প্রশ্নঃ 2166
হুজুর, আচ্ছালামু আচ্ছালামু আলাইকুম ওৱা রা্হমাতুল্লাহি ওৱা বারাক্বাতুহু। আপনাদের সঙ্গে যোগযযোগ করতে পেরে আমি বড়ই আনন্দিত। হুজুর, আমি ইছলামিক জ্ঞানের দিক দিয়ে শূন্যের কোঠায়। দারি সম্পর্কে আমি দুজন আলিমের কাছে দুরকম শুনছি। একজন বলছে ছুন্নত আর একজন বলছে ওৱাজিব। কোনটা সঠিক? মে্হেরবানি করে জানালে খুবি খুশী হব। দুজন আলিমই কিন্তু খুবি নির্ভরযোগ্য বি্শ্বাসী। আমি সমালোচনা করচিনা।
21 Jan 2026
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। দাঁড়ি রাসূলুল্লাহ সা. নিজে রেখেছেন, রাখতে আদশে দিয়েছেন, কোন বধর্মীও যদি দাঁড়ি না রাখতেন তাহলে তিনি তার দিকে তাকাতেন না। এই বিষয়ে হাদীসগুলো আপরি শায়েখ ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহ. লিখিত পোশাক,পর্দা ও দেহসজ্জা বইটিতে বিস্তারিত পাবেন। সুতরাং দাঁড়ি রাখা ইসলামে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যিনি সুন্নত বলেছেন, তার কথার অর্থ হলো সাধারণ সুন্নত নয় বরং খুবই গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাত। আর যিনি ওয়াজিব বলেছেন, তার ওয়াজিব বলার কারণ হলো রাসূলুল্লাহ সা. নিজে বহু হাদীসে দাড়িঁ রাখার আদেশ করেছেন। নিচের হাদীসটি দেখুন عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ : خَالِفُوا الْمُشْرِكِينَ وَفِّرُوا اللِّحَى وَأَحْفُوا الشَّوَارِبَ ، وَكَانَ ابْنُ عُمَرَ إِذَا حَجَّ ، أَوِ اعْتَمَرَ قَبَضَ عَلَى لِحْيَتِهِ فَمَا فَضَلَ أَخَذَهُ.অর্থ: নাফে ইবনে উমার রা. থেকে তিনি রাসূলুল্লাহ সা. থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন, তোমরা মুশরিকদের বিরুদ্ধাচারণ করো, তোমরা দাঁড়ি ছেড়ে দাও এবং গোঁফ কে কটে ফেলো। (নাফে বলেন,) আব্দুল্লাহ্ ইবনে উমার রা. যখন হজ্ব কিংবা উমরা করতে যেতেন তখন একমুষ্টির উপরের দাঁড়ি কেটে ফেলতেন। সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৫৮৯২। আশা করি বুঝতে পেরেছেন। আরো বিস্তারিত জানতে দেখুন আমাদের দেয়া 1004 নং প্রশ্নের উত্তর।
প্রশ্নঃ 2165
আস সালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ্ । আমি ড. খোন্দকার আবদুল্লাহ্ জাহাঙ্গীরের গুরুত্বপূর্ণ সব লেকচার একসাথে কিভাবে পেতে পারি? দয়া করে পরামর্শ দেওয়ার অনুরোধ করছি
21 Jan 2026
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আপনি প্রফেসর ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রাহ. এর ইউটিউব চ্যানেলে পাবেন ইনশাআল্লাহ।
প্রশ্নঃ 2149
আচ্ছালামু আলাইকুম ওৱা রাহমাতুল্লাহি ওৱা বারাক্বাতুহু আমি আসসুন্নাহকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা। আমি ২/১১/২০১৭ তারিখে একটি প্র্রশ্ন করেছিলাম, তার উত্তর পেলাম। উত্তরটি পেয়ে আমি অত্যন্ত খুশী হয়েছি। খন্দকার ছার মারা গিয়েছে তা আমি প্রশ্ন করার আগে জানিনি। আপনাদের ওৱেভছাইটটি ঘাটাঘাটি করতে করতে ছারের সম্পর্কে এই মর্মান্তিক খবরটি পেয়েছি। ইন্নালিল্লাহি ওৱা ইন্না লিল্লাহি রাজিউন। আমি আজ এক মাস ধরে ছারের বয়ান ইউটিউবে শুনে আসছি। ছারের প্রত্যেকটা বয়ান আমার খুব ভাল লাগে। আমি ছারকে আমার জীৱনকালে কখনো ভুলতে পারবনা। কারণ উনার রেখে যাওৱা ওৱেভছাইটটির মাধ্যমেই আমি জ্ঞান অর্জন করতে পারব। আমার অনেক দিনের অভাব ছারের প্রচেষ্টার মাধ্যমে পূরণ হয়েছে।
21 Jan 2026
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আপনি খুশ হয়েছেন যেনে আমরা আল্লাহর শুকরি আদায় করছি। দুআ করবেন যেন, আমরা আপনাদের খেদমতে কাজ করতে পারি।
প্রশ্নঃ 2148
আসসালামু আলাইকুম। আমি একটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স করছি। হলে থাকি। অনার্স পড়াকালীন সময়ে একবার হলের মেসের (খাবারের মেস) এর দায়িত্ব নিয়েছিলাম। দুমাস মেস ভালভাবে চালানোর পরেও প্রায় ৫০,০০০ টাকা বেঁচে গিয়েছিল। হলের মেস গুলোতে সাধারণত নতুন কমিটিকে বেঁচে যাওয়া টাকা বুঝিয়ে দেয়া হয়না। আমিও নতুন কমিটিকে টাকা বুঝিয়ে না দিয়ে নিজের কাজে ব্যবহার করেছিলাম। এখন খুব অনুতপ্তে ভুগছি। মেসের মেম্বারদের টাকা এভাবে ব্যয় করার কারনে নিজেকে ক্ষমা করতে পারছিনা। এখন কিভাবে এই গুনাহ থেকে মুক্তি পেতে পারি?
বি. দ্র. গত দুই বছর যাবত ইসলাম বুঝে বুঝে পালনের চেষ্টা করছি।
21 Jan 2026
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। যাদের টাকা তাদের কাছে পৌছে দেয়ায় তো সমাধান। যদি কোন ভাবে সম্ভব না হয় তাহলে উক্ত টাকা তাদের নামে দান করে দিবেন। এভাবে আশা করা যায় আপনি মুক্তি পাবেন।
প্রশ্নঃ 2142
গত কয়েক দিন ধরে কয়েকটি ফেসবুক পেজ এবং পত্রিকায় দেখলাম যে, ডঃ খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহিমাহুল্লাহ স্যার নাকি রোড এ্যাক্সিডেন্ট এর ইন্তেকাল করেছেন। আমার বিশ্বাস হয়নি। বিষয়টি কতটুকু সঠিক বা মিথ্যা জানাবেন অনুগ্রহ করে। ধন্যবাদ।
20 Jan 2026
হ্যাঁ, ডঃ খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহিমাহুল্লাহ স্যার রোড এ্যাক্সিডেন্ট করে ইন্তেকাল করেছেন।
প্রশ্নঃ 2138
স্যার, আস্ সালামুআলাইকুম। আমার প্রশ্ন হচ্ছেঃ-
(১) আমরা যে হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর উম্মত, এই উম্মত সম্পর্কে একটু বিস্তারিত জানালে খুবই খুশি এবং উপকৃত হতাম। উম্মত হওয়ার কি কি শর্ত? আমার মত একজন নগন্য মুসলমান প্রিয় নবীজির উম্মত কি না।
20 Jan 2026
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। প্রকৃত উম্মত হওয়র জন্য শর্ত হলো কুরআন-সুন্নাহকে যথাযথ অনুসরণ করে ফরজ-ওয়াজিব কাজগুলো আদায় করা, হারাম থেকে বেচেঁ থাকা সকল ভাল কাজে নিজেকে নিয়োজিত রাখার চেষ্টা করা। এসব করলে আমরা রাসূলুল্লাহ সা. এর প্রকৃত উম্মত, অনুসারী হতে পারবো।
প্রশ্নঃ 2092
আস সালামু আলাইকুম। প্রশ্নটা একটু বিস্তারিত, কারণ আমি চাই আপনি আমার অবস্থাটা বুঝুন। আমি আল্লাহর রহমতে হিদায়াত লাভ করি অনেক বছর আগে। যদিও মাদ্রাসায় পড়াশুনা করিনি, তবুও যথাসাধ্য চেষ্টা করি ইসলামের ইলম অনুসন্ধানের, ও সেই ইলমকে বাস্তব জীবনে কাজে লাগানোর, যাতে আমার আখিরাতটা সুন্দর হয়। সাথে সাথে আমার সহপাঠী, বন্ধু বান্ধবের অন্তরে ইসলামের নূর ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করি; উদ্দেশ্য শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তষ্টি। কিন্তু মাঝে মাঝে খুব লজ্জিত ও ফাসিক মনে হয় নিজেকে। কারণ আমি আমার সহপাঠীদেরকে বিভিন্ন কঠিন গুনাহ থেকে বেঁচে থাকতে বারবার সতর্ক করি, সেই গুনাহগুলোতে মাঝে মাঝে নিজেও জড়িয়ে যাই। কখনো ইচ্ছাকৃতভাবে নফসের ধোকায়, কখনো শয়তানের। তখন নিজের কাছেই মনে হয়, আমি বন্ধুদেরকে দাওয়াত দেই, কিন্তু নিজের পালন করি না। কতোটা পাপিষ্ঠ আমি! কী লাভ, যদি আমি অন্যদেরকে দাওয়াত দেই, আর নিজে পালন না করি। মাঝে মাঝে নির্জনে চোখের পানি ফেলি, আর রবের কাছে দুয়া করি, তিনি যেন আমার কালবকে পরিষ্কার করে দেন। কোনো গুনাহ করার পর খালিস অন্তরে তওবা করি। তওবায় কিছুদিন অটল থাকি। কিন্তু তারপর আবার যে কে সেই। নিজের কাছে মনে হয়, আমি একটা মুনাফিক। কারণ আমার কাজ দ্বারা নিফাকই পরিলক্ষিত হয়। বুক ফেটে কান্না আসে। সালাতে সিজদায় পড়ে থাকি, আর কান্না করি। রাতের বেলা আকাশের পানে চেয়ে আমার রবকে কল্পনা করি আর ভাবি, কিয়ামতের দিন এ গুনাহের ব্যাপারে কী জওয়াব দেব আমি। তবুও গুনাহ করে ফেলি। আপনারা আলেম মানুষ। আপনাদের কিছু মূল্যবান নাসিহাহ ইনশা আল্লাহ আমাকে উপকৃত করবে। কীভাবে আমি বিরত থাকবো পাপকাজ থেকে? আমার জন্য দুয়া করবেন। জাযাকাল্লাহু খাইরান।
19 Jan 2026
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আপনার অনুভূতি খুব ভাল। তবে গুনাহ থেকে বাঁচতে হলে আপনাকে আরো দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হতে হবে। মনকে শক্ত করতে হবে।সাথে দুআ তো করতেই হবে। ইনশাআল্লাহ আপনি গুনাহ থেকে বেঁচে থাকতে পারবেন। আমরা আল্লাহর কাছে দুআ করি আল্লাহ আপনাকে গুনাহমুক্ত জীবন দান করুন।
প্রশ্নঃ 2059
ইসলামও এক, কিন্তু দল মতের তো অভাব নাই। আমরা সাধারণ মানুষ কি করবো।
18 Jan 2026
জীবনের সকল ক্ষেত্রে কুরআন ও সুন্নাহর বিধান মেনে চলুন। যারা ইসলামকে ভালবাসে তাদেরকে ভালবাসুন। তবে মনে রাখবেন ভুল মানুষের হবে এটাই স্বাভাবিক।
প্রশ্নঃ 2016
আসসালামু আলাইকুম… আমার ২ টা প্রশ্ন আছে… ১) আমার বয়স ২১… আমি যদি আমার নাম পরিবর্তন করতে চাই তাহলে আমাকে শরীয়াহ অনুযায়ী কি কি করতে হবে? ২) বুকের লোম ছেঁছে ফেলা কি গুনাহ এর কাজ? বড়দের বলতে শুনেছি গুনাহ হবে…
18 Jan 2026
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। শরীয়াহ অনুযায়ী কিছু্ করতে হবে না। দেশীয় আইন অনুযায়ী অনেক কিছুই করতে হবে। বিনা প্রয়োজনে দরকার নেই। ২। অযথা বুকের লোম কেন কাটবেন বোধগম্য নয়। এটা তো বেহুদা কাজ। এর থেকে বিরত থাকা উচিত।
প্রশ্নঃ 2009
আসসালামু আলাইকুম… হাত-পায়ের নোখ কাটার পর কি করবো? বড়দের কাছে থেকে শুনেছি এই নোখ মাটিতে পুতে দিতে হবে আর বিচারের দিনে এই নোখ খুজে আনতে হবে… কথাটি কি সত্য?
18 Jan 2026
ওয়া আলাইকুমুস সালম। বিচারের দিন খুঁজে আনা লাগবে না তবে পরিচ্ছন্নতার স্বার্থে পুতে রাখাই ভাল।
প্রশ্নঃ 1968
আসসালামু আলাইকুম, আমার প্রশ্ন হলোঃ কেউ যদি মিথ্যা পরিচয়ে ইন্টারনেটে/ফেসবুকে ইসলাম প্রচার করে তাতে কোন অসুবিধা আছে কি?
17 Jan 2026
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। জ্বী, অসুবিধা আছে। মিথ্যা বলে ইসলাম প্রচারের মুখাপেক্ষী ইসলাম নয়। সুতরাং ইন্টারনেট হোক বা অন্য কোথাও হোক, মিথ্যা বলে ইসলাম প্রচারের কোন সুযোগ নেই।
প্রশ্নঃ 1948
আমি একজন চিকিৎসক ও হাজী। হিন্দুদেরমধ্যে আমার থাকতে হয়। অনেক হিন্দু ভাইরা আমার নিমন্ত্রণ করে। তাদের বাড়িতে খাওয়া যাবে কি?? আর পূজার চাদার জন্য আসে। চাদা দেওয়া যাবে কি?? আমাকে একটু জানাবেন প্লিজ।
16 Jan 2026
হিন্দুদের বাড়িতে হিন্দুদের হাতের জবেহ করা প্রাণীর গোশত ছাড়া অন্য খাবার খাওয়া জায়েজ। তবে তাদের সাথে ভাল ব্যবহার করবেন, কিন্তু অন্তরঙ্গ বন্ধু হিসাবে তাদের গ্রহণ করতে কুরআন শরীফে নিষেধ করা হয়েছে। আর পূজার চাদা দেয়া যাবে না, হারাম। কেনন এতে শিরকে সহায়তা করা হবে। আশা করি বুঝতে পেরেছেন।
প্রশ্নঃ 1930
১. সূরা বাকারার-১৭০ নাম্বার আয়াত ও সূরা আনআমের-১১৬ নাম্বার আয়াত কি এযুগেও মুসলমানদের ক্ষেত্রেও ব্যবহার করা যাবে?
২. মুরসাল হাদিস কি? সুনান আবু দাউদ (তাহকিককৃত) ৭৫৯ হাদিসটি বুঝলাম না, হাদিসটির সনদ সহী হলে তা আবার মুরসাল হয় কিভাবে? বুকে হাত বাধার শক্ত/সহী দলিলগুলো কি কি?
৩. সহীহ বুখারী, তাওহীদ প্রকাশনীতে আছে ৭৫৬৩ টি হাদিস, আবার ইফাঃ তে আছে মোট ৭০৫৩ টি হাদিস, এরকম কমবেশি হবার কারণ কি তাওহীদ প্রকাশনী কি মদিনা ইউনিভার্সিটি বা সৌদি কর্তিক ;স্বীকৃতিপ্রাপ্ত? এই প্রকাশনীতে কাদের তত্ত্বাবধানে বই ছাপানো হয়? ৪. হিকমাহ, ইমাম, মসলা মাসায়েল, বায়াত, কাশফ, তাসাউফ এগুলার সংজ্ঞা কি? একটু সহজ কথায় বুঝিয়ে বলবেন কি?
৫. কবরে নেক বান্দাদের যে চারটি প্রশ্নকরা হবে- এ কথাটার দলিল পাচ্ছি না। রেফারেন্সসহ হাদিসটি যদি বলে দিতেন তাহলে অনেক উপকার হত।
16 Jan 2026
এই আয়াত দুটি কোন যুগেই মুসলমানদের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়নি এবং এখনো হবে না। এই আয়াত দুটি কাফেরদের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হবে। বর্তমানে ফিকহী বিষয়ে মতভেদ হলে কেউ কেউ মুসলমানদের ক্ষেত্রে এই আয়াতের অপব্যবহার করে, এটা খু্বই মারাত্নক ও জঘন্য ব্যাপার। ২। তাবেঈ যখন সরাসরি রাসূলুল্লাহ সা. থেকে সরাসরি বর্ণনা করে তখন সে হাদীসক মুরসাল বলে। এই ধরণের হাদীসের বর্ণনাকারীগণ ছিকাহ হলে সনদ সহীহ বলে বিবেচিত। তবে মুরসাল হাদীসকে অনেকেই শক্তিশালী দলীল হিসাবে মনে করেন না। বুকে হাত বাধার কোন শক্তিশালী দলীল বা সহীহ হাদীস ভিত্তিক কোন দলীল নেই। বিস্তারিত জানতে দেখুন, শায়খ ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহ. রচিত বুকের উপর হাত বাধার বিধান বইটি। ৩। হাদীসের লেখকগণ হাদীসের কোন নাম্বার দেন নি। পরবর্তীতে অনেকেই নাম্বার দিয়েছেন। এক্ষেত্রে কেউ কেউ একই বিষয়ের ছোট কোন হাদীসেকে আরেকটার ভিতর ঢুকিয়ে দিয়েছেন আবার কেউ আলাদা রেখেছেন তাই নাম্বারের ক্ষেত্রে এমন তারতম্য হয়েছে। কোন প্রকাশনী সম্পর্কে কোন মন্তব্য করা আমাদের কাজ নয়। ৪। এগুলো স্থানীয় কারো কাছ থেকে জেনে নিন। সর্বশেষ বলি, কুরআন-হাদীস বিশাল এক সাগর। সাগরের গভীরে না গিয়ে সাগর সম্পর্কে মন্তব্য না করা উচিত।
প্রশ্নঃ 1920
http://www.najibbd.blogspot.com/2017/04/blog-post_57.html?m=1
উপরের লিংকটির আর্টিকেলের প্রথম কিছু অংশ শাইখ আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর(রাহিমাহুল্লাহ) এর আলোচনায় খুব সম্ভব প্রশ্নোত্তর পর্বে শুনেছিলাম। তবে এর পরবর্তী অংশ কোনো আলোচনায় পাইনি। প্রশ্ন হল, লিংকটির আর্টিকেলের শেষাংশ কি সত্যই শাইখ এর বক্তব্য?
