসা রা. র্বণনা করনে-
أربع لم يكن يدعهن النبي صلى الله عليه وسلم : صيام عاشوراء والعشر وثلاثة أيام من كل شهر وركعتين قبل الغداة
চারটি আমল নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কখনো ছাড়তনে না। আশুরার রোযা, যলিহজ্বরে প্রথম দশকরে রোযা, প্রত্যকে মাসরে তনি দনিরে রোযা, ফজররে আগে দুই রাকাত সুন্নত নামায। -সুনানে নাসায়ী, হাদীস :২৪১৫; সহীহ ইবনে হবিবান, হাদীস : ৬৪২২; মুসনাদে আবু ইয়ালা, হাদীস : ৭০৪২; মুসনাদে আহমাদ, হাদীস : ২৬৩৩৯ ৩. বশিষেভাবে নয় তারখিরে রোযা রাখা যলিহজ্বরে প্রথম নয় দনিরে মধ্যে নবম তারখিরে রোযা র্সবাধকি ফযীলতর্পূণ। সহীহ হাদীসে এই দবিসরে রোযার ফযীলত র্বণতি হয়ছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলছেনে-
صيام يوم عرفة أحتسب على الله أن يكفر السنة التي بعده والسنة التي قبله
আরাফার দনিরে (নয় তারখিরে) রোযার বষিয়ে আমি আল্লাহর নকিট আশাবাদী যে, তিনি এর দ্বারা বগিত এক বছর ও আগামী বছররে গুনাহ মটিযি়ে দবিনে। -সহীহ মুসলমি, হাদীস : ১১৬২; সুনানে আবু দাউদ, হাদীস : ২৪২৫; জামে তরিমযিী, হাদীস : ৭৪৯; সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস : ১৭৩০ আরকে হাদীসে এসেছে-
من صام يوم عرفة غفر له سنتين متتابعتين
যে ব্যক্তি আরাফার দনি রোযা রাখবে তার লাগাতার দুই বছররে (গুনাহ ক্ষমা করা হব। -মুসনাদে আবু ইয়ালা, হাদীস : ৭৫৪৮; মাজমাউয যাওয়াইদ, হাদীস : ৫১৪১ এভাবে আমরা দেখেছি, যুলহাজ্জ মাসের এদশদিন মুমিনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রত্যেক মুমিনের চেষ্টা করা দরকার এদিনগুলিতে বেশি বেশি নেক আমল করার । যারা যলিহজ্বরে নয় রোযা রাখতে সক্ষম হবে না তারা যনে অন্তত এই দনিরে রোযা রাখা থকেে বঞ্চতি না হয়। আল্লাহ তাআলা আশারায়ে যলিহজ্বরে মতো অন্যান্য বশিষে বশৈষ্ট্যিমন্ডতি দনিগুলোতে ইবাদত-বন্দগেী করার তাওফীক দনি। আমীন পরবর্তী তিন দিনের আমলঃ ১১, ১২ ও ১৩ তারিখে আল্লাহর যিকরের নির্দেশ দিয়ে আল্লাহ বলেন:
وَاذْكُرُوا اللَّهَ فِي أَيَّامٍ مَعْدُودَاتٍ فَمَنْ تَعَجَّلَ فِي يَوْمَيْنِ فَلا إِثْمَ عَلَيْهِ وَمَنْ تَأَخَّرَ فَلا إِثْمَ عَلَيْهِ لِمَنِ اتَّقَى
তোমরা নির্দিষ্ট সংখ্যক দিনগুলিতে আল্লাহর যিক্র করবে। যদি কেউ তাড়াতাড়ি করে দুদিনে চলে আসে তবে তার কোনো পাপ নেই, আর যদি কেউ বিলম্ব করে তবে তারও কোনো পাপ নেই, এ তার জন্য যে তাকওয়া অবলম্বন করে । সূরা বাকারা: ২০৩ আয়াত। এভাবে আমরা দেখছি যে, যুলহাজ্জ মাসে প্রথম ১৩ দিন বিশেষভাবে আল্লাহর যিকরের জন্য নির্ধারিত। আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে উক্ত দিন সমূহে বেশি বেশি নেক আমল করার তাওফীক দিন । আমীন।

কপিরাইট স্বত্ব © ২০২৫ আস-সুন্নাহ ট্রাস্ট - সর্ব স্বত্ব সংরক্ষিত| Design & Developed By Biz IT BD