16 Jan 2026
জ্বী, শায়েখ বিভিন্ন সময় এই ধরণের বক্তব্য দিতেন এবং এটাও তার বক্তব্যেরই অংশ।
প্রশ্নঃ 1864
আসসালামু আলাইকুম, আমার কোমরে (মেরুদন্ড) এ ২০০৪ (সম্ভবত) অপারেশন করা হয়। ডাক্তারের এর পরামর্শ অনুযায়ি চেয়ারে বসে নামায পরি। আমি অপারেশান এর পরদিন থেকে সুস্থ। ভবিষ্যত এর কথা চিন্তা করে আমি আখনো ডাক্তার এর পরামর্শ অনুযায়ী চেয়ারে বসে নামায পরি। এতে আমার নামায হবে কি না জানাবেন। মামুন, ০১৭১১০৮০৮৯৪
14 Jan 2026
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আপনি আবার এখন ডাক্তারের পরামর্শ নিন। যদি সাজদা দিতে নিষেধ করেন তাহলে। দাঁড়িয়ে নামায পড়বেন, রুকু সাজাদ দাঁড়ানো অবস্থাতেই দিবেন যেভাবে চেয়ারে বসে দেন। রুকুর তুলনায় সাজদাতে মাথা একটু বেশী ঝুকাবেন। যারা দাঁড়াতে বা নিচে বসতে অক্ষম তারাই কেবল চেয়ারে নামায পড়বে।
প্রশ্নঃ 1810
আসসালামুলাইকুম আমাদের সমাজে অনেকের এমন আত্মীয় আছে যারা মানুষকে দাওয়াত দিয়ে খাওয়ায় বা উপহার দেয় । কিন্তু তারাই আবার মানুষকে বলে বেড়ায় বা কোন বিষয় নিয়ে মনমালিন্য হলে খাওয়া বা উপহারের খোটা দেয় । এই ধরনের লোকের বাসায় দাওয়াত দিলে কি যাওয়া যাবে বা উপহার দিলে নেয়া যাবে?
13 Jan 2026
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আত্নীয়তার সম্পর্ক বজায় রেখে এই ধরণের লোক থেকে দূরে থাকতে হবে।
প্রশ্নঃ 1803
আসসালামু আলাইকুম … আমি ক্বওমী ও আলিয়া মাদ্রাসা সম্পর্কে বুঝিনা… এ দুটো সম্পর্কে ডিটেইলস এ একটু বুঝায়ে দিলে খুশি হতাম. যাজাকাল্লাহ…
13 Jan 2026
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। ভাই, এই বিষয়টি সম্পর্কে আলোচনার স্থান এটি নয়। আপনি স্থানীয় কোন মাদ্রাসায় গিয়ে বিষয়টি বুঝে আসুন।
প্রশ্নঃ 1766
আসসালামুয়ালাইকুম….. আমার ভাগিনা হাফেজ পড়াশোনা করসে ১ পারা মুখস্ত করেছে, এখন আমি চাই সহিহ আকিদায় দ্বীন শিক্ষার জন্য কোন ভাল প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আমার ভাগিনাকে হাফেজ বানাতে চাই, এই বিষয় বিস্তারিত জানালে উপকৃত হব।
13 Jan 2026
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আমাদের ঝিনাইদহ ছাড়া আর কোথাও হিফজ শাখা নেই। আর এখানেও বর্তমানে হিফজ শাখায় ভর্তি বন্ধ। তারপরও যোগাযোগ করতে পারেন এই নাম্বারো 01718136962
প্রশ্নঃ 1707
আসসালামু আলাইকুম…।
১। পৃথিবী কোন সময়ে (মানে- সকাল, বিকাল, রাত) ধংস হবে? আমি অনেক আগে শুনছিলাম আছরের সময় নাকি ধংস হবে। । এটা কি সঠিক? যদি সঠিক হয়, তাহলে সারা পৃথিবীতে তো এক সঙ্গে দিন হয় না… তাহলে এটা কিভাবে সম্ভব?
২। সাধারণ মানুষের জন্য তাকলিদ করা কি জরুরী? এবং কেন?
৩। একজন সাধারণ (মূর্খ) অমুসলিমের কিয়ামতের দিন কিভাবে বিচার করা হবে?
08 Jan 2026
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। যে প্রশ্নগুলো ঈমান ও আমল সম্পর্কীত সেই সব প্রশ্ন করবেন।সাধারণ মানুষ যারা ধর্মের বিষয়াদী জানে না তাদেরকে অবশ্যই কোন আলেম থেকে বিষয়গুলো জেনে নিতে হবে। কারণ সে তো আর কুরআন হাদীস জানে না। এই অর্থে সকল অজানা মানুষকে তাকলীদ করতে হেব। ৩। আল্লাহর বিষয় আল্লাহর উপর ছেড়ে দিন।
প্রশ্নঃ 1706
এটা কি কোন হাদীসে আছে? রমজানের 30 দিনের 30 ফজিলত 1ম রমজানে = রোজাদারকে নবজাতকের মত নিষ্পাপ করে দেওয়া হয়। 2য় রমজানে = রোজাদারের মা -বাবাকে মাফ করে দেওয়া হয়। 3য় রমজানে = একজন ফিরিস্তা আবারও রোজাদারের ক্ষমার ঘোষনা দেয়। 4র্থ রমজানে = রোজাদারকে আসমানী বড় বড় চার কিতাবের বর্ন সমান সাওয়াব প্রদান করা হয়। 5ম রমজানে= মক্কা নগরীর মসজিদে হারামে নামাজ আদায়ের সাওয়াব দেওয়া হয়। 6ষ্ঠ রমজানে= ফিরিস্তাদের সাথে 7ম আকাশে অবস্থিত বাইতুল মামূর তাওয়াফের সাওয়াব প্রদান করা হয়। 7ম রমজানে= ফিরাউনের বিরুদ্ধে মুসা আঃ এর পক্ষে সহযোগিতা করার সমান সাওয়াব প্রদান করা হয়। 8ম রমজানে =রোজাদারের উপর হযরত ইবরাহীম আঃ এর মতো রহমত- বর্ষিত হয়। 9ম রমজানে= নবী-রাসূলদের সাথে দাড়িয়ে ইবাদতের সমান সাওয়াব দেওয়া হয়। 10ম রমজানে= রোজাদারকে উভয় জাহানের কল্যাণ দান করা হয়। 11তম রমজানে=রোজাদারের মৃত্যু নবজাতকের ন্যায় নিষ্পাপ নিশ্চিত হয়। 12তম রমজানে= হাশরের ময়দানে রোজাদারের চেহারা পূর্ণিমা চাদের মতো উজ্জল করা হবে। 13তম রমজানে=হাশরের ময়দানের সকল বিপদ থেকে নিরাপদ করা হবে। 14তম রমজানে= হাশরের ময়দানে হিসাব-নিকাশ সহজ করা হবে। 15তম রমজানে = সমস্ত ফিরিস্তারা রোজাদারের জন্য দোয়া করে। 16তম রমজানে= আল্লাহপাক রোজাদারকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি এবং জান্নাতে প্রবেশের অনুমতি প্রদান করেন । 17তম রমজানে= একদিনের জন্য নবীগনের সমান সা্ওয়াব দেওয়া হবে। 18তম রমজানে = রোজাদার এবং তার মা-বাবার প্রতি আল্লাহর সন্তুষ্টির সংবাদ দেওয়া হয়। 19তম রমজানে= পৃথিবীর সকল পাথর- কংকর টিলা- টংকর রোজাদারের জন্য দোয়া করতে থাকে। 20তম রমজানে =আল্লাহরপথে জীবন দানকারী শহীদের সমান সাওয়াব প্রদান করা হয়। 21তম রমজানে = রোজাদারের জন্য জান্নাতে একটি উজ্জল প্রাসাদ নির্মান করা হয়। 22তম রমজানে= হাশরেরা ময়দানের সকল চিন্তা থেকে মুক্ত করা হয়। 23তম রমজানে= জান্নাতে রোজাদারের জন্য একটি শহর নির্মান করা হয়। 24তম রমজানে = রোজাদারের যে কোন 24টি দোয়া কবুল করা হয়। 25তম রমজানে= কবরের শাস্তি চিরতরে বন্ধ করে দেওয়া হয়। 26তম রমজানে =40 বছর ইবাদতের সমান সা্ওয়াব প্রদান করা হয়। 27তম রমজানে= চোখের পলকে ফুলসিরাত পার করে দেওয়া হয়। 28তম রমজানে= জান্নাতের নেয়ামত দ্বিগুন করা হয়। 29তম রমজানে= এক হাজার কবুল হজ্জের সাওয়াব প্রদান করা হয়। 30তম রমজানে= পুরা রমজানের ফজিলত দ্বিগুন করা হয়।
08 Jan 2026
না, এটা হাদীস নয়। জাল-বানোয়াট কথা।
প্রশ্নঃ 1689
আসসালামু আলাইকুম, ভাই স্যারের নতুন বয়ান গুলো কেন আপলোড দেওয়া হচ্ছেনা আর অনেক বয়ান আছে যে গুলোর এক পর্ব আছে বাকি গুলা নাই কেন।
08 Jan 2026
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আমি বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলকে অবহিত করবো।
প্রশ্নঃ 1677
k sathe 4 mazhab mana jabe ki. jemon hat badha hanafi moto amin shafi moto. onno masala maleki moto. jodi na mana jai tobe karon bolben. a somporkito kono valo kitab er nam bolben pls.
08 Jan 2026
একজন মুসলিমের জন্য কুরআন-সুন্নাহ মানা ফরজ। সুতরাং একজন মুসলিমকে কুরআন-সুন্নাহই মানতে হবে। কিন্তু অধিকাংশ মুসলিম এবং সাধারণ আলিমগণ কুরআন-সুন্নাহ থেকে মাসআলা-মাসায়েল জানতে অক্ষম। তাই তাদেরকে এমন কাউকে না কাউকে অনুসরণ করতে হবে যে কুরআন-সুন্নাহ থেকে মাসআলা জানতে সক্ষম। আর এভাবে কাউকে অনুসরণ করার নামই মাজহাব। তার মধ্যে চারটি মাজহাব প্রসিদ্ধ। আর এর কোন একটি মানাই সাধারণ মুসলিমের জন্য নিরাপদ । কোন মাসআলার দলীল যয়ীফ হলে কিংবা অধিকতর শক্তিশালী হলে আপনি কোন বিজ্ঞ আলেমের পরামর্শে সহীহ দলীল অনুযায়ী আমল করতে পারেন তবে কখনোই নিজেই সিদ্ধান্ত নিবেন না। তবে এটাকে আপনি মাজহাব মানা মনে করবেন না, বরং হাদীস মানা মনে করবেন। আর যারাকুরআন-সুন্নাহ থেকে মাসআলা জানতে সক্ষম তাদের তো কাউকে অনুসরণের প্রয়োজন নেই। তবে এমন ব্যক্তি পৃথিবীতে খুব কমই আছে। এই ধরণের একটি প্রশ্নের জবাবেআমাদের দেয়া 0155 নং প্রশ্নের উত্তরে শায়খ আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহ. ইংরেজীতে লিখেছিলেন,Madhabs do. They also accept some scholars and follow them. The main duty of a Muslim is to follow the Quran and Sunnah. But the most of the muslims can not study them. So the depend of mazhabs or scholars. You should try your best to study the Quran and sunnah yourself. If not possible, you should follow one Alim and make your decision depending on Sunnah, not on your personal trend or choice. আশা করি বুঝতে পেরেছেন।
প্রশ্নঃ 1591
আসসালামু আলাইকুম। আমি কিছুদিন আগে একটি ঘটনা শুনি যে এক অবিবাহিতা নারীর গর্ভে অবৈধ ভাবে বাচ্চা চলে আসে। সে খুব ধামাচাপা দিয়ে বাচ্চাটি প্রসব করে এবং প্রসবের পরপরই বাচ্চাটি হত্যা করে। আমার প্রশ্ন এখানে বাচ্চাটির বাবা এবং মা উভয়ই পাপী। কিন্তু বাচ্চাটি তো নিষ্পাপ। এভাবে অবৈধভাবে চলে আসা বাচ্চা এর ক্ষেত্রে ইসলামের বিধান কি?বাচ্চাটি কোথায় থাকবে এবং সমাজে তার অবস্থান কি হবে। একটু বুঝিয়ে বললে উপকৃত হতাম। ধন্যবাদ।
07 Jan 2026
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। এই বিষয়ে ফাতাওয়া জান্নাত দায়েমা এর মন্তব্য খুবই সুন্দর। তারা বলেছেন, أما ولد الزنا فيلحق نسبا بأمه ، وحكمه حكم سائر المسلمين إذا كانت أمه مسلمة ، ولا يؤاخذ ولا يعاب بجرم أمه ، ولا بجرم من زنا بها ، لقوله سبحانه : ( وَلاَ تَزِرُ وَازِرَةٌ وِزْرَ أُخْرَى ) انتهى . ব্যভিচারের কারণে সৃষ্ট বাচ্চার বংশ ধারা তার মায়ের থেকে সাব্যস্ত হবে। তার হুকুম অন্যান্য মুসলিমদের মতই যখন তার মা মুসলিম হবে। তার মায়ের গোনাহ এবং তার মা যার সাথে ব্যভিচার করেছে তার গোনাহের কারণে তাকে শাস্থি দেওয়া হবে না। কেননা আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, কোন বহনকারী (পাপী) অন্যের বোঝা (পাপ) বহন করবে না। ২২/৩৪। বিস্তারিত জানতে দেখুন আল-ইসলাম সুয়াল ও জওয়াব, প্রশ্ন নং ৮৫০৪৩। (আরবী, ইন্টারনেট) সুতরাং তার সমস্থা দায়ভার তার মায়ের উপর।
প্রশ্নঃ 1573
আসসালামু আলাইকুম আমি ফজরের নামাজের পর মাঠে খেলতে যাই। মাঠে কিছু ভাইয়েরা খেলা ক্রিকেট খেলে। তো সেই খেলায় কিছু ভাই টাকা বা লিটার লাগায় মানে বাজি ধরে সবাই যে লাগায় তা নয় যার যার ইচ্ছা ধরে। তাদের সাথে আমার খেলা ঠিক হবে কি? যদিও আমি শরির চর্চা বা আনন্দের জন্য খেলতে যাাই।
07 Jan 2026
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আপনি শরীর চর্চার উদ্দেশ্যে বাজি না ধরে খেলতে পারেন তবে না খেলাই ভাল মনে হচ্ছে। আপনি অন্য কোথাও খেলুন যেখানে এই সমস্যা নেই।
প্রশ্নঃ 1528
আসসালামু আলাইকুম! জাহেল বা জাহিল অর্থ কি?
07 Jan 2026
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। জাহিল শব্দের অর্থ মূর্খ।
প্রশ্নঃ 1526
আসসালামু আলাইকুম! আজকাল আমাদের দেশের প্রায় প্রতিটি পণ্যের প্যাকে বিভিন্ন মানুষ বা জন্তুর ছবি থাকে। যেমন সাবানের প্যাকে, চকোলেটের প্যাকে, বিভিন্ন পণ্যের প্যাকে। আমার কথা হলো ঘরের মধ্যে মানুষ বা জন্তুর ছবি থাকলে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করেননা এটা সত্য। তাহলে আমরা কি করবো? বাধ্য হয়ে তো বিভিন্ন পণ্য কিনতে হয়।
07 Jan 2026
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আপনি প্যাকেটি ময়লা ফেলার স্থানে ফেলে দিবেন। আর যথা সম্ভব চেষ্টা করবেন এই ধরণের পন্য না কেনার জন্য।
প্রশ্নঃ 1522
আমাকে হিজড়াদের ব্যাপারে বলুন?
07 Jan 2026
হিজড়ারা অন্যদের মতই মানুষ। অন্যান্য মানুষ যে সব অধিকার ভোগ করে তারাও সেই সব অধিকার ভোগ করবে। অন্যান্য মানুষদের জন্য যেমন আল্লাহ তায়ালার হুকুম আহকাম মানা ফরজ তাদের জন্যও ফরজ। ছেলে-মেয়েরা যেমন পিতার থেকে সম্পদ পায় হিজড়ারাও পাবে। নির্দিষ্ট কোন বিষয়ে প্রশ্ন থাকলে স্পষ্ট করে বলুন।
প্রশ্নঃ 1457
আসসালামু আলাইকুম। আমি ইক্বামতে দ্বীন এবং আমার করণীয় সম্পর্কে জানতে চাই।
06 Jan 2026
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আমাদের করণীয় হলো ব্যক্তিগত জীবনে ইসলাম মেনে চলা । আর অন্যদেরকে ইসলাম অনুযয়ী চলার জন্য দাওয়াত দেয়া। দাওয়াতের বিভিন্ন মাধ্যম আছে, সুযোগ মত সকল মাধ্যমে অংশ নেয়া।
প্রশ্নঃ 1388
আপনাদের অফিসিয়াল যোগাযোগ নম্বরটা দয়া করে দেবেন। আপনাদের বইতে কত % কমিশন?
05 Jan 2026
আমাদের অফিসের নাম্বার হলো 01762629439। ৫০% এর মত।
প্রশ্নঃ 1349
আস্সা লামু আলাইকুম। আপনাদের অধীনে কোনো মাদ্রাসাj পরিচালিত হয় কিনা? পরিচালিত হলে, দয়া করে বিস্তারিত জানাবেন। আল্লাহ আমাদের সকলকে ক্ষমা করুন। আমীন। । ।
05 Jan 2026
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। হ্যাঁ, আমাদের অধীনে কয়েকটি ছোট বড় মাদ্রাসা পরিচালিত হয়। ঝিনাইদহ আমাদের মূল কেন্দ্র। বিস্তারিত জানতে ফোন করুন, 01718136962
প্রশ্নঃ 1347
স্যার, সূরা ফাতিহা তে সিরতাল মুসতাকিম কিন্তু বলার সময় সিরতাল মুসতাকিন পড়া হয় কেন?মুস্তাকিম আর মুস্তাকিন এ কোন পার্থক্য আছে? ;আমার মুস্তাকিম উচ্চারন করি, তাতে কি এটা সহিহ নয়?
05 Jan 2026
সিরতাল মুসতাকিম হবে, সিরতাল মুসতাকিন হবে না।
প্রশ্নঃ 1319
Assalamu alaikum Apnader ai mohat kajer jonno Allah subhanu oatala uttom protidan dan korun. Amer question holo – Imam nirbachoner conditions gulo ki ki?
05 Jan 2026
ওয়া আলাইকুমুস সালা। আল্লাহ আপনাদেরক এবংআমাদের সবাইকে ভাল রাখুন। ইমাম নির্বাচনের ক্ষেত্রে সর্বপ্রথম দেখবেন তেলাওয়াত বিশুদ্ধ আছে কি না এবং নামাযের জন্য সাধারণ প্রয়োজন মাসআলাগুলো জানে কি না। সম্ভব হলে একজন আলেমকে ইমাম নির্বাচন করবেন, যিনি কোন মাদ্রাসা থেকে পড়া শেষ করেছেন। এরপর সুন্নাত অনুযায়ী তিনি তার জীবন ও পরিবার পরিচালনা করেন কি না এগুলো দেখবেন। মোটামুটি এতটুকুই বলা যায়।
প্রশ্নঃ 1286
আমি এখন অর্নাস তৃতীয় বর্ষ এ পড়ি। এখন আমি ইসলামিক বিষয়ে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে পড়াশুনা করতে চাই। এরকম কি কোন প্রতিষঠান আছে, তা জানতে চাই?
05 Jan 2026
আপনি স্থানীয় কোন মহিলা কওমী মাদ্রাসাতে যোগাযোক করতে পারেন। আশা করি আপনি পড়াশোনার সুযোগ পাবেন।
প্রশ্নঃ 1239
দীন শিক্ষা ও আত্মশুদ্ধির জন্যে আসসুন্নাহ ট্রাস্টে আসা যাবে কি?
05 Jan 2026
অবশ্যই আসবেন। আমরা আপনাকে আসার অমন্ত্রন জানায়। মাসিক মাহফিলসমূহে আসবেন। বাৎসরিক মাহফিলে আসবেন। সময়-সুযোগ হলেই আসবেন। প্রতি ইংরেজী বছরের ডিসেম্বরের প্রথম বুধ, বৃহঃবাার ও শুক্রবার আমাদের বার্ষিক মাহফিল হয়।
প্রশ্নঃ 1238
মুসলিম মরার পর কি লিখবো? মরহুম না রাহেমুল্লা। এবং এর অর্থ কি?
05 Jan 2026
মরহুম, রাহিমাহুল্লাহ, রাহমাতুল্লাহি আলাইহি যে কোন একটি বলতে পারেন। প্রতিটি শব্দের অর্থ একই।
প্রশ্নঃ 1224
Assalamu Alaikum. Mutaram, please let me know about Imam Mahdi (A.)
05 Jan 2026
ওয়া আলাইকুমুস সালাম।
ইমাম মাহদী সম্পর্কে শায়খ ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহ. আল ফিকহুল আকবার গ্রন্থে আলোচনা করেছেন। আমি সেখান থেকে সার-সংক্ষেপ উপস্থাপন করবো। বিস্তারিত জানতে মূল বইটি দেখুন। বিভিন্ন হাদীসে কিয়ামতের পূর্বে ইমাম মাহদীর আবির্ভাবের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। কোনো কোনো হাদীসে বিষয়টিকে ঈসা মাসীহের অবতরণ ও দাজ্জালের সাথে সংশ্লিষ্ট বলে উল্লেখ করা হয়েছে। হাদীস, ফিকহ ও আকীদার পরিভাষায় ইমাম শব্দটি খলীফা বা রাষ্ট্রপ্রধান শব্দের সমার্থক। মাহদী অর্থ হেদায়াত-প্রাপ্ত। এজন্য পারিভাষিকভাবে ইমাম মাহদী অর্থ আল্লাহর পক্ষ থেকে হেদায়াত-প্রাপ্ত রাষ্ট্রপ্রধান। রাসূলুল্লাহ সা. তাঁর পরের খলীফাগণকে খুলাফা রাশিদীন মাহদিয়্যীন বা মাহদী রাশিদ খলীফা বলে আখ্যায়িত করেছেন। এ থেকে আমরা জানি যে, খুলাফায়ে রাশিদীন সকলেই মাহদী বা হেদায়াতপ্রাপ্ত ছিলেন। তবে শেষ যুগে আরো একজন মাহদী রাষ্ট্রপ্রধান ক্ষমতাগ্রহণ করবেন বলে বিভিন্ন হাদীসে বর্ণিত হয়েছে।
মাহদীর কথা উল্লেখ করে কোনো হাদীস সহীহ বুখারী বা সহীহ মুসলিমে নেই। অন্যান্য হাদীস গ্রন্থে এ বিষয়ক হাদীসগুলো সংকলিত। এ বিষয়ে কিছু সহীহ হাদীসের পাশাপাশি অনেক যয়ীফ হাদীস বিদ্যমান এবং অগণিত জাল হাদীস এ বিষয়ে প্রচারিত হয়েছে। এখানে এ বিষয়ক কয়েকটি গ্রহণযোগ্য হাদীস উল্লেখ করছি। প্রথম হাদীস: আব্দুল্লাহ ইবন মাসঊদ বলেন, রাসূলুল্লাহ সা.বলেন: لَوْ لَمْ يَبْقَ مِنَ الدُّنْيَا إِلاَّ يَوْمٌ لَطَوَّلَ اللَّهُ ذَلِكَ الْيَوْمَ حَتَّى يَبْعَثَ فِيهِ رَجُلاً مِنِّى أو مِنْ أَهْلِ بَيْتِى (يَمْلِكَ الْعَرَبَ/ يلي رَجُلٌ مِنْ أَهْلِ بَيْتِى) يُوَاطِئُ اسْمُهُ اسْمِى وَاسْمُ أَبِيهِ اسْمَ أَبِى يَمْلأُ الأَرْضَ قِسْطًا وَعَدْلاً كَمَا مُلِئَتْ ظُلْمًا وَجَوْرًا দুনিয়ার যদি একটি দিনও বাকি থাকে তবে আল্লাহ সে দিনটিকে দীর্ঘায়িত করে আমার বংশধর থেকে এক ব্যক্তিকে প্রেরণ করবেন যার নাম ও পিতার নাম আমার নাম ও আমার পিতার নামের মতই হবে তিনি রাষ্ট্রক্ষমতা গ্রহণ করবেন, আরবদের উপর রাজত্ব গ্রহণ করবেন জুলুম পূর্ণ পৃথিবীকে ইনসাফে পূর্ণ করবেন। হাদীসটি সহীহ।
দ্বিতীয় হাদীস: আবূ সায়ীদ খুদরী (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. বলেন: الْمَهْدِىُّ مِنِّى أَجْلَى الْجَبْهَةِ أَقْنَى الأَنْفِ يَمْلأُ الأَرْضَ قِسْطًا وَعَدْلاً كَمَا مُلِئَتْ جَوْرًا وَظُلْمًا يَمْلِكُ سَبْعَ سِنِينَ মাহদী আমার (বংশধর) থেকে, তার কপাল চুলমুক্ত (মাথার সম্মুখভাগে চুল থাকবে না) এবং নাক চিকন। সে অত্যাচারে পরিপূর্ণ দুনিয়াকে ন্যায়পরায়ণতায় পূর্ণ করবে। সে সাত (অন্য বর্ণনায়: নয়) বছর রাজত্ব করবে। হাদীসটি সহীহ। তৃতীয় হাদীস: উম্মু সালামা (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. বলেন: يَكُونُ اخْتِلاَفٌ عِنْدَ مَوْتِ خَلِيفَةٍ فَيَخْرُجُ رَجُلٌ مِنْ أَهْلِ الْمَدِينَةِ هَارِبًا إِلَى مَكَّةَ فَيَأْتِيهِ نَاسٌ مِنْ أَهْلِ مَكَّةَ فَيُخْرِجُونَهُ وَهُوَ كَارِهٌ فَيُبَايِعُونَهُ بَيْنَ الرُّكْنِ وَالْمَقَامِ وَيُبْعَثُ إِلَيْهِ بَعْثٌ مِنَ الشَّامِ فَيُخْسَفُ بِهِمْ بِالْبَيْدَاءِ بَيْنَ مَكَّةَ وَالْمَدِينَةِ فَإِذَا رَأَى النَّاسُ ذَلِكَ أَتَاهُ أَبْدَالُ الشَّامِ وَعَصَائِبُ أَهْلِ الْعِرَاقِ فَيُبَايِعُونَهُ بَيْنَ الرُّكْنِ وَالْمَقَامِ ثُمَّ يَنْشَأُ رَجُلٌ مِنْ قُرَيْشٍ أَخْوَالُهُ كَلْبٌ فَيَبْعَثُ إِلَيْهِمْ بَعْثًا فَيَظْهَرُونَ عَلَيْهِمْ وَذَلِكَ بَعْثُ كَلْبٍ وَالْخَيْبَةُ لِمَنْ لَمْ يَشْهَدْ غَنِيمَةَ كَلْبٍ فَيَقْسِمُ الْمَالَ وَيَعْمَلُ فِى النَّاسِ بِسُنَّةِ نَبِيِّهِمْ -صلى الله عليه وسلم- وَيُلْقِى الإِسْلاَمُ بِجِرَانِهِ إِلَى الأَرْضِ فَيَلْبَثُ سَبْعَ سِنِينَ/ تِسْعَ سِنِينَ، ثُمَّ يُتَوَفَّى وَيُصَلِّى عَلَيْهِ الْمُسْلِمُونَ একজন খলীফার মৃত্যুর সময় মতভেদ হবে। তখন মদীনার একজন মানুষ পালিয়ে মক্কায় চলে আসবে। তখন মক্কার কিছু মানুষ তার কাছে এসে তাকে বের করে আনবে। তার অনিচ্ছা ও অপছন্দ সত্ত্বেও তারা হাজার আসওয়াদ ও মাকাম ইবরাহীমের মধ্যবর্তী স্থানে তার বাইয়াত করবে। সিরিয়া থেকে একটি বাহিনী তার বিরুদ্ধে প্রেরণ করা হবে। মক্কা ও মদীনার মধ্যবর্তী বাইদা নামক স্থানে এ বাহিনী ভূমিধ্বসে ধ্বংস হবে। যখন মানুষেরা তা দেখবে তখন সিরিয়া থেকে আবদালগণ এবং ইরাক থেকে দলেদলে মানুষ এসে হাজার আসওয়াদ ও মাকাম ইবরাহীমের মধ্যবর্তী স্থানে তার হাতে বাইয়াত গ্রহণ করবে। এরপর কুরাইশ বংশ থেকে একব্যক্তি তার (মাহদীর) বিরুদ্ধে দাঁড়াবে, যার মাতুল হবে কালব বংশের। এ ব্যক্তি একটি বাহিনী তার (মাহদীর) বিরুদ্ধে প্রেরণ করবে।
কিন্তু মাহদীর বাহিনী কালব গোত্রের বাহিনীকে পরাজিত করবে। কালব গোত্রের গনীমত (যুদ্ধলব্ধ সম্পদ) বণ্টনে যে উপস্থিত থাকবে না সে দুর্ভাগা। তখন সে (মাহদী) সম্পদ বণ্টন করবে এবং মানুষদের মধ্যে তাদের নবীর আ. সুন্নাত অনুসারে কর্ম করবে। আর পৃথিবীর বুকে ইসলাম সুপ্রতিষ্ঠিত হবে। সে সাত (অন্য বর্ণনায়: নয়) বৎসর এভাবে থাকবে। এরপর সে মৃত্যুবরণ করবে এবং মুসলিমগণ তার সালাতুল জানাযা আদায় করবে। হাদীসটির বিশুদ্ধতার বিষয়ে মুহাদ্দিসগণ মতভেদ করেছেন। আল্লামা ইবনুল কাইয়িম ও অন্যান্য মুহাদ্দিস হাদীসটিকে হাসান এবং সহীহ পর্যায়ের বলে উল্লেখ করেছেন। পক্ষান্তরে শাইখ আলবানী হাদীসটিকে যয়ীফ বলে উল্লেখ করেছেন। চতুর্থ হাদীস: আবূ সায়ীদ খুদরী (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. বলেন: يَكُونُ فِي أُمَّتِي الْمَهْدِيُّ إِنْ قُصِرَ فَسَبْعٌ وَإِلَّا فَتِسْعٌ فَتَنْعَمُ فِيهِ أُمَّتِي نِعْمَةً لَمْ يَنْعَمُوا مِثْلَهَا قَطُّ تُؤْتَى أُكُلَهَا وَلَا تَدَّخِرُ مِنْهُمْ شَيْئًا وَالْمَالُ يَوْمَئِذٍ كُدُوسٌ فَيَقُومُ الرَّجُلُ فَيَقُولُ يَا مَهْدِيُّ أَعْطِنِي فَيَقُولُ خُذْ আমার উম্মাতের মধ্যে মাহদী আসবে। কম হলে সাত (বছর), না হলে নয় (বছর)। তখন আমার উম্মাতের মধ্যে নিয়ামত সর্বজনীন হবে। তারা এমনভবে প্রাচুর্য ও নিয়ামত ভোগ করবে যা তারা ইতোপূর্বে কখনোই ভোগ করে নি। উম্মাতকে সকল প্রাচুর্য দেওয়া হবে এবং মাহদী তাদেরকে না দিয়ে কিছুই সঞ্চিত করে রাখবে না। তখন সম্পদ হবে অফুরন্ত। কোনো ব্যক্তি যদি বলে, হে মাহদী, আমাকে প্রদান করুন তবে মাহদী বলবে: তুমি নিয়ে যাও। হাদীসটি হাসান। পঞ্চম হাদীস: উম্মু সালামা (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. বলেন: الْمَهْدِيُّ مِنْ عِتْرَتِي مِنْ وَلَدِ فَاطِمَةَ মাহদী আমার বংশের, ফাতিমার বংশধর থেকে। হাদীসটি সহীহ। ষষ্ঠ হাদীস: সাওবান (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. বলেন: يَقْتَتِلُ عِنْدَ كَنْزِكُمْ ثَلَاثَةٌ كُلُّهُمْ ابْنُ خَلِيفَةٍ ثُمَّ لَا يَصِيرُ إِلَى وَاحِدٍ مِنْهُمْ ثُمَّ تَطْلُعُ الرَّايَاتُ السُّودُ مِنْ قِبَلِ الْمَشْرِقِ فَيَقْتُلُونَكُمْ قَتْلًا لَمْ يُقْتَلْهُ قَوْمٌ ثُمَّ ذَكَرَ شَيْئًا لَا أَحْفَظُهُ فَقَالَ فَإِذَا رَأَيْتُمُوهُ فَبَايِعُوهُ وَلَوْ حَبْوًا عَلَى الثَّلْجِ فَإِنَّهُ خَلِيفَةُ اللَّهِ الْمَهْدِيُّ তোমাদের সংরক্ষিত সম্পদ নিয়ে তিন ব্যক্তি লড়াই করবে, তিনজনই খলীফার সন্তান। তাদের তিনজনের একজনও তা অধিকার করতে পারবে না। এরপর পূর্ব দিক থেকে কাল পতাকাসমূহের উদয় হবে, তখন তারা তোমাদেরকে এমনভাবে হত্যা করবে যেভাবে ইতোপূর্বে কেউ করে নি। এরপর তিনি কিছু বললেন, যা আমি মনে রাখতে পারি নি। এরপর বলেন: যখন তোমরা তা দেখবে তখন তার বাইয়াত করবে। বরফের উপরে হামাগুড়ি দিয়ে হলেও বাইয়াত করবে; কারণ সেই আল্লাহর খলীফা মাহদী।
ইমাম বাযযার, হাকিম নাইসাপূরী, যাহাবী, বূসীরী, সুয়ূতী ও অন্যান্য মুহাদ্দিস হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। আলবানী হাদীসটি শেষ বাক্যটিকে যয়ীফ বলেছেন। বুখারী ও মুসলিম সংকলিত কয়েকটি হাদীস ইমাম মাহদী প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য করেছেন আলিমগণ। আবূ হুরাইরা (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. বলেন: كَيْفَ أَنْتُمْ إِذَا نَزَلَ ابْنُ مَرْيَمَ فِيكُمْ وَإِمَامُكُمْ مِنْكُمْ তোমরা কি জান তোমাদের কী অবস্থা হবে যখন মরিয়মের পুত্র ঈসা যখন তোমাদের মধ্যে অবতরণ করবেন আর তখন তোমাদের ইমাম হবেন তোমাদেরই মধ্যকার একজন। অন্য হাদীসে জাবির ইবন আব্দুল্লাহ (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন: لاَ تَزَالُ طَائِفَةٌ مِنْ أُمَّتِى يُقَاتِلُونَ عَلَى الْحَقِّ ظَاهِرِينَ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ – قَالَ – فَيَنْزِلُ عِيسَى ابْنُ مَرْيَمَ -صلى الله عليه وسلم- فَيَقُولُ أَمِيرُهُمْ تَعَالَ صَلِّ لَنَا. فَيَقُولُ لاَ. إِنَّ بَعْضَكُمْ عَلَى بَعْضٍ أُمَرَاءُ. تَكْرِمَةَ اللَّهِ هَذِهِ الأُمَّةَ আমার উম্মাতের কিছু মানুষ হক্কের উপরে বিজয়ী থেকে লড়াই করে চলবে কিয়ামত পর্যন্ত। তিনি বলেন: অতঃপর মরিয়মের পুত্র ঈসা (আ) অবতরণ করবেন তখন তাদের আমীর বলবে: আসুন আমাদের জন্য ইমাম হয়ে সালাত আদায় করুন। তিনি বলবেন: না, আপনারা একে অপরের উপর আমীর, এটি এ উম্মাতের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে সম্মাননা। এ সকল হাদীসের আলোকে আলিমগণ বলেন যে, ইমাম মাহদীর সময়েই ঈসা (আ) অবতরণ করবেন এবং তাঁরই ইমামতিতে তিনি সালাত আদায় করবেন। উপরের হাদীসগুলো থেকে আমরা নিম্নের বিষয়গুলো জানতে পারি:
(ক) ইমাম মাহদী বলতে একজন হেদায়াতপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপ্রধান বুঝানো হয়েছে। যিনি রাষ্ট্রক্ষমতা গ্রহণ করে বিশ্বে প্রাচুর্য, শান্তি, ইনসাফ ও ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হবে।
(খ) তিনি রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর বংশধর এবং ৭ বা ৯ বৎসর রাজত্ব করবেন।
(গ) তার রাজত্বকালেই ঈসা (আ) অবতরণ করবেন।
(ঘ) তার ইমামত, খিলাফত বা শাসন আরবদেশ কেন্দ্রিক হবে।
(ঙ) তার ক্ষমতাগ্রহণের পূর্বে ক্ষমতা নিয়ে যুদ্ধবিগ্রহ হবে। বাইতুল্লাহর পাশে তার বাইয়াত হবে। সিরিয়া, ইরাক ও পূর্বদিক থেকে তার পক্ষে যোদ্ধারা আসবে।
(চ) এ রাষ্ট্রপ্রধানের ক্ষমতাগ্রহণ, বাইয়াত ইত্যাদি বিষয়ে মুমিনের কোনো দায়িত্ব নেই। এগুলো ঘটবে বলে রাসূলুল্লাহ সা. জানিয়েছেন। তবে যখন তার বিরোধী সৈন্যবাহিনী ভূমিধ্বসে ধ্বংস হবে, সিরিয়া, ইরাক ও পূর্ব দিকের সেনাবাহিনী তাঁর বাহিনীতে যোগ দিবে এবং সামগ্রিকভাবে তার কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হবে বা মুসলিম উম্মাহ তাঁকে স্বীকার করে নিবে, তখন মুমিনের দায়িত্ব রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে তাঁর বাইয়াত করা। এজন্য ইমাম মাহদী প্রসঙ্গে ইমাম সুফিয়ান সাওরী বলেন: لو مر ببابك فلا تبايعه حتى يجتمع الناس عليه যদি তিনি তোমার দরজা দিয়ে গমন করেন তবুও তুমি তাঁর বাইয়াত করবে না; যতক্ষণ না সকল মানুষ তাঁর বিষয়ে একমত হয়।
প্রশ্নঃ 1219
Please informed me about assunah trust mahfil (year and month)
05 Jan 2026
৭ ৮ ৯ ডিসেম্বর ২০১৬ইং। ইনশাআল্লাহ।
প্রশ্নঃ 1210
আচ্ছালামু আলাইকুম,ভাইয়া,রাস্তায় মাইকে মসজিদের জন্য টাকা চাওয়া বা বাসে লোকদের কাছে গিয়ে মসজিদের জন্য টাকা চাওয়ায় কতটুক শরীয়ত সম্মত? একটু ভাল করে দলীল দিয়ে বুঝিয়ে দিলে অন্যদের ও বেপার টা বোঝাতে পারতাম!
04 Jan 2026
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। মসজিদ তৈরীতে অংশগ্রহন মহান কাজ। কোন এলাকায় মসজিদ না থাকলে সেখানে মসজিদ নির্মানের জন্য পদক্ষেপ নিতে হবে। তবে যে এলাকার মসজিদ স্বাভাবিক ভাবে সে এলাকার মানুষরাই মসজিদ নির্মানের ব্যায় বহন করবেন। তবে বাইরের কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সহযোগিতা করলে তাতে কোন সমস্যা নেই। কিন্তু রাস্তায়, বাসে মসজিদের নামে টাকা সংগ্রহ করা এগুলো ইসলাম ধর্মকে অবমাননা করার শামিল। এতে স্পষ্টতই মনে হয় ইসলাম ধর্ম এমন ভিক্ষার মুখাপেক্ষী। আর অন্য ধর্মের লোকেরা এতে করে ইসলামকে হেয় করার সুযোগ পায়। এভাবে চাদা তুলে মসজিদ নির্মান করার আদেশ ইসলাম কাউকে করে নি। সুতরাং এই ঘৃন্য কাজ থেকে আমাদের বিরত থাকা একান্ত আবশ্যক। ভিক্ষা করে মসজিদ নির্মান করে সেখানে নামায আদায় করা ইসলামের কাঙ্খিত বিষয় নয়।
প্রশ্নঃ 1203
Assalamolikum. আপনাদের কোন Whatsapp Number থাকলে যনাবেন।
04 Jan 2026
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। WhatsApp Number- 01762629410
প্রশ্নঃ 1201
আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন ভাই? আমার প্রশ্নগুলো হল,
১. কেউ যদি জন্মবার্ষিকী/মৃত্যুবার্ষিকী/বিবাহবার্ষিকী উপলক্ষে দাউয়াত দেয়, সেই দাওয়াতে যাওয়া যাবে কি? আর এইসব পালন করা ইসলামের দৃষ্টিকোণে কেমন?
২. সুদখুর/ঘুষখুর অর্থাৎ হারাম রিযিকে লিপ্ত ব্যাক্তির দেয়া কোন উপহার বা তার দেয়া দাওয়াতে যাওয়া যাবে কি?
৩. ৩য় প্রশ্নটাও পারস্পরিক, আমার মামারা হিন্দু ধর্মাবলম্বীর অনুসারী। আমি তাদেরকে দাওয়াত দেয়ার জন্য ডঃ জাকির নায়েক স্যার-এর লেকচারগুলো দেয়ার নিয়ত করেছি। উনাদের জন্য আপনাদের কাছে দুয়া প্রার্থী। আমার মামা যদি কোন পোষাক উপহার দেয় তা পড়া যাবে কি?
আল্লাহ্ আপনাদের উত্তম প্রতিদান দান করুন ভাই। আসসালামু আলাইকুম।
04 Jan 2026
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আলহামদুলিল্লাহ। জন্মবার্ষিকী বা মৃত্যু বার্ষিকী পালন করা্ ইসলাম অনুমোদন করে না। রাসূলুল্লাহ সা. বা সাহাবীরা রা. কেউ কখনো কারো জন্ম বা মৃত্যুর্বার্ষিকী পালন করেন নি। সুতরাং এই উপলক্ষে আয়োজত অনুষ্ঠান বর্জন করতে হবে। ২। না, সুদখোর, ঘুশথোরের কোন উপহার নেয়া যাবে না এবং তার বাড়িতে খাওয়া যাবে না। স্যার রহ. বহুবার একথা বলেছেন। ৩। আপনি বৃহত্তর স্বার্থে তাদের উপহার নিতে পারেন। তাছড়া টাকা হালাল হলে বিধর্মীদের দেয়া শুকনা খাবার এবং উপহার নেয়া জায়েজ। ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আল্লাহ আপনাকে কবুল করুন, ভাল রাখুন।
প্রশ্নঃ 1192
আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন ভাই? আমার প্রশ্নগুলো হল,
১. আমি একটা কম্পিউটারের দোকানে কাজ করি। এইখানে বিভিন্ন ব্যাংক ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে আবেদন করতে হয়। পাশাপাশি পাসপোর্ট ছবি থেকে ছবি বের করে দেই। কোন ফ্যাশন ওয়ালা ছবির কাজ করি না। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এইরকম ছবির কাজ করা যাবে কি এবং ব্যাংক প্রতিষ্ঠানে আবেদন করবো কি? – কেননা বেশিরভাগ ব্যাংক-ই সুদভিত্তিক?
২. আমি বিকেলে আমার স্টুডেন্ট কে পড়াই। কিন্তু তার পরিবার ও আমার কাজের জন্য পড়ার সময়টা পরিবর্তন করতে পাচ্ছি না। প্রায় ৪ টা থেকে পড়ানো শুরু করলে দেখা যায় আসরের সালাত মিস যায়। তাই ৩.১৫ তে আহলে হাদিস মসজিদে সালাত পড়ে তার পর পড়াতে যাই। কিন্তু সালাতের সময় নির্ধারণী ক্যালেন্ডারে দেখি, হানাফি ক্যালেন্ডারে ৩.৫০ এর পড়ে আসরের ওয়াক্ত হয় এবং সালাত শুরু হয় ৪.১৫ তে। আর আহলে হাদিস ক্যালেন্ডারে দেখি ৩ টার পড়েই ওয়াক্ত হয়ে যায় এবং সালাত শুরু হয় ৩.১৫ তে। এখন এর সমাধান স্যার কি দিয়েছেন ভাই? জাযাকুমুল্লাহু খাইরান।আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন ভাই? আমার প্রশ্নগুলো হল,
১. আমি একটা কম্পিউটারের দোকানে কাজ করি। এইখানে বিভিন্ন ব্যাংক ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে আবেদন করতে হয়। পাশাপাশি পাসপোর্ট ছবি থেকে ছবি বের করে দেই। কোন ফ্যাশন ওয়ালা ছবির কাজ করি না। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এইরকম ছবির কাজ করা যাবে কি এবং ব্যাংক প্রতিষ্ঠানে আবেদন করবো কি? – কেননা বেশিরভাগ ব্যাংক-ই সুদভিত্তিক?
২. আমি বিকেলে আমার স্টুডেন্ট কে পড়াই। কিন্তু তার পরিবার ও আমার কাজের জন্য পড়ার সময়টা পরিবর্তন করতে পাচ্ছি না। প্রায় ৪ টা থেকে পড়ানো শুরু করলে দেখা যায় আসরের সালাত মিস যায়। তাই ৩.১৫ তে আহলে হাদিস মসজিদে সালাত পড়ে তার পর পড়াতে যাই। কিন্তু সালাতের সময় নির্ধারণী ক্যালেন্ডারে দেখি, হানাফি ক্যালেন্ডারে ৩.৫০ এর পড়ে আসরের ওয়াক্ত হয় এবং সালাত শুরু হয় ৪.১৫ তে। আর আহলে হাদিস ক্যালেন্ডারে দেখি ৩ টার পড়েই ওয়াক্ত হয়ে যায় এবং সালাত শুরু হয় ৩.১৫ তে। এখন এর সমাধান স্যার কি দিয়েছেন ভাই? জাযাকুমুল্লাহু খাইরান।
04 Jan 2026
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আলহামদুলিল্লাহ। আমরা ভাল আছি। আমরা দুআ করি আল্লাহ আপনাকেও ভাল রাখুন। আপনি কম্পিউটারে যে কাজ করছেন তা সরাসরি অপরাধ নয় তবে অপরাধে কিছুটা হলেও সহযোগিতা। তাই আপনি এমন একটি প্রতিষ্ঠান খুঁজে কাজ করার চেষ্টা করুন যে প্রতিষ্ঠানে এতটুকু সহযোগিতারও কোন অবকাশ নেই। আর আপনার দ্বিতীয় প্রশ্নের জবাব হলো আপনাকে অবশ্যই জামাতে সালাত আদায় করতে হবে। আপনার সমস্যার কারণে আপনি প্রথম জামাতেই (আপনার ভাষায় আহলে হাদীস মসজিদে) সালাত আদায় করে নিবেন। অন্যান্য মাজহাবেও আসরের সালাত আগেই আদায় করা হয়, সুতরাং এই সময় আসরের সালাত আদায় করলে কোন সমস্যা নেই।ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আলহামদুলিল্লাহ। আমরা ভাল আছি। আমরা দুআ করি আল্লাহ আপনাকেও ভাল রাখুন। আপনি কম্পিউটারে যে কাজ করছেন তা সরাসরি অপরাধ নয় তবে অপরাধে কিছুটা হলেও সহযোগিতা। তাই আপনি এমন একটি প্রতিষ্ঠান খুঁজে কাজ করার চেষ্টা করুন যে প্রতিষ্ঠানে এতটুকু সহযোগিতারও কোন অবকাশ নেই। আর আপনার দ্বিতীয় প্রশ্নের জবাব হলো আপনাকে অবশ্যই জামাতে সালাত আদায় করতে হবে। আপনার সমস্যার কারণে আপনি প্রথম জামাতেই (আপনার ভাষায় আহলে হাদীস মসজিদে) সালাত আদায় করে নিবেন। অন্যান্য মাজহাবেও আসরের সালাত আগেই আদায় করা হয়, সুতরাং এই সময় আসরের সালাত আদায় করলে কোন সমস্যা নেই।ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আলহামদুলিল্লাহ। আমরা ভাল আছি। আমরা দুআ করি আল্লাহ আপনাকেও ভাল রাখুন। আপনি কম্পিউটারে যে কাজ করছেন তা সরাসরি অপরাধ নয় তবে অপরাধে কিছুটা হলেও সহযোগিতা। তাই আপনি এমন একটি প্রতিষ্ঠান খুঁজে কাজ করার চেষ্টা করুন যে প্রতিষ্ঠানে এতটুকু সহযোগিতারও কোন অবকাশ নেই। আর আপনার দ্বিতীয় প্রশ্নের জবাব হলো আপনাকে অবশ্যই জামাতে সালাত আদায় করতে হবে। আপনার সমস্যার কারণে আপনি প্রথম জামাতেই (আপনার ভাষায় আহলে হাদীস মসজিদে) সালাত আদায় করে নিবেন। অন্যান্য মাজহাবেও আসরের সালাত আগেই আদায় করা হয়, সুতরাং এই সময় আসরের সালাত আদায় করলে কোন সমস্যা নেই।ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আলহামদুলিল্লাহ। আমরা ভাল আছি। আমরা দুআ করি আল্লাহ আপনাকেও ভাল রাখুন। আপনি কম্পিউটারে যে কাজ করছেন তা সরাসরি অপরাধ নয় তবে অপরাধে কিছুটা হলেও সহযোগিতা। তাই আপনি এমন একটি প্রতিষ্ঠান খুঁজে কাজ করার চেষ্টা করুন যে প্রতিষ্ঠানে এতটুকু সহযোগিতারও কোন অবকাশ নেই। আর আপনার দ্বিতীয় প্রশ্নের জবাব হলো আপনাকে অবশ্যই জামাতে সালাত আদায় করতে হবে। আপনার সমস্যার কারণে আপনি প্রথম জামাতেই (আপনার ভাষায় আহলে হাদীস মসজিদে) সালাত আদায় করে নিবেন। অন্যান্য মাজহাবেও আসরের সালাত আগেই আদায় করা হয়, সুতরাং এই সময় আসরের সালাত আদায় করলে কোন সমস্যা নেই।
প্রশ্নঃ 1165
মনে করুন একজন ২-৩ ঘন্টার জন্য মুখের ভিতর কোন রকম পানি ঢোকাতে পারবে না, কুলি করতে পারবে না। কিন্তু এই অবস্থায় তার নামাযের সময় হয়ে গেল। আর ২-৩ ঘন্টার মধ্যে নামাযের ওয়াক্তও চলে যাবে। এমতাবস্থায় কুলি করা ছাড়া বাকী সব কিছু করলে কি তার উযু হবে? অর্থাৎ কুলি ছাড়া উযু করে কি সে নামায আদায় করতে পারবে?
04 Jan 2026
হ্যাঁ, পারবে। ওজর থাকলে কুলি না করলেও কোন সমস্যা নেই।
প্রশ্নঃ 1150
Assalamualaiqum. Mohtaram. Ekjon sadharon musolmaner jonyo jekono ekti majhaber sob masala mana wajib ba sunnat ba mustahab hoyar beparay ki kono izma hoyechay? (Mohtaram, majhab na namanar bishoye kono prosno korchina, prosno korchi jekono ek majhab thekei ekjon sadharon musolmaner sokol masala neyar beparay badhyobadhokota kototuku? Orthath, Safi majhaber kono sadharon Musolman, jodi besh koekti masalar beparay Hanafi majhaber onusoron koray, taholy ki shay wajib othoba sunnat othoba mustahab torok korlo? Mohtaram, bisrinkhola thekay sadharon musolmankay mukto korar jonyo onekay jukti diye thaken jay ekjon sadharon musolmaner jekono ekti majhaber sokol masalai takay grohon korthay hobay, echara ar kono jukti, dolil ba bekkha thaklay janaben. Mohtaram, apni hoitoba bolben, kono ek majhab onusoronkari kono sadharon musolman jesob masalai durbolota achay segulu alemder sohih dolil vittitik bisleshoner bibechonai palon korbay kintu seti jodi onyo majhaber sathay milay jai taholay kintu tar dui majhab onusoron kora kora holo).
04 Jan 2026
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। ভাই, সত্য কথা বলতে কি প্রতিটি সাধারণ মুসলিমই মাজাহাব মানে। মাজহাব অর্থ হলো নিজে না জানার কারণে কারো থেকে জেনে মেনে চলা। এবার আসি আপনার মূল প্রশ্নে, মানুষের জন্য মূল দায়িত্ব হলো কুরআন-হাদীস মানা। আর কুরআন-হাদীস মানার জন্য মাজহাব একটি নিরাপদ মাধ্যম। কোন মাসআলাতে কোন মাজহাবের দলীল দুর্বল হলে অভিজ্ঞ কোন আলেমের পরামর্শে আপনি সঠিক মতটি গ্রহন করতে পারেন। এতে আপনার মাজহাব মানাতে কোন সমস্যা হবে ন। এমনকি ওটা যদি অন্য কোন মাজহাবের সাথে মিলে যায় তবুও সমস্যা নেই। প্রতিটি মাজহাবে এমন কিছু মাসআলা আছে যেগুলো সেই মাজহাবের আলেমগণ আমল করেন না বরং অন্য মাজহাবের মতামত গ্রহন করেন। যদি কিছু মাসআলতে অন্য মাজহাব মানলে মাজহব পরিবর্তন হয়ে যায় তাহলে বলতে হবে তারা মাজহাব পরিবর্তন করেছেন, আসলে তো বিষয় এ রকম নয়। এছাড়া আমাদের ইমামগণের মধ্যেই তো অনেক মাসআলায় মতভেদ আছে। তবে মাজহাবের বাইরে কোন কিছু করতে গেলে অবশ্যই বিজ্ঞ কোন আলেমের পরামর্শ নিতে হবে।
প্রশ্নঃ 1119
কামেরা দিয়ে জীবজন্তুর ছবি তুললে সেটা কি ছবি অংকনকারীর গুনাহের পর্যায়ে পড়বে?
04 Jan 2026
অযথা ছবি তোলা একটা অনর্থ কাজ। প্রয়োজন হলে ছবি তুলতে পারেন। আর প্রয়োজন ছাড়া ছবি তুলে প্রিন্ট করলে তার অংকন করার মত গুনাহ বলে আলেমগণ মনে করেন।
প্রশ্নঃ 1120
আস সালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। ভাই সবাই বলে জ্ঞান অর্জন করা ফরজ কিন্তু কোন জ্ঞান? কিসের জ্ঞান? কী পরিমাণ জ্ঞান কখন? কিভাবে? কেন? বিস্তারিত জানালে উপকৃত হতাম? আবার কোন জ্ঞান অর্জন করা হারাম? কেন হারাম? তাও যদি বলেন
04 Jan 2026
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। জ্ঞান অর্জন করা ফরজ এটা একটি হাদীসের অংশ। হাদীসটি হলো, .. عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى الله عَليْهِ وسَلَّمَ : طَلَبُ الْعِلْمِ فَرِيضَةٌ عَلَى كُلِّ مُسْلِمٍ অর্থ: হযরত আনাস রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন, জ্ঞান অর্জন করা প্রতিটি মুসলিমের জন্য ফরজ..। সুনানু ইবনু মাজাহ, হাদীস নং ২২৪।মুহাদ্দিসগণ বলেছেন হাদীসটির সনদ দূর্বল। তবে অর্থ সহীহ বলে তারা উল্লেখ করেছেন। এই হাদীসের ব্যখ্যা করতে গিয়ে প্রখ্যাত ফিকহী সংস্থা লাজনাহ দায়েমা এর আলেমগণ বলেছেন العلم الشرعي على قسمين : منه ما هو فرض على كل مسلم ومسلمة ، وهو معرفة ما يصحح به الإنسان عقيدته وعبادته ، وما لا يسعه جهله ، كمعرفة التوحيد ، وضده الشرك ، ومعرفة أصول الإيمان وأركان الإسلام ، ومعرفة أحكام الصلاة ، وكيفية الوضوء ، والطهارة من الجنابة ، ونحو ذلك ، وعلى هذا المعنى فسِّر الحديث المشهور ( طلب العلم فريضة على كل مسلم ) والقسم الآخر : فرض كفاية ، وهو معرفة سائر أبواب العلم والدين ، وتفصيلات المسائل وأدلتها ، فإذا قام به البعض سقط الإثم عن باقي الأمة الشيخ عبد العزيز بن باز ، الشيخ عبد الله بن غديان ، الشيخ عبد العزيز آل الشيخ ، الشيخ صالح الفوزان ، الشيخ بكر أبو زيد فتاوى اللجنة الدائمة ( 12 / 90 ، 91 ) অর্থ: শরয়ী জ্ঞান দুই প্রকার: প্রথম প্রকারের জ্ঞান অর্জন করা প্রতিটি মুসলিম নর-নারীর জন্য ফরজ। তা হলো সে সব বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করা যার মাধ্যমে মানুষ নিজের আক্বীদা-বিশ্বাস এবং ইবাদত সহীহভাবে করবে। তাওহীদ ও শিরক সম্পর্কে অর্জন করা, ইমানের উসূল (মূল বিষয়বস্তু) এবং ইসলামের রুকুনগুলো সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করা, সালাতের হুকুম আহকাম জানা, ওযু করার পদ্ধতি সম্পর্কে অর্জন করা, অপবিত্রতা থেকে পবিত্রতা অর্জন করার পদ্ধতি সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করা। এই অর্থেই প্রসিদ্ধ হাদীস জ্ঞান অর্জন করা প্রতিটি মুসলিমের জন্য ফরজ এর ব্যাখা করতে হবে। … ফাতওয়া লাজনাহ দায়েমা, ১২/৯০-৯১। আশা করি আপনি বুঝতে পেরেছেন জ্ঞান অর্জন করা ফরজ বলতে কোন জ্ঞান বুঝানো হয়েছে। তবে এগুলো বিস্তারিত জানা ফরজ নয়, বরং যতুটুকু সাধারণ ভাবে মুসলিম হিসাবে জীবন-জাপন করতে প্রয়োজন হয় ততটুকু ফরজ। বিস্তারিত জ্ঞান অর্জন করা কিছু মানুষের জন্য ফরজ। যারা অন্যদেরকে প্রয়োজনে সাহায্য করবে। এটাকে আলেমগণ শরয়ী জ্ঞানের দ্বিতীয় প্রকার বলেছেন। বিস্তারিত জানতে দেখুন, আল-ইসলাম সুয়াল ও জওয়াব, ফাতাওয়া নং ৯৫৮৯৭। (ইন্টারনেটে, আরবী)। যে জ্ঞান আপনাকে কুফর ও শিরকের দিকে নিয়ে যাবে, ইসলাম থেকে দূরে ঠেলে দিবে এই ধরনের জ্ঞান অর্জন করা হারাম। এছাড়া অন্যান্য জ্ঞান অর্জন করা জায়েজ। যেমন, ডাক্তারী বিদ্যা,প্রকৌশল বিদ্যা ইত্যাদী।
প্রশ্নঃ 1102
আসসালামু আলাইকুম! বিভিন্ন সময় আমার প্রশ্নের উত্তর দেয়ার জন্য assunnahtrust বা এর সংশ্লিষ্ঠ সবাইকে জাযাক আল্লাহ খায়ের!
04 Jan 2026
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আপনারা দুআ করবেন যেন আমরা এই কার্যক্রমটি চালিয়ে যেতে পারি।
প্রশ্নঃ 1090
৩য় লিঙ্গ (হিজড়া) সম্পর্কে ইসলামের বিধান কি? সে যদি স্বাভাবিক পুরুষের মত মসজিদে গমন করে, তবে মসজিদের অন্যান্য পুরুষ মুসল্লির প্রতি তার কামনার উদ্রেক হতে পারে, এক্ষেত্রে সে কি করবে?
04 Jan 2026
হিজড়াও দুই প্রকার। কিছু দেখতে পুরুষের মত আবার কিছু মহিলার মত। যারা দেখতে পুরুষের মত তারা মসজিদে আসবে আর অন্যরা বাড়িতে পড়বে।
প্রশ্নঃ 1054
স্কুল অথবা কলেজে শিক্ষকতা করা যাবে কি, যেখানে ছেলে ও মেয়েদের এক সাথে ক্লাস নিতে হয়।
04 Jan 2026
নারী-পুরুষের অবাধ মেলা-মেশা ইসলাম সমর্থন করে না। তাই এই ধরনের প্রতিষ্ঠান চাকুরী থেকে বিরত থাকা দরকার। একান্ত বাধ্য না হলে এমন প্রতিষ্ঠান ত্যাগ করা উচিৎ। আর একান্ত বাধ্য হলে অন্য প্রতিষ্ঠান চাকুরী খোঁজ করতে থাকুন আর এখানে প্রয়োজনীও সতর্কতার সাথে কাজ করতে থাকুন। এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা চান।
প্রশ্নঃ 1001
আসসালামুওলাইকুম, শাইখ, সব এলকোহল মদ নয়, একটু ব্যাখ্যা করবেন দয়া করে।
03 Jan 2026
ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ। এই বিষয়ে শায়খ ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রা. একটি প্রশ্রে উত্তরে বলেছেন এলকোহল একটি কেমিক্যাল টার্ম, এ দ্বারা সর্বদা মদ বুঝানো হয় না। পারফিউমে ব্যবহৃত এলকোহল সাধারণত মাদক হয় না, অনেক সময় বিষাক্ত হয়, যা পান করলে মাতাল না হলেও মৃত্যু হতে পারে। এ ধরনের এলকোহল মিশ্রিত পারফিউম ব্যবহার বা এলকোহল মিশ্রিত পানি দিয়ে জীবানুমুক্ত হওয়া ইত্যাদি বৈধ। এতে দেহ বা পোশাক নাপাক হবে না।
প্রশ্নঃ 992
আপনাদের মাদরাসাটা কোথায় অবস্থিত? আপনাদের বাচ্চা ভর্তি সংক্রান্ত নিয়মাবলী জানাবেন।
03 Jan 2026
আমাদের মাদরাসা ঝিনাইদহে অবস্থিত। আমাদের এখানে তাহফীজ বিভাগে ৭/৮ বছেরের বাচ্চা নেয়া হয়। কিতাব বিভাগে ৫ম শ্রেণী পড়ার পর নেয়া হয়। নূরানী বিভাগে শিশু শ্রেণী থেকে ভর্তি করা হয়। বিস্তারিত জানতে ফোন করুন: 01716489818
প্রশ্নঃ 990
আসসালামু আলায়কুম, এই পেজের এডমিন এর পরিচয় জানতে চাই–।
03 Jan 2026
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। এই পেজের এ্যডমিনের নাম তিতুমীর আহমাদ। তিনি কুরআন শরীফ হিফজ করার পর বেফাকের অধীনে দাওরায়ে হাদীস শেষ করে স্যার রহ. এর প্রতিষ্ঠানে দুই বছর আদতাখাসসুস ফি উলূমিল হাদীস বিভাগে পড়াশোনা করেছেন। এরপর স্যারের অধিনে প্রায় ২ বছর এই পেজের এ্যাডমিনের দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানেও করছেন। আরো জানতে 01792108768।
প্রশ্নঃ 937
আস-সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ, আমি আস-সুন্নাহ ট্রাস্টের যোগাযোগের নাম্বার চাচ্ছি। যেটাতে যোগাযোগ করতে পারবো আস-সুন্নাহ ট্রাস্টের সাথে।
03 Jan 2026
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আমাদের অফিসের নাম্বার হলো 01716489818। এথানে যোগাযোগ করে বিস্তারিত তথ্য নিতে পারবেন।
প্রশ্নঃ 920
স্যার এর লিখিত ঈদের তাকবীর বইটির pdf ফাইল কি পাওয়া যাবে?
02 Jan 2026
ঈদের তাকবীর বইটিএখনো পিডিএফ এই মহুর্তে পাওয়া যাবে না তবে দেয়ার প্রক্রিয়া চলছে। কিছু দিনের ভিতরই পাবেন ইনশাআল্লাহ।
প্রশ্নঃ 917
ভাই ইজহারুল হক Izhar ul-Haqq বইটির বাংলা pdf ফাইল download করার link দিলে খুব উপকৃত হতাম।
02 Jan 2026
ইযহারুল হক বইয়ের pdf কপি বর্তমানে আমাদের কাছে নেই।
প্রশ্নঃ 916
Dear Sir, I live in Manchester, UK and I was wanting to buy all the books written or edited by Dr Abdullah Jahangir. Could you please advice me what to do in this regard? regards, Rishad
02 Jan 2026
ভাই, বিদেশে বই পাঠানোর কোন ব্যবস্থা আমাদের এখানে নেই। আপনি আপনার দেশীয় কোন আত্নীয়ের মাধ্যমে বই কিনতে পারেন। যে আপনার কাছে পাঠানোর ব্যবস্থা করতে পারবে। আরো বিস্তারিত জানতে এই নাম্বারে ফোন করুন: 01730 74 70 01
প্রশ্নঃ 914
আস সালামু আলাইকুম, রাহে বেলায়েত ব্ইটির সম্পূর্ণ অধ্যায় সম্বলিত pdf ফাইলটি দরকার। আপনাদের website থেকে ১টা ডাউনলোড করেছি, সেটা শুধু ৬ষ্ঠ অধ্যায়, আমি পুরা বইটা চাই।
02 Jan 2026
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আমি বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলের সাথে কথা বলেছি। তিনি বলেছেন, আপনি যা পেয়েছেন তার নিচেই পুরো বইয়ের লিংক আছে।
প্রশ্নঃ 903
আমাদের অফিসের ক্যান্টিনে একটা নির্বাচন হয়ে থাকে যে পরের বছর কারা দায়িত্তে থেকে ক্যান্টিন পরিচালনা করবেন। আমার প্রশ্ন হল এই নির্বাচনে আমি কি কোন হিন্দু ভাই কে ভোট দিতে পারবো কি না?
02 Jan 2026
যোগ্যতার অধিকারী আল্লাহভীরু কোন মুসলিমকে ভোট দেয়ায় উত্তম। এতে আপনাদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তাও বৃদ্ধি পাবে। তবে কোন অমুসলিমকে এক্ষেত্রে ভোট দিলে গুনাহ হবে বলে মনে হয় না।
প্রশ্নঃ 892
At 1st I pray to Allah for jahangir. Allah will give him Jannat. My questio is :
1.It is not permissible to make Majar / paka kabr. But Why we made Pakka Majar of Rasul e Karim (pbuh).
2. We belive Quran is a book of Allah. If the Allah Is author of Quran So, Why it is start with Bismillaher rahmaner rahim?
02 Jan 2026
আল্লাহ আপনার দোয়া কবুল করুক। ১.ইসলামে কবর পাকা করা নিষিদ্ধ যা অনেক সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত। হাদীসে নববীর এই শিক্ষার আলোকেই কোন সাহাবী কবর পাকা করেননি,বরং পাকা উঁচু কবর সমান করে দিতেন। কিন্তু নবী সা.এর কবরের ইতিহাস একটু ভিন্ন। সংক্ষেপে বলছি, নবীগণের ব্যাপারে নিয়ম হল, যেখানে তারা মারা যান তাদেরকে সেখানেই দাফন করতে হয়,এ বিষয়ে কিছু হাদীস রয়েছে। রাসুল সা. তার বিবি হযরত আয়েশা রা. গৃহে ইন্তেকাল করেছেন,তাই তাকে সেখানেই দাফন করা হয়। এবং রাসূল সা. এর ইন্তিকালের পর থেকে আমরণ (৫৮হি.) তিনি সেই ঘরেই ছিলেন,কারন তার অন্য কোন ঘর ছিল না। হযরত আয়েশা( রা.) এর ঘর ছিল, মদিনার মসজিদে নববীর দক্ষিন পূর্ব পাশে, একেবারে মসজিদের দেয়ালের সাথে। ইসলামের প্রচার – প্রসারের সাথে সাথে মসজিদের মুসল্লির সংখ্যা বাড়তে থাকে,যার কারণে মসজিদে নববী সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। ওমর রা. ও ওসমান রা. এর খেলাফতের সময়ে মসজিদে নববী উত্তর,দক্ষিণ ও পশ্চিম দিকে বাড়ানো হয়,কিন্তু পূর্ব দিকে নবী সা. এর বিবিদের ঘর থাকার কারণে তা বৃদ্ধি করা সম্ভব হয়নি। পরবতীর্তে নবী সা. এর সকল বিবিদের ইন্তেকালের পর বিশিষ্ট তাবেয়ী ওমর ইবনে আব্দুল আজিজ রাহ মদীনার মসজিদে নববীর পূর্বদিকে বৃদ্ধি করেন,এতে নবী সা. এর কবর মসজিদের ভিতরে চলে আসে।আর নবীজীর কবরের উপর সর্বপ্রথম গুম্বুজ দেওয়া হয় ৬৭৮ হি. সুলতান মানসুরের নির্দেশে। মূলতঃ বলা যায় মসজিদের গুম্বুজ দিতে গিয়ে কবরের উপরে একটি পড়ে যায়। আর তাঁর কবরের উপর মাটি আছে। কবর মূলত পাকা নয়্ আশা করি উত্তর পেয়েছেন। আল্লাহ ভাল জানেন। ২.বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম বলে শুরু করা ইহা আল্লাহর কালাম হওয়ার বিষয়ে সংশয়ের প্রশ্নই আসে না,কারনঃ মহান আল্লাহ কোরআনের আরো অনেক জায়গায় বলেছেনঃ কালাল্লাহু (আল্লাহ তায়ালা বলেন)। মূলতঃআল্লাহ তায়ালা এখানে নিজ সত্তাকে থার্ড পারসন হিসেবে উল্লেখ করেছেন,যা প্রত্যেক ভাষায় ব্যবহার হয়। আশা করি উত্তরটা বুঝতে পারবেন। মহান আল্লাহ ভাল জানেন।
প্রশ্নঃ 884
শায়েখ, আপনাদের এই ওয়েব সাইটের ফাতওয়া গুলো হুবহু কপি করে অন্য কোন ওয়েবসাইটে প্রচার করা যাবে?
02 Jan 2026
হুবুহ কপি না করে নিজের মত করে সম্পাদনা করে লিখেবনে। যেমন, আস-সুন্নাহ ট্রাস্টের ওয়েব সাইডে আছে —এটা– করা যাবে।
প্রশ্নঃ 857
আসসালামু আলাইকুম। আমি ফোন দিতে গিয়ে সাহস পাইনি যাহোক আমি ইবি ছাত্র, সারের একটি বক্তব্যে শুনে মেসেজ দিলাম দয়া করে জানাবেন কি যে আসসুন্নাহ ট্রাস্ট এর পক্ষ থেকে মেমোরি কার্ড ক্রয় করতে পাওয়া যাবে কিনা? এবং পাওয়া গেলে তার ফিচার কি এবং কিভাবে পেতে পারি?
02 Jan 2026
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। না, এখানে মেমোরী কার্ড পাওয়া যায় না তবে মেমোরী কার্ড নিয়ে আসলে স্যারের ওয়াজ নিয়ে যেতে পারবেন।
প্রশ্নঃ 850
ইসলামী দল বা ইসলামের নামে রাজনীতি করা ইসলাম সম্মত কি – না জানালে উপকৃত হবো
02 Jan 2026
ইসলামী দল বা ইসলামী রাজনীতি দীনি দাওয়াতের একটি অংশ। সুতরাং এটা ইসলাম সম্মত। বর্তমানে সমাজে যারা ইসলামী মূল্যবোধের প্রসার ও প্রতিষ্ঠা চান না, তারা রাজনীতিকে ব্যবহার করে ইসলামী মূল্যবোধের বিকাশ রোধ করেন। এ কারণে ইসলামের বিরুদ্ধে সকল প্রচেষ্টার মুকাবিলা করাও আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।বিস্তারিত জানতে দেখুন, ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রচিত এহইয়াউস সুনান বইয়ের ৪৬৬ পৃষ্ঠ থেকে ৪৭৭ পৃষ্ঠা।
প্রশ্নঃ 840
রিজিক বাড়ানোর কি কোনো আমল বা দুআ আছে? বিস্তারিত জানাবেন
02 Jan 2026
রিজিক বাড়ানো এবং বরকতের জন্য এই দুআটি দুই সাজদার মাঝে এবং অন্যান্য সময় পাঠ করুন। اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِى وَارْحَمْنِى وَاهْدِنِى وَعَافِنِى وَارْزُقْنِى বিস্তারিত জানতে রাহে বেলায়াত দেখুন।
প্রশ্নঃ 828
আসসালামু আলাইকুম, আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর স্যার এর বইগুলা আমার লাগবে, বগুড়া বা রাংপুর এ কি পাওয়া যাবে? কোথায় এবং কিভাবে পাব?
02 Jan 2026
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আপনি যোগাযোগ করুন। আস-সুন্নাহ পাবলিকেশন্স, ঢাকা অফিস: 01730 74 70 01, 01791 66 66 65 ঝিনাইদহ অফিস: 01791 66 66 63, 01791 66 66 64
প্রশ্নঃ 781
আসসালামুয়ালাইকুম, আমার কয়েকটি প্রশ্ন আছে। তা নিম্নরূপ ;
১। কোন সন্তান যদি বাবা মার পকেট থেকে টাকা চুরি করে ওই টাকা নিজে খরচ করে বা খায় তাহলে কি তা হারাম হবে?
২। বর্তমানে সুদ্মুক্ত লেনদেন করার জন্য কোন ব্যাংক আছে ঢাকা তে?
৩। গোসল ফরজ অবস্থায় ফরজ সালাতের ওয়াক্ত হয়ে গেলে গোসল না করে নামাজ পড়া যাবে কি? ফরজ গোসল কেউ যদি অবহেলা করে দেরি করে করে তাহলে কি গুনাহ হবে?এই অবস্থায় মারা গেলে তার কি পরিনতি হবে?হস্তমৈথুন কি ইসলামে জায়েজ আছে?
৪। কুরআনের বাংলা ভাষায় সবচেয়ে ভাল তাফসীরের নাম কি? কুরআনের যেমন তাফসীর আছে হাদিসেরও কি এমন তাফসীর আছে? বাংলা ভাষায়? তার নাম কি? নেটে কি pdf পাওয়া যায়? আপনাদের নিজস্ব ছাত্র-ছাত্রী বাদে বাহিরের কেউ কি আপনাদের আসসুন্নাহট্রাস্টে এলেম শিখতে পারবে? তার উপায় কি? ৫। প্রস্রাব-পায়খানা থেকে পবিত্র হওয়ার সঠিক পদ্ধতি কি?
৬। কোন কাপড়ে যদি বীর্য লেগে শুকিয়ে যায় ওই কাপড় পড়ে নামাজ পড়া যাবে কি? কিভাবে?
৭। একাকী থাকলে ভয় বা শয়তানের ওয়াসওয়াসা থেকে বেঁচে থাকার জন্য কি দোয়া পড়তে হবে?
৮। বাসা থেকে কতদূর ভ্রমন করলে মুসাফির হবে?
৯। কুরআনে আল্লাহর পথে দান বলতে কি বুঝানো হয়েছে?
১০। দোয়া কবুলের সময় কোনগুলো?এমন কেউ কি আছে যার দোয়া শতভাগ কবুল হয়?
১১। অনেক সময় ক্লাস চলাকালীন সময়ে বা পরীক্ষা থাকার কারনে জামাতে নামাজ পড়া সম্ভব হয় না । পরবর্তীতে একাকী নামাজ পড়তে হয় । এতে কি গুনাহ হবে?
১২। অনেকে বলেন যেসব কাজ হারাম ওইগুলাই কবিরা গুনাহ । আর কবিরা গুনাহ তাওবা ছাড়া কবুল হয় না । এইটা কি সঠিক?তাওবা করার সঠিক নিয়ম কি?
১৩ । তাখনুর নিচে প্যান্ট পড়া কি কবিরা গুনাহ? নাকি মাকরুহে তাহরিমি?
১৪। চুল কাঁটার কোন সুন্নতি পদ্ধতি আছে কি?
01 Jan 2026
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। প্রথমে বলি ভাই, এক সাথে এত প্রশ্নের উত্তর দেয়া হয় না। আপনার প্রথম তিনটি প্রশ্নের উত্তর দিব। বাকীগুলো দুটি দুটি করে আবার করবেন। ১। সন্তান প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত তার যাবতীয় খরচের দায়ভার তার পিতার। এরপরে সন্তানের দেখাশোনা পিতার দায়িত্ব নয়, তবে অনেক সময় কর্তব্য হয়ে দাড়ায়। পিতা যদি তার দায়িত্বে- কর্তব্যে অবহেলা করে তাহলে এমন কিছু করলে আশা করা যায় সমস্যা হবে না। এছাড়া এমন করা ঠিক হবে না। তবে বাবা -মার পকেট থেকে টাকা নেয়া অন্যায় হলেও অন্যের পকেট থেকে নেয়ার মত অন্যায় নয়। ২। ইসলামী ব্যাংগুলোতে আপনি চাইলে সুদ মুক্ত লেনদেন করতে পারবেন। ৩। না. গোসল ফরজ অবস্থায় সালাতের ওয়াক্ত হয়ে গেলেও গোসল ছাড়া সালাত আদায় করা জায়েজ হবে না। ফরজ গোসল করতে যদি কেউ এমন দেরী করে যে, সালাতের ওয়াক্ত শেষ হয়ে যায় তাহলে তার গুনাহ হবে। এ অবস্থায় মারা গেলে সে সালাত আদায় না করে মারা গেল এই । এর বাইরে আলাদা কোন গুনাহ হবে না। মনে রাখবেন গোসল ফরজ হলে গোসল করতে হয় সালাত বা্ এ জাতীয় ইবাদতের জন্য যেগুলো পবিত্রতা অর্জন ব্যতিত সহীহ হয় না। গোসল করা কোন ইবাদত নয়। গোসল না করা গুনাহ নয়। গুনহ হলো ইবাদত না করা। হস্তমৈথুন জায়েজ নেই, হারাম। তবে অনেক আলেম বলেছেন, ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়া থেকে হস্তমৈথুন কম গুনাহ। অন্য প্রশ্নগুলো পূনরায় করুন অথাব ফোন করুন ০১৭৯২১০৮৭৬৮।
প্রশ্নঃ 778
মুহতারামঃ আসসালামু আলাইকুম। আমার প্রশ্নঃ
১. মাঝে মাঝে facebook এ রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম এর জুতার ছবি দেখা যায় (post কারির দাবি, সত্যি কিনা যানি না) post কারি আবার বলে থাকেন আমিন লিখুন। আমার প্রশ্ন হল রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম এর জুতা কি এখনো কোথাও সংরক্ষিত আছে? আর যদি থাকে তার ভক্তি করা যাবে কি?
২. বিভিন্ন সিরাত গ্রন্থে রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম এর যে বংশ পরিচয় আদম (আ) পরযন্ত দেয়া হয় তা কতটুকু পর্যন্ত সহিহ?
৩. তাহাজ্জুত বা চাস্তের সালাতে (যা সাধারনত একা একা পরা হয়) কেরাত জোড়ে না আস্তে পরা উত্তম। যাযাকুমুল্লাহ
01 Jan 2026
ওয়া আলাইকুমুস সালম। ছবিগুলোতে জুতার মডেল দেখে মনে হয় না এটা রাসূলুল্লাহ সা. এর জুতা। আল্লাহ ভাল জানেন। কোন বস্তুর বিষয়ে যদি নিশ্চিত হওয়া যায় যে, এটা রাসূলুল্লাহ সা. এর ব্যবহার্য কোন কিছু তাহলে সেটার প্রতি সম্মান জানানো উচিৎ। ভক্তি নয়, ভক্তি হলো তো পূজার আরেক নাম। ২। এটার সত্য মিথ্যা জানার কোন উপায় নেই। হাদীসে রাসূলুল্লাহ সা. এই ব্যাপারে কিছু বলেন নি। ইমাম মালেক রহ. এই সব বর্ণনা করাকে অপছন্দ করতেন। তবে আনেকেই বর্ণনা করেছেন। ৩। যে কোন ভাবে পড়তে পারেন। তাহাজ্জুদে নীরবে -স্বরবে দুই ধরনের কথাই হাদীসে আছে।
প্রশ্নঃ 769
বেহেশতী জেওর বইটি কতটুকু নির্ভরযোগ্য? ইসলামের প্রাথমিক বিধি-বিধান জানার জন্য বাংলায় লিখিত বা অনূদিত কয়েকটি বইয়ের নাম জানতে চাই।
01 Jan 2026
জ্বী, বেহেশতী জেওর ইসলামের প্রাথমিক জ্ঞান লাভের জন্য পড়া যেতে পারে। ড. স্যার রহ. এমন্ই বলেছেন। স্যারর বই গুলো পড়লেও আপনার অনেক জ্ঞান চলে আসবে।
প্রশ্নঃ 762
আসসালামু আলাইকুম, জিন আসর করেছে মনে হলে আমরা কি আমল করতে পারি?
01 Jan 2026
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। জ্বীনদের থেকে বাচাঁর এবং জ্বীন লাগরে কি করতে হবে বিস্তারিত জানতে দেখুন ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহ. রচিত রাহে বেলায়াত গ্রন্থের ৬ষ্ঠ অধ্যায়।
প্রশ্নঃ 755
হিজরাদের ব্যপারে ইসলাম কি বলে? কেন হিজরা সন্তান হয়?
31 Dec 2025
মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন মানুষ ও জীন জাতীকে সৃষ্টি করার পাশাপাশি তাদের কর্মের হিসাব নিকাশের কথা ও বলেছেন। যার কর্ম ভাল, মহান আল্লাহ তাকে জান্নাত প্রদান করবেন। আর যার কর্ম মন্দ তাকে জাহান্নামে শাস্তি করবেন। এ কথা তো সকলের জানা হিজড়ারা মানুষ। মানুষ মাত্রই তার আখারাতে হিসাব -নিকাশ হবে। হিজড়াদের মধ্যে যার পুরুষের দিকটা প্রবল তাকে পুরুষ হিসেবে ধরা হবে, আর যার মাঝে মহিলার দিকটা প্রবল তাকে মহিলা হিসেবে ধরা হবে। এর উপর ভিত্তি করে তারা যাবতীয় ইসলামের বিধি-বিধান পালন করবে। আর এ বিষয়ে ভালভাবে জানার জন্য দক্ষ ডাক্তারের পরামর্শ জরুরী। মানুষ হিসেবে হিজড়ারা এমন সকল অধিকার ভোগ করবে, যা অন্য সকল মানুষ ভোগ করে। আল্লাহ যাকে ইচ্ছা তাকে ছেলে কিংবা মেয়ে কিংবা হিজড়া কিংবা কোন কিছুই দেন না। কারণ অনুসন্ধান করা বোকামী।
প্রশ্নঃ 753
ইসলামে হিজরাদের অধিকার ও করতব্য?
31 Dec 2025
মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন মানুষ ও জীন জাতীকে সৃষ্টি করার পাশাপাশি তাদের কর্মের হিসাব নিকাশের কথা ও বলেছেন। যার কর্ম ভাল, মহান আল্লাহ তাকে জান্নাত প্রদান করবেন। আর যার কর্ম মন্দ তাকে জাহান্নামে শাস্তি করবেন। এ কথা তো সকলের জানা হিজড়ারা মানুষ। মানুষ মাত্রই তার আখারাতে হিসাব -নিকাশ হবে। হিজড়াদের মধ্যে যার পুরুষের দিকটা প্রবল তাকে পুরুষ হিসেবে ধরা হবে, আর যার মাঝে মহিলার দিকটা প্রবল তাকে মহিলা হিসেবে ধরা হবে। এর উপর ভিত্তি করে তারা যাবতীয় ইসলামের বিধি-বিধান পালন করবে। আর এ বিষয়ে ভালভাবে জানার জন্য দক্ষ ডাক্তারের পরামর্শ জরুরী। মানুষ হিসেবে হিজড়ারা এমন সকল অধিকার ভোগ করবে, যা অন্য সকল মানুষ ভোগ করে।
প্রশ্নঃ 740
আমি স্যারের ১৮ টি বই কিনতে চাই। আপনারা পরিবহনে পাঠিয়ে দিলে আমি দাম পরিশোধ করে নিব। কন্ডিশনে কুরিয়ার করবেন নাকি অগ্রিম টাকা দেওয়া লাগবে? আমার ঠিকানা আগ্রাবাদ, চট্রগ্রাম। কুরিয়ার খরচ সহ বইগুলির দাম কত হবে?
31 Dec 2025
এই নাম্বারে ফোন করুন। সকল সমস্যার সমাধান পাবেন। কোন চিন্তা করবেন না। স্বল্পমূল্যে পাবেন। যোগাযোগ করুন। আস-সুন্নাহ পাবলিকেশন্স, ঢাকা অফিস: 01730 74 70 01, 01791 66 66 65 ঝিনাইদহ অফিস: 01791 66 66 63, 01791 66 66 64
প্রশ্নঃ 717
ডঃ খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহিমাহুল্লাহ এর লিখিত কতটি বই প্রকাশিত হয়েছে? এবং সবগুলো কত টাকায় পাওয়া যাবে একটু জানাবেন। ।
31 Dec 2025
দুই হাজার টাকার ভিতরেই সব বই পাবেন। বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন। আস-সুন্নাহ পাবলিকেশন্স, ঢাকা অফিস: 01730 74 70 01, 01791 66 66 65 ঝিনাইদহ অফিস: 01791 66 66 63, 01791 66 66 64
প্রশ্নঃ 713
আসসালামুয়ালাইকুম, আমি আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর স্যার এর বেশ কিছু বই সংগ্রহ করেছি কিন্তু বাজারে সকল বই পাওয়া যায়না। আমি স্যার এর সকল বই সংগ্রহ করতে চাঁই আমি নারায়াগঞ্জ মেঘনা ঘাট থাকি। আমি কিভাবে বইগুলো সংগ্রহ করতে পারি?
31 Dec 2025
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। তাহলে আপনি ওখানে থেকেই কুরিয়ারে সকল বই সল্প খরচে পেয়ে যাবেন ইনশাআল্লাহ। যোগাযোগ করুন। আস-সুন্নাহ পাবলিকেশন্স, ঢাকা অফিস: 01730 74 70 01, 01791 66 66 65 ঝিনাইদহ অফিস: 01791 66 66 63, 01791 66 66 64
প্রশ্নঃ 700
ঢাকায় ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর স্যার এর বইগুলো কোথায় পাওয়া যাবে? জানালে উপকৃত হব।
31 Dec 2025
আস-সুন্নাহ পাবলিকেশন্স, ঢাকা অফিস: 01730 74 70 01, 01791 66 66 65 ঝিনাইদহ অফিস: 01791 66 66 63, 01791 66 66 64 ও ফুরফুরা শরীফ, মিরপুর। ওখানে যোগাযোগ করুন।
প্রশ্নঃ 675
আসসালামু আলাইকুম। ভাই আমার একটি প্রশ্ন, আমাদের দেশে প্রচলিত আছে যে, ঔষধ খাওয়ার সময়ে আল্লাহু সাফি আল্লাহু মাফ বলা। এটা কি ঠিক? জানামতে আল্লাহু মাফি অর্থ নাই (নাউযুবিল্লাহ) প্লিজ দয়া করে দিন
30 Dec 2025
ওয়া আলাকুমুস সালাম। হাদীসে কোথাও নেই ঔষুধ খাওয়ার সময় এমন বলতে হয়। এটা একটা বানোয়াট আমল। তবে আল্লাহ তো শাফী অবশ্যই।
প্রশ্নঃ 671
আসসামুওলাইকুম। আমার একটা বিষয় জানার ছিল। বর্তমানে অনেক স্থানে দেখা যায় কৃত্রিম ভাবে বৃষ্টির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এবং আমরা বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে জানতে পরেছি বর্তমানে দুবাইয়ে বৃষ্টির জন্য পাহাড় তৈরি করতেছে। এই সম্পর্কে শরিয়তের বিধান কি? এটা কি করা যাবে? নাকি ইসলামে এমনটি করা নিষেধ আছে?
30 Dec 2025
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। না, এই বিষয়ে ইসলামে কোন নিষেধাজ্ঞা নেই।
প্রশ্নঃ 669
আসসালামু আলাইকুম আমি ঢাকায় থাকি, Dr.Khandaker Abdullah Jahangir ডঃ খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহিমাহুল্লাহ এর বই গুলো কিনতে চাই, দয়াকরে হাদিয়া সহ লিস্ট এবং কিভাবে কোথায় পাব জানাবেন?
30 Dec 2025
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। দয়া করে এই বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্য যোগাযোগ করুন আস-সুন্নাহ পাবলিকেশন্স, ঢাকা অফিস: 01730 74 00 01, 01791 66 66 65 ঝিনাইদহ অফিস: 01791 66 66 63, 01791 66 66 64
প্রশ্নঃ 662
আমি প্রফেসর ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর স্যারের সকল বই এর তালিকা জানতে চাই।
30 Dec 2025
আপনি বইয়ের লিস্ট, দাম এবং সংগ্রহ করার উপায় জানতে ফোন করুন: আস-সুন্নাহ পাবলিকেশন্স, ঢাকা অফিস: 017307470001, 01791 66 66 65 ঝিনাইদহ অফিস: 01791 66 66 63, 01791 66 66 64
প্রশ্নঃ 658
স্যারের লেকচারে শুনেছিলাম,স্যার তাফসীর লিখতে চেয়েছিলেন। কাজ কি শুরু করেছিলেন?স্যারের অপ্রকাশিত কোন বই থাকলে, সে বিষয়ে জানতে চাই।
30 Dec 2025
স্যার রহ. ইন্তেকালের পর তাঁর লেখা একটি চমৎকার বই বের হয়েছে। নাম পবিত্র বাইবেল পরিচিতি ও পর্যালোচনা । আপনি সংগ্রহ করতে পারেন। তাফসীর বিষয়ে শুরু করেছিলেন। কিছু হয়েছিল।
প্রশ্নঃ 653
মুহতারাম, আসসালামু আলাইকুম। আমার প্রশ্নঃ ওয়েস্টার্ন দেশের মত ইদানিং কালে সমকামিতার অভিশাপ বাংলাদেশে ও ছড়িয়ে পরেছে। তাদের অধিকার নিয়ে কিছু লোক কাজ করতে গিয়ে আল্লাহর বিধানকে অমান্ন করছে। এটাকে তারা অপরাধ মনে করছে না বরং অধিকার মনে করছে। এমাতবস্থায়, এই সম লোক মারা গেলে, তারা যদি আমাদের আত্তীয় বা প্রতিবেশি হয় তবে কি তাদের জানাজায় আমরা অংশ নিতে পারব? বা তাদের জন্য দুয়া করা জায়েজ হবে? কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে জানতে চাই।
30 Dec 2025
ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ। যারা এই বিষয়টি অপরাধ মনে করে না তারা ইসলামের দৃষ্টিতে মুসলিম নয়। সুতরাং তাদের জানাযা পড়া যাবে না। আর যদি তারা বিষয়টিকে অপরাধ মনে করে তবুও তাদেরকে বর্জন করা উচিত, যাতে তারা এই গর্হিত কাজ থেকে ফিরে আসে। রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন, مَنْ وَجَدْتُمُوهُ يَعْمَلُ عَمَلَ قَوْمِ لُوطٍ فَاقْتُلُوا الْفَاعِلَ وَالْمَفْعُولَ بِه অর্থ: যাদেরকে তোমরা দেখবে লূত আ. এর সম্প্রদায় যে কাজ করেছে সেই কাজ করতে (সমকাম করতে) তাহলে তোমরা উভয়কেই হত্যা করবে। সুনানু তিরমিযী, হাদীস নং১৪৬৫; সুনানু আবু দাউদ, হাদীস নং ৪৪৬৪। হাদীসটির সনদ নিয়ে কথা আছে। তবে শায়খ আলবানী সহীহ বলেছেন। হাসান বসরী, আতা ইবনে আবী রবাহ, ইমাম আবু হানীফা রহ.সহ অনেকে এই হাদীসটির উপর আমল করার কথা বলেছেন।
প্রশ্নঃ 650
If a muslim want to follow ABDUL QADER ZILANI (R) INSTEAD OF Shariah then what would be the answer?
30 Dec 2025
কোন মুসলিম শরীয়ার পরিবর্তে আব্দুল কাদের জিলানীকে অনুসরণ করলে সে তো আর মুসলিম থাকে না। তবে যদি কোন সাধারণ মুসলিম ফিকহের ক্ষেত্রে কোন বড় আলেমকে অনুসরণ করতে চা্ই সমস্যা নেই। আমার মনে হয় ঐলোকটি দ্বিতীয় কথাটি বলতে চেয়েছেন।
প্রশ্নঃ 646
Assalamu Aleykum, I am very fond of his lectures.. I like him very much… how to get his books? Masuk
30 Dec 2025
ওয়া আলাইকুম সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ। যোগাযোগ করুন। আস-সুন্নাহ পাবলিকেশন্স, ঢাকা অফিস: 01788 99 99 68, 01791 66 66 65 ঝিনাইদহ অফিস: 01791 66 66 63, 01791 66 66 64
প্রশ্নঃ 644
ঢাকা শহরে আমি কিভাবে আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর স্যারের ব্ইগুলো কিনতে পারি?
30 Dec 2025
ফুরফুরা শরীফের লাইব্রেরী, মিরপুর । যোগাযোগ করুন।
প্রশ্নঃ 640
কোন দিন হাত ও পায়ের নখ এবং গুপ্তাংশের লোম কাটা উত্তম? নাকি যে কোন দিন কাটা যায়। আর হাত ও পায়ের নখ কেটে কি যেখানে-সেখানে ফেলা যাবে, নাকি কোন নির্দিষ্ট জায়গায় ফেলা উচিত?
30 Dec 2025
যে কোন দিন এগুলো পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করা যায়। এ ব্যাপারে হাদীসে কোন নির্দিষ্ট কোন দিনের কথা বলা নেই। তবে রাসূলুল্লাহ সা. বৃহস্পতি ও শুক্রবার পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করতেন। এগুলো নির্দিষ্ট এক জায়গায় ফেলা উচিৎ।
প্রশ্নঃ 636
আস-সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ । আল্লাহ কে সপ্নে দেখা কি সম্ভব? ঈমাম আবু হানিফা (রহ) আল্লহ কে অনেক বার নাকি সপ্নে দেখেছেন? তিনি কি তার বইতে লিখেছেন?
30 Dec 2025
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। সহীহ হাদীসের ভিত্তিতে আলেমগণ বলেছেন যে, স্বপ্নে আল্লাহকে দেখা সম্ভব। তবে তার পদ্ধতি আমরা জানি না। নিচের হাদীসটি দেখুন: عن عبد الرحمن بن عائش الحضرمي : أنه حدثه عن مالك بن يخامر السكسكي عن معاذ بن جبل رضي الله عنه قال احتبس عنا رسول الله صلى الله عليه و سلم ذات غداة عن صلاة الصبح حتى كدنا نتراءى عين الشمس فخرج سريعا فثوب بالصلاة فصلى رسول الله صلى الله عليه و سلم وتجوز في صلاته فلما سلم دعا بصوته قال لنا على مصافكم كما أنتم ثم انفتل إلينا ثم قال أما إني سأحدثكم ما حبسني عنكم الغداة إني قمت من الليل فتوضأت وصليت ما قدر لي فنعست في صلاتي حتى استثقلت فإذا أنا بربي تبارك وتعالى في أحسن صورة فقال يا محمد قلت لبيك رب قال فيم يختصم الملأ الأعلى ؟ قلت لا أدري قالها ثلاثا قال فرأيته وضع كفه بين كتفي حتى وجدت برد أنامله بين ثديي فتجلى لي كل شيء وعرفت فقال يا محمد قلت لبيك رب قال فيم يختصم الملأ الأعلى ؟ قلت في الكفارات قال ما هن ؟ قالت مشي الأقدام إلى الحسنات والجلوس في المساجد بعد الصلوات وإسباغ الوضوء حين الكريهات قال فيم قلت إطعام الطعام ولين الكلام والصلاة بالليل والناس نيام قال سل قلت اللهم إني أسألك فعل الخيرات وترك المنكرات وحب المساكين وأنت تغفر لي وترحمني وإذا أردت فتنة قوم فتوفني غير مفتون أسألك حبك وحب من يحبك وحب عمل يقرب إلى حبك قال رسول الله صلى الله عليه و سلم إنها حق فادرسوها ثم تعلموها অর্থ: …আমি ঘুম থেকে উঠলাম এবং ওযু করে সালাত শুরু করলাম। একপর্যায়ে আমি সালাতের মধ্যে তন্দ্রাচ্ছন্ন হলাম এমনকি পুরোপুরি ঘুমিয়ে গেলাম। হঠাৎ দেখি আমি আমার প্রতিপালকের সামনে..। (অনুবাদ আংশিক)। সুনানু তিরমিযী, হাদীস নং ৩২৩৫। ইমাম তিরমিযী বলেন, হাদীসটি হাসান সহীহ। তিনি আরো বলেন, আমি মুহাম্মাদকে (ইমাম বুখারী) এই হাদীসটির বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, হাসান সহীহ। ইমাম নববী বলেন, قَالَ الْقَاضِي : وَاتَّفَقَ الْعُلَمَاء عَلَى جَوَاز رُؤْيَة اللَّه تَعَالَى فِي الْمَنَام وَصِحَّتهَا অর্থ: কাযী ইয়ায বলেন, আলেমগণ এ ব্যাপার একমত যে, স্বপ্নে আল্লাহকে দেখা এবং তা সঠিক হওয়া সম্ভব। ইমাম নববী, শরহে মুসলিম ৭/ ৪৫৭। ইমাম আবু হানীফা রহ. থেকে আল্লাহকে দেখার ঘটনাটি সহীহসূত্রে বর্ণিত হয়নি। বিস্তারিত জানতে দেখুন, আলইসলাম সুয়াল-জওয়াব, মুহাম্মদ সালেহ আল-মুনাজ্জিদ, ফতোয়া নং ১৫৮৬০৬।
প্রশ্নঃ 625
আসসালামু আলাইকুম, আমাদের এলাকার জনৈক পীর সাহেব বলেছেন প্রত্যেক ব্যাক্তির জন্য তার ইনকামের ২.৫% বা ৪০ টাকায় ১ টাকা আল্লাহর পথে দান করা ফরজ। এবং যার ফসল হবে তার জন্য ফসলেরও একটা অংশ দান করতে হবে। তিনি এর দলীল স্বরুপ সুরা বাকারার ২৬৭ নম্বর আয়াতটি উল্লেখ করেছেন। ঐ পীর কতটুকু সঠিক বলেছেন আপনার মুল্যায়ন জানতে চাই।
30 Dec 2025
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। প্রত্যেক ব্যক্তি নয়, নিসাব পরিমান সম্পদের অধিকারী ব্যক্তির ২.৫% বা ৪০ টাকায় ১ টাকা যাকাত দেয় ফরজ। পীরসাহেব হয়ত সেটাই বলেছেন। ফসলেরও যাকাত দিতে হবে। ফসলের যাকাতের নিসবসহ বিস্তারিত জানতে দেখূন ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রাহ. রচিত বাংলাদেশে উশর বা ফসলের যাকাত বইটি ।
প্রশ্নঃ 618
আসসালামু-আলাইকুম। প্রশ্নঃ ইসলামে রাজনীতি আছে। কোরআন সুন্নাহ ও সলফে-সলেহীনদের মতে একজন মুসলিম কিভাবে রাজনীতি করবে অথবা তার পদ্ধতি কি হবে?
30 Dec 2025
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। হ্যাঁ, ইসলামে রাজনীতি আছে। কুরআন-সুন্নাহর আলোকে একজন মুসলিম কিভাবে রাজনীতি করবে বিস্তারিত জানতে দেখুন, ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহ. রচিত, আস-সুন্নাহ পাবলিকেশন্স থেকে প্রকাশিত কুরআন-সুন্নাহর আলোকে ইসলামী আকীদা বইয়ের ৪৪৬-৪৭৭ পৃষ্ঠা। এখানে বিষয়টি আলোচনা করা কষ্টকর।
প্রশ্নঃ 614
যে প্রকাশ্যে শিরিক করে তাকে কি যাকাত দেয়া যাবে?
30 Dec 2025
অনেক মুসলিমই ছোট খােটো শিরকে যুক্ত। অকাট্যভাবে মুশরিক প্রমানিত হওয়ার পূর্বে তাকে যাকাত দেয়া যাবে।
প্রশ্নঃ 587
আসসালামু আলাইকুম? শায়েখ আমরা কি ভাল প্রার্থী কে ভোট দেব না?
30 Dec 2025
ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ। ভোট আপনার অধিকার। আপনি ভোট দিলে ভাল প্রার্থীকে দিবেন।
প্রশ্নঃ 584
আস সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ, স্যার আমার প্রশ্ন হচ্ছে- ফান / মজাদার অডিও / ভিডিও দেখা বা শুনা ইসলামে জায়েজ কি না?
30 Dec 2025
ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ। ইসলামের দৃষ্টিতে নিষেদ্ধ নয় এমন কোন দৃশ্য বা সংলাপ না থাকলে দেখা যাবে, সমস্যা নেই।
প্রশ্নঃ 583
আসসালামু আলাইকুম…স্যার ক্যামন আছেন? স্যার আমার প্রশ্ন হল স্ত্রীরা কি স্বামীর পাজরের হার থেকে তৈরী? যদি তৈরীই হয় তাইলে যে পুরুষের একাধিক বিয়া হয় তার সব স্ত্রীই কি তার স্বামীর পাজরের হাড় থেকে তৈরী? আর যে নারীর একধিক বিয়ে হয় আর তালাক হয় বা স্বামি মারা যায় তাহলে সে কোন স্বামীর পাজরের হার থেকে সৃষ্টি?
plzzz জানাবেন স্যার…
30 Dec 2025
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আপনি হয়তের জানেন স্যার ইন্তেকাল করেছেন। আমার দুআ আল্লাহ যেন তাঁকে জান্নতুল ফেরদাউস দান করেন। এই ধরনের প্রশ্নের ক্ষেত্রে স্যার রহ. বলতেন এগুলো জানা মানুষের জন্য কোন প্রয়োজন নেই। কারণ ্এগুলো আমলের সাথে সম্পৃক্ত নয়। স্যার আরো বলতেন, এইসব প্রশ্ন মনে নিয়ে আসে শয়তান। আমরা শুধু এতটুকু বলব,হাদীসে আছে,স্ত্রীরা স্বামীদের পাজরের হাড় থেকে তৈরী। আবু হুরায়রা সূত্রে ইমাম বুখারি ও মুসলিম বর্ণনা করেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: اسْتَوْصُوا بِالنِّسَاءِ فَإِنَّ الْمَرْأَةَ خُلِقَتْ مِنْ ضِلَعٍ وَإِنَّ أَعْوَجَ شَيْءٍ فِي الضِّلَعِ أَعْلَاهُ، فَإِنْ ذَهَبْتَ تُقِيمُهُ كَسَرْتَهُ، وَإِنْ تَرَكْتَهُ لَمْ يَزَلْ أَعْوَجَ فَاسْتَوْصُوا بِالنِّسَاءِ তোমরা নারীদের ব্যাপারে কল্যাণকামী হও, কারণ নারীকে পাঁজরের হাড় থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে, পাঁজরের মধ্যে উপরের হাড্ডি সবচেয়ে বেশী বাঁকা। যদি তা সোজা করতে চাও ভেঙ্গে ফেলবে, ছেড়ে দিলেও তার বক্রতা যাবে না। অতএব নারীদের ব্যাপারে কল্যাণকামী হও। সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৩৩১; সহীহ মুসলিম হাদীস নং ৩৭২০। আর বাকী বিষয়গুলো আল্লাহর উপর ছেড়ে দেয়।
প্রশ্নঃ 582
শায়েখ, আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর স্যারের কোন বক্তব্য বা তার ফতোয়াগুলো কি আমরা অন্য কোন ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে পারবো?
30 Dec 2025
আপনি আপনার আলোচনায় স্যার রহ. এর কোন বক্তব্য কিংবা ফতোয়া নিয়ে আসতে পারেন। স্বতন্ত্রভাবে কোন কথা বা ফতোয়া অন্য কোন ওয়ব সাইডে দেবেন না।
প্রশ্নঃ 580
আপনাদের কি ফেনী জেলায় কোন মাদরাসা আছে?
30 Dec 2025
না, সেখানে আমাদের কোন মাদরাসা নেই।
প্রশ্নঃ 566
আসসলামু আলাইকুম, জনাব, আমি জনাব ডঃ আব্দুল্লাহ জাহাঙীর সাহেবের পূস্তক গোল আপনাদের কাছ থেকে কি ভাবে পাব কুরিয়ার মাধ্যমে তা জানালে ঊপকৃত হব।
29 Dec 2025
আপনি কুরিয়ারযোগে স্যার রহ, এর বই পেতে পারেন। নিম্নের নাম্বারে যোগাযোগ করুন: 01788 99 99 68, 01791 66 66 63, 01791 66 66 64, 01791 66 66 65 আর ঢাকতে থাকলে ফুরাফুরা শরীফের মাদ্রাসাসংলগ্ন লাইব্রেরীতে পাবেন। চট্টগ্রামেও কিছু লাইব্রেরীতে পাওয়া যায়। আর ঝিনাইদহ থাকলে আমাদের এখান থেকে নিয়ে যাবেন।
প্রশ্নঃ 553
পবিত্র কোরআন শরীফ নাযিল হয়েছে ওহী আকারে মোহাম্মদ (স) উপরে, দরুদ শরীফ কিভাবে এসেছে এবং কে রচনা করেছেন? জানালে উপকৃত হবো
29 Dec 2025
দরুদ শরীফ রাসূলুল্লাহ সা. আমাদেরকে শিখিয়ে গেছেন। বিভিন্ন সহীহ হাদীসে দরুদ শরীফ তথা সালাত-সালাম শিক্ষা দেয়া হয়েছে।
প্রশ্নঃ 551
Assalamu Alaikum.. Sir.. Bangladesh e amra kicu engineer biddut ba power sector e kaj kori…. eta emon ekta sector je ekhane 24 hrs manuske biddut ba power supply dite hoy… icca thaka sotteo amader onek somoy namaj kaja hoye jay duty r karone… emonki amra prayoi jumar namaje shorik hote pari na…..obosthata emon je chaileo alada kore juma namaj pora somvob noy… emonki alada kore jamat koreo porte pari na.. ekhetre Islam er dristite amader koroniyo ki?…… 2. amar jodi samortho thake tahole ami ki ei job change korar jonne try korbo?… reality hocce ami Jodi chole jai tahole amar post e notun ekjonke niyog deya hobe ebong takeo namaj sacrifice kore duty korte hobe….. 3… duty r jonne evabe regular namaj sacrifice somporke Islam ki bole?…..আমি স্কুল কলেজ ভার্সিটি লাইফ থেকে ৫ ওয়াক্ত নামাজ জামাতে আদায় করার চেষ্টা করতাম আর এখন জামাত ত দূরে ঠিক সময় মত নামাজই আদায় করতে পারিনা .সারা দেশে বিদ্দুত কেন্দ্রে অনেক ইঞ্জিনিয়ার চাকরি করে, আমাদের নামাজের বাপারে আপনার পক্ষ থেকে কিছু নসিহত আশা করছি .. Sir.. uttorguli jana khub joruri….
29 Dec 2025
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। যে যেখানে যে অবস্থায়ই থাকুন না কেন নামায আপনার উপর ফরজ।দেখুন, নামায পড়তে বেশী সময় লাগে না। উক্ত কাজ করার মাঝেও নামায আদায় করা যায়। আপনি যেখানে থাকবেন, যে অবস্থায় থাকবেন সেখানেই নামাযের সময় হলে নামায পড়ে নিবেন। এটাও যদি সম্ভব না হয় তাহলে এই চাকরী আপনাকে ছেড়ে দিতে হবে, কারণ এমন কাজ করা যাবে না যা আল্লাহর ইবাদত থেকে দূরে সরিয়ে রাখে। আপনি আগে নিজের চিন্তা করুন, তারপর অন্যের। কোন অজুহাতেই নিয়মিত নামায ছাড়া যাবে না। জুমুআর নামাযের আযান হলে সব কাজ বন্ধ করে দিতে হবে, এটা কুরআনে আল্লাহ তায়ালার নির্দেশ। সর্বশেষ কথা হলো আপনার যদি সুযোগ থাকে তাহলে উক্ত চাকুরী ছেড়ে দেওয়ায় আপনার জন্য কল্যানকর হবে বলে মনে হয়। আমরা দুআ করি আল্লাহ আপনাকে সঠিক পথে পরিচালিত করুন।
প্রশ্নঃ 550
Does prophet Muhammad sallallahuwalaihi wasallam saw Allah with his eyes?
29 Dec 2025
বিষয়টি নিয়ে আলেমদের মাঝে মাঝে মতভেদ আছে। তবে অধিকাংশ সাহাবীর মত ও প্রসিদ্ধ মত হলো দেখেন নি। একজন সাহাবী থেকে দেখেছেন মর্মে বর্ণিত আছে। তবে হাদীসটির সনদ নিয়ে মুহাদ্দিসগণ আপত্তি করেছেন। হযরত আয়েশা রা. বলেন, مَنْ حَدَّثَكَ أَنَّ مُحَمَّدًا صلى الله عليه وسلم رَأَى رَبَّهُ فَقَدْ كَذَبَ وَهْوَ يَقُولُ {لاَ تُدْرِكُهُ الأَبْصَارُ} অর্থ: যে বলবে যে, মুহাম্মাদ সা. তার রবকে দেখেছে সে মিথ্যা বলবে। কেননা আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, চোখসমূহ তাকে দেখতে পাবে না। সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৭৩৮০। আল্লাহ ভাল জানেন।
প্রশ্নঃ 531
হুজুর শব্দের অর্থ কি? হুজুর শব্দটি কোথা থেকে এসেছে? কাউকে হুজুর বলা যাবে কি?
29 Dec 2025
আরবীতে হাদের শব্দের বহুবচন হুদুর বা হুদ্দার। যার অর্থ উপস্থিত। কিন্তু শব্দটি ফার্সী, উর্দূ ও বাংলা ভাষায় সম্মানসূচক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এ হিসেবে কাউকে হুজুর বলার অর্থ হল, জনাব বা সাহেব। উপমহাদেশে যারা কাউকে হুজুর বলেন তারা মূলতঃ ফার্সী, উর্দূ ও বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অর্থে বলেন, আরবী উপস্থিত অর্থে ব্যবহার করেন না। সুতারাং কাউকে হুজুর বলা জায়েয। রাসুল সা. এর শানে এই শব্দ ব্যবহার খেলাফে সুন্নাত এটা না বলাই ভাল। তবে রাসুল সা.এর ক্ষেত্রে রাসুলুল্লাহ, নবীউল্লাহ,হাবিবুল্লাহসহ আরো সে সব নাম যা হাদীসে বর্নিত হয়েছে সেগুলো ব্যবহার করা উচিত ।
প্রশ্নঃ 529
আসসালামু আলাইকুম আমি স্যারের কিছু বই পেতে চাই, ঢাকা থেকে কিভাবে কিনতে পারবো?
29 Dec 2025
আপনি আমাদের ঢাকা পাবলিকেশন্সের অফিস থেকে সংগ্রহ করতে পারেন। ঢাকা আস-সুন্নাহ পাবলিকশন্সের ঠিকানা: আস-সুন্নাহ পাবলিকেশন্স, ৪৮ প্যারিদাস রোড, বাংলাবাজার, ঢাকা। 01730747001
প্রশ্নঃ 520
Assalam mu oaliekum..Quantum method somporke details jante chai..onek alem er prosonsha koren.ami onek confusion a acen…kindly janan?
29 Dec 2025
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। একজন মূমিনের জন্য উচিৎ হলো কুরআন ও সুন্নাহর সামনে নিজেকে সমর্পন করা। কুরআন-সুন্নাহর আলোকে নিজের জীবনকে পরিচালিত করা। সাহাবী তাবেঈগণ ধ্যান করেন নি। করার প্রয়োজনও মনে করেন নি। অনেক সময় এর মাধ্যমে মানুষ কুরআন-হাদীস ছেড়ে বিপথে চলে যায়। সুতরাং মূমিনের জন্য আবশ্যক এই সব বাজে কাজ পরিহার করা। আল্লাহ আমাদের তাওফিক দিন।
প্রশ্নঃ 485
মুহতারামঃ আসসালামুয়ালাইকুম। আমার প্রশ্ন হল মহিলারা হায়েয অবস্থায় শোবার সময় সুরা ইখলাস, ফালাক, নাস পরে শরির মাসাহ করতে পারবে কিনা? যাযাকুমুল্লাহ।
29 Dec 2025
ওয়া আলাইকুমুস সালাম।
অধিকাংশ আলেমের মতে হায়েজ ও নিফাসের সময় কুরআন পড়া বৈধ নয়। তবে দুআ ও জিকির হিসাবে পড়াকে তারা জায়েজ বলেছেন। যেহেতু শোবার সময় শরীর মাসেহ করার জন্য সূরাগুলো পড়া হয় দুআ হিসাবে তাই নাজায়েজ হবে না।
প্রশ্নঃ 484
আমি কিভাবে আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর স্যারের সকল অডিও ভিডিও পেতে পারি?
29 Dec 2025
আপনি দু’ভাবে পেতে পারেন। সরাসরি আমাদের এখানে এসে অথব ইউটিউবের মাধ্যমে। এছাড়া আমাদের ওয়েবসাইডেও অডিও ভিডিও নামে দুটা জায়গা আছে। ওখান থেকেও পেতে পারেন।
প্রশ্নঃ 479
1) May I recite Tashahud out of prayer to send Salam to Prophet Mohammad?
2) Is Arabic month Rojob better than Shobe Qodor?
3) Suggest me a Bangla Islamic Book where I can get Duas for day- night and Dua after salat
Thank You in advance
29 Dec 2025
১। সালাতের বাইরে সালাম পাঠানোর জন্য তাশাহুদু পড়ার কথা কোন হাদীসে নেই। আপনি অন্যভাবে সালাতের বাইরে রাসূলুল্লাহ সা. এর উপর সালাম পাঠাবেন।
২। না, রজব মাস শবে কদর থেকে উত্তম নয়।
৩। আপনি সালাতের পরে দুআ ও জিকির বিষয়ে এবং অন্যান্য দুআ ও জিকির সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পড়ন, আস-সুন্নাহ পাবলিকেশন্স থেকে প্রকাশিত, ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রচিত রাহে বেলায়ত বইটি।
প্রশ্নঃ 453
আসসালামুয়ালাইকুম হুজুর
আমার প্রশ্ন হল:
১. আমি এরকম ছোট ছোট আমাল বা দুয়া সম্পর্কে জানতে চাঁই যা করলে সকল কাজে আল্লাহর রহমত পাব?
২. আমি কুরাআন ভালভাবে পড়তে পারি না।যতটুকু পারি ততটুকু দিয়ে প্রতিদিন পড়ি ও ইন্টারনেট থেকে কুরআন শুনে কিছু কিছু মুখস্ত করার চেষ্টা করি ও সেই মুখস্ত অংশ দিয়ে নামায পড়ি - এতে কি কোন সমস্য আছে?
৩. এরকম কয়েকটা সূরার কথা বলবেন কি যা পড়লে বা শুনলে বিশেষ ফযিলত পাব?
29 Dec 2025
ওয়া আলাইকুমুস সালাম।
রহমত ও ফজিলতের ছোট-বড় দুআ ও জিকিরের জন্য পড়ন আস-সুন্নাহ পাবলিকেশন্স থেকে প্রকাশিত রাহে বেলায়াত বইটি। ৬৫৬ পৃষ্ঠা এই বইটিতে আছে ২৫০টিরও বেশী দুআ, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মূল্যবান তথ্য ও প্রাত্যহিক জীবনে অতীব প্রয়োজনীও অনেক মাসআলার সমহার। কুরআন শিখে সালাতের ভিরত পড়লে কোন সমস্যা নেই। তবে কুরআন ভালভাবে শেখার জন্য একজন শিক্ষকের সাহায্য নিতে হবে। একাকী কুরআন সহীহভাবে শেখা যায় না। তদ্রুপ ইন্টারনেটের মাধ্যমেও ভালভাবে শিখতে পারবেন বলে আদৌ মনে হয় না।
প্রশ্নঃ 448
আসছালামু আঁলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ।
আমার গ্রামের বাড়ীতে 40/50 বছর আগের প্রতিষ্ঠা করা মসজিদ।মসজিদ সংলগ্ন মাঠে ২০০০ সাল থেকে ঈদের নামাজ পড়ি।নামাজের সময় মসজিদ (আংশিক) পিছনে পড়ে। যদি আমরা মসজিদটাকে ৬ থেকে ৮ হাত পশ্চিমে পিছিয়ে নেই। তাহলে সব সুন্দর হয়।এরি ধারা বাহিকতায় সাদা কাগজে ছবি এঁকে স্যারের সাথে পরামর্শ করি। স্যার বলেছিলেন ফিকহি বিষয়ে একটু ঝামেলা আছে, তবে করা যাবে। বর্তমানে স্থানান্তরিত (নির্মানাধীন) মসজিদএর বেড়ার কাজ চলছে এবং আশা আছে স্যারকে দিয়ে উদ্বোধন করার। বর্তমানে অনলাইনে দেখছি বা শুনছি মসজিদ স্থানান্তর করা জায়েজ নাই। যেহেতু জায়েজ নাজায়েজ এর প্রশ্ন। সেহেতু আমার প্রশ্ন হলো আমাদের কাজটি কতটুকু ঠিক? আর এ ব্যাপারে আমার ভুমিকাটা ছিল একটু বেশী। তাই নিজেকে অপরাধি মনে হচ্ছে। আশা করি জলদি উত্তর দানে বাধিত করবেন।
29 Dec 2025
ওয়া আলাইকুমুস সালাম।
স্যার তো বলেছেনই এই বিষয়ে একটু ঝামিলা আছে অর্থাৎ এখানে মত দুইটি। জায়েজ এবং না জায়েজ। স্যার যেহেতু বলেছেন সমস্যা নেই তাই অন্য কোন দিকে কান দেয়ার দরকার নেই। তবে যদি স্থানান্তরিত না করলে তেমন কোন সমস্যা না হয় তাহলে না করার মধ্যেই অধিক সতর্কতা। (এ্যাডমিন)
প্রশ্নঃ 423
আসসালামু আলাইকুম,
সম্মানিত স্যার, আপনার মঙ্গল কামনা করি সব সময়। আল্লাহ আপনার দ্বিনের সহীহ প্রচারকে কবুল করুক। আমিন। আমার প্রশ্ন, কোনো ইমামের পেছনে নামাজ পড়া যাবেনা তার মধ্যে কি কি ত্রুটি থাকলে এবং এরকম ত্রুটি কারো মধ্যে পাওয়া গেলে তার পেছনে নামাজ পড়ে তারপর আলাদা ভাবে নিজে নিজে নামাজ আদায় করা দরকার আছে কিনা? এবং মুফতি জসিমউদ্দিন রাহমানি সম্পর্কে আপনার মন্তব্য কি? ইমেইলে জানালে উপকৃত হবো ইনশাআল্লাহ।
28 Dec 2025
ওয়া আলাইকুুমুস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ।
কোন ইমামের মধ্যে সুস্পষ্ট এবং দ¦্যর্থহীন কুফর-শিরক পাওয়া গেলে তার পিছনে নামায আদায় করা যাবে ন। এর বাইরে ইমাম পাপী হলেও তার পিছনে নামায পড়তে হবে। আরেকটি বিষয় হলো ইমাম যদি সালাতে এভাবে কুরআন পড়ে যে, কুরআনের অর্থ পরিবর্তন হয় না তাহলে পূনরায় নামায পুনরায় পড়ার দরকার নেই। তবে যদি অর্থ পরিবর্তন হয়ে যায় তাহলে পূনরায় সালাত আদায় করতে হবে।
যদি কোন মসজিদের নিয়মিত নিযুক্ত ইমাম পাপী হন তবে তার নিয়োগের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিগণ পাপী হবেন। সাধারণ মুসল্লি যদি অন্য কোন ভাল ইমামের পিছনে সালাত আদায়ের সুযোগ পান তাহলে ভাল, নইলে এরুপ পাপী ইমামের পিছনেই সালাত আদায় করতে হবে। নেককার ইমামের পিছনে সালাত আদায়ের চেষ্টা করতে হবে। কিন্তু সুস্পষ্ট ও দ্ব্যর্থহীন কুফর-শিরক না পাওয়া পর্যন্ত কোনো অজুহাতে জামাআত বা জুমুআ ত্যাগ করা যাবে না। ঐক্য বজায় রেখে উত্তম ইমামের জন্য চেষ্টা করতে হবে। আর আপনি যে শিরকের কথা উল্লেখ করেছেন সম্ভবত তা এমন নয় যে, তার পিছনে সালাতই আদায় করা যাবে না। কারণ শিরকের অনেক পর্যায় আছে। সব শিরকই এই পর্যায়ের নয় যে, শিরক কারীর পিছনে সালাত আদায় করা যাবে না। প্রসিদ্ধ কালামবিদ ইমাম আবুল হাসান আশয়ারী র. (৩২৪হি.) বলেন,
ومن ديننا أن نصلي الجمعة والأعياد وسائر الصلوات والجماعات خلف كل بر وفاجر كما روى أن عبد الله بن عمر رضى الله عنهم كان يصلي خلف الحجاج
অর্থ: আর আমাদের দীনের অন্যতম দিক যে, আমরা জুমুয়ার সালাত, ঈদগুলো এবং অন্যান্য সকল সালাত এবং জামাআত নেককার ও বদকারের পিছনে আদায় করি। যেমনিভাবে বর্ণিত আছে,আব্দুল্লাহ ইবনে উমার রা. হাজ্জাজ ইবনে ইউসুফের পিছনে সালাত আদায় করতেন (মুসান্নিফে ইবনে আবী শায়বা হাদীস নং ১৪১৭৫)। আল-ইবানাহ আন উসূলিদ দিয়ানাহ, ১/২০। দলীলসহ বিস্তারিত জানতে পড়ন ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর স্যার রচিত
আল-ফিকহুল আকবার পৃষ্ঠা ৩৩৭-৩৭৯ এবং
রাহে বেলায়াত পৃষ্ঠা ৫৬৩-৫৬৮
প্রশ্নঃ 404
মুহতারামঃ আসসালামুয়ালাইকুম।
আমার প্রশ্ন হল বদ্ধ খাচায় পাখি (love bird) পালন করা জায়েজ কিনা। কোরান ও হাদিসের আলকে জানাবেন। যাযাকুমুল্লাহ।
28 Dec 2025
ওয়া আলাইকুমুস সালাম।
যদি খাবার-দাবার ঠিকমত দেন, প্রয়োজনীও যত্ম করেন তাহলে আশা করা যায় না জায়েজ হবে না।
প্রশ্নঃ 381
মুহতারামঃ আসসালামুআলাইকুম।
আমার প্রশ্নঃ দামাত বারাকাতুহুম এর মানে কি? কোন আলেম বা অন্য কাউকে (দাঃ বাঃ) দামাত বারাকাতুহুম বলা জায়েজ হবে কি?
28 Dec 2025
ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ।
দামাত বারাকাতুহুম অর্থ হলো তার বরকত অব্যহত থাকুক। কথাটি বলা অবৈধ নয়। তবে এরূপ বলা সুন্নাতও নয়। আমাদের উচিত আমাদের মন, রুচি, ভক্তি, দুআ সবকিছুকে সুন্নাতের অনুগত করা। সাহাবী-তাবিয়ীগণ তাদের উস্তাদ ও বুজুর্গদের ক্ষেত্রে কখনোই এরূপ দুআ ব্যবহার করতেন না। তাঁরা রহমত, মাগফিরাত, তাওফীক ইত্যাদির দুআ করতেন। মৃত ও জীবিত উভয় প্রকারের বুজুর্গের ক্ষেত্রেই রাহিমাহুল্লাহ, গাফারাল্লাহু লাহু, রাদিয়া আনহু। এছাড়া হফিযাহুল্লাহ, ওয়াফ্ফাকাহুল্লাহ, ইত্যাদি দুআ করা যেতে পারে। অনেক সময় বহুল প্রচলনের কারণে আমাদের মনে হয় দামাত বারাকাতুহুম না বলে মাসনুন দুআ বললে আদব কম হলো। আর এরূপ চিন্তাই বিদআতের রাজপথ।
প্রশ্নঃ 369
☯ আপনার রচিত হাদিসের নামে জালিয়াতি
☯ মাসিক আলকাউসারের তত্ত্বাবধায়ক মাওলানা মুহাম্মাদ আব্দুল মালেক রচিত প্রচলিত ভূল
☯ ফুরফুরার পীর আল্লামা আবু জাফর সিদ্দিকি (রাহ) রচিত এবং আপনার তাহকিক কৃত আল মাউযূয়াত
☯ তাওহিদ পাবলিকেশন প্রকাশিত; যঈফ ও জাল হাদিস সিরিজ;তাহকিক সূনান ইবনে মাজাহ বই গুলোতে যেসকল হাদিস সমূহকে জাল বা যঈফ বলা হয়েছে এবং
☯ মোহাম্মাদ নাছিরুদ্দিন আলবানী (রহ) তিরমিযী শরিফ, মেশকাত শরিফ ও আবূদাউদ শরিফ তাহ্বক্বিক করে যেসকল হাদিসকে জাল বা যঈফ বলেছেন, সে হাদিস সমূহকে নিশ্চিন্তে জাল বা যঈফ বলা যাবে কি? আমরা কি নিশ্চিন্তে এসব হাদিস গুলুকে বর্জন করতে পারি?
28 Dec 2025
যে হাদীসগুলোকে এই কিতাবগুলোর প্রতিটিতেই জাল বা যয়ীফ বলা হয়েছে সেগুলো নিশ্চিতভাবেই আপনি জাল বা যয়ীফ বলতে পারেন। আর যে হাদীসগুলোর বিষয়ে মতবিরোধ আছে সেগুলোকে আপনি নিজে আমল করার ক্ষেত্রে জাল বা যয়ীফ বলেই মনে করবেন তবে অন্য কাউকে বলতে যাবেন না যে, এগুলো জাল বা যয়ীফ।
প্রশ্নঃ 313
আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন? আলহামদুলিল্লাহ।
আমি আমার এক আপুর মাধ্যমে আপনার সম্পর্কে জানার পর আপনার ওয়েবসাইট এবং পেইজ ফলো করে অনেক কিছু জানতে পারছি। এখন আপনার কাছে আমার একটা প্রশ্ন আছে। প্রশ্ন টা করার আগে আপনাকে বিস্তারিত বলার প্রয়োজন মনে করতেছি। আমি যে আপুটার কাছ থেকে আপনার সম্পর্কে শুনেছিলাম ওনি আমার আপন বোন না, তবে আমি ওনাকে আমার আপন বড় বোনের মত ভালবাসি। আমার কোন আপন বড় বোন নাই তাই আপুর অভাব টা অনেক বেশি ফিল করতাম। ওনার সাথে আমার পরিচয় ইন্টারনেটে। প্রায় ১২ বছর ধরে আপুর সাথে আমার পরিচয়। আমাদের ভাই বোনের সম্পর্ক টা অনেক ভাল। আপু আমাকে তার আপন ছোট ভাইয়ের মত ভালবাসে। গতবার আপু হজ্ব করে আসার পর একটু টেনশনে আছে। আপু এখন পর পুরুষদের সাথে কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছে প্রায়। আমার সাথে কথা বলে কম। আপুর ভয় হয় আমাদের ভাই বোনের সম্পর্ক যদি আল্লাহর পছন্দ না হয় তাহলে আপুর গুনাহ হবে। এখন কথা হচ্ছে আমার আর আপুর ভাই বোনের সম্পর্ক এর জন্য কি গুনাহ হবে? সত্যি বলতে আমি আপুকে আমার আপন বড় বোনের মত ভালবাসি। আমি এখন কি করব জানাবেন প্লিজ। উল্লেখ্য আমি আগে শুক্রবার ছাড়া নামায তেমন একটা পড়তাম না। আপুর কারনে আল্লাহর রহমতে আমি ৫ওয়াক্ত নামায পড়ি। আমার আর আপুর ভাই বোনের সম্পর্কের জন্য কি গুনাহ হবে?
28 Dec 2025
ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ।
আলহামদুলিল্লাহ। আপু ডাকার কারনে উক্ত মহিলা আপনার জন্য মাহরাম হয়ে যান নি। একজন গায়রে মাহরাম মহিলার সাথে যে সব বিধি-বিধান মেনে চলতে হয় উক্ত মহিলার ক্ষেত্রে সে সব বিধি-বিধান প্রযোজ্য হবে। আর কোন গায়রে মাহরাম মহিলার সাথে বিনা প্রয়োজনে কথা বলা জায়েজ নেই। কথা বলার প্রয়োজন হলে পর্দার মধ্য থেকে কথা বলতে হবে। আপনি নামায পড়ন, ইসলাম পুরোপুরি মেনে চলার চেষ্টা করুন। আল্লাহ আপনাকে তাওফীক দিন।
প্রশ্নঃ 310
শায়েখ, আমরা পরকালে জান্নাতে বা জাহান্নামে আমরা কত সময় থাকব? এর কি কোন শেষ আছে আমরা জান্নাতে বা জাহান্নামে সারা জীবন বেচে থাকবো এটা বললে কি আল্লাহ তায়ালার সাথে তুলনা হয়ে যায় বা পরকালের জীবনে আমাদের কোন শেষ হবে না আল্লাহ তায়ালার ও কোন শেষ নেই তাহলে এটা কি তার অসিম সত্তার সাথে তুলনা করা হয়? আসলে পরকালে আমাদের জীবনের কি কোন শেষ আছে? আমি এই ভিডিও https://www.youtube.com/watch?v=HS8CD4VKWoY পেয়েছি যেখানে এক প্রস্নের জবাবে ডঃ জাকির নায়েক বলছেন যে আমরা জান্নাতে forever থাকবো আর আল্লাহর সত্তা etternal বা never end দুইটা একনা। এখন আল্লাহ তায়ালার সাথে যে আমাদের তুলনা হবে না সেটা বুঝেছি কিন্তু তার উত্তর এ তিনি বলছেন যে আমরা যেমন বলি forever আমি বাংলাদেশে থাকবো মানে যত দিন বাচব ততদিন ঠিক তেমনি পরকালে forever বলতেও সেটা আল্লাহ তায়ালা যত দিন চাইবেন তত দিন যদিও সেটা এই দুনিয়ার চেয়ে অনেক অনেক গুন বেশি হবে কিন্তু সেটা আল্লাহ তায়ালার মত শেষ বিহিন না বা মানে নিদিষ্ট আছে যেটা আল্লাহ জানেন । কিন্তু আমি এই হাদিস এ পরেছি যে আবু ইসহাক জানিয়েছেন যে, আগার তাকে আবু সাঈদ খুদরী ও আবু হুরায়রার (রাঃ) সুত্রে হাদীস শুনিয়েছেন, তারা উভয়ে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন। পরকালে একজন ঘোষণাকারী বেহেস্তবাসীদেরকে লক্ষ্য করে ঘোষণা করবেন, তোমাদের জন্য সুসংবাদ এই যে, তোমরা সুস্ততা লাভ করবে এরপর আর কখনো অসুস্ত ও রোগগ্রস্ত হবে না। এবং তোমাদের জন্য সুসংবাদ, তোমরা জীবন লাভ করবে আর কখনো মৃত্যু বরণ করবে না। এবং তোমাদের জন্য সুসংবাদ, তোমরা যৌবন লাভ করবে এরপর আর কখনো বৃদ্ধ হবে না। তোমাদের জন্য সুসংবাদ, তোমরা সুখী হবে এরপর আর কক্ষনও কোন কস্ত-ক্লেশের সম্মুখীন হবে না। (সহিহ মুসলীম ৮ম – ৬৯৫১)। আসলে বিষয় টা কী এই হাদীস অনুযায়ী যদি মৃত্যু না হয় তাহলে পরকালে জীবন কাল নিদিষ্ট হবে কিভাবে? কুরআন হাদিসের আলোকে উত্তর দিলে খুব উপকৃত হব। এ বিষয় টা নিয়ে সন্দেহে ভুখতেছি। আর বলা হয় ছেলেরা জান্নাতে গেলে হুর পাবে সঙ্গী হিসাবে । তাহলে মেয়েরা কি পাবে? দুনিয়াতে যারা স্বামী স্ত্রী তারা উভয় যদি জান্নাতে যায় তাহলে তাদের জান্নাতে সম্পর্ক কি হবে?
আর এক জন পুরুষ ৭০ বা ৭২ টা হুর পাবে সঙ্গী হিসাবে এটা কত তুকু হাদীস সম্মত?
কুরআন হাদিসের আলোকে এ বিষয় ও উত্তর দিলে খুব উপকৃত হব। হুসাইন আহমেদ, খুলনা।
28 Dec 2025
আল্লাহ তায়ালা অনাদী ও অনন্ত। সুতরাং মানুষ জান্নাতে অনন্ত কাল থাকলেও আল্লাহর সমকক্ষ নয়। জান্নাতে নারী পুরুষ উভয়ের জন্য সঙ্গী থাকবে । পুরষদের জন্য প্রয়োজনীও সঙ্গী বা সেবক পুরুষরা পাবেন তেমনি মহিলাদের জন্যও আল্লাহ তায়ালা প্রয়েজনীও সঙ্গী ও সেবকের ব্যবস্থা করবেন। কারো অসন্তুষ্টির কোন বিষয় সেখানে থাকবে না। সুতরাং পুরুষরা হুর পাবে নারীরা কী পাবে এই ধরনের প্রশ্ন মাথায় নিয়ে আসার কোন প্রয়োজন নেই। একটি হাদীসে জান্নাতীদের জন্য ৭২ জন স্ত্রী থাকার কথা উল্লেখ আছে।তবে হাদীসটি যয়ীফ। হাফেজ ইবনে হাজার রহ., শায়খ শুয়াইব আরনাউত, শায়খ আলবানী রহ. হাদীসটিকে যয়ীফ বলেছেন। দেখুন সুনানু তিরমিযী, হাদীস নং ২৫৬২। তবে অন্য হাদীসে শহীদদের ৭২ জন স্ত্রী থাকার কথা আছে। হাদীসটিকে ইমাম তিরমিযী এবং শায়খ আলবানী সহীহ বলেছেন। সুনানু তিরমিযী, হাদীস নং ১৬৬৩।
প্রশ্নঃ 306
১.আমাকে কিছু ভাল কুরআনের তাফসীর এবং এ সংক্রান্ত কিছু বইয়ের নাম বলুন, যাতে আমি তা থেকে সহীহ বুঝ নিতে পারি?
২.আমাকে কিছু ভাল হাদিস কিতাবএবং এ সংক্রান্ত কিছু বইয়ের নাম বলুন, যাতে আমি তা থেকে সহীহ বুঝ নিতে পারি?
উওরের আশায় রইলাম
27 Dec 2025
তরজামা এবং সংক্ষিপ্ত তাফসীরের জন্য আপনি মাওলানা ত্বকী উসমানী রচিত মাওলানা হাবিবুর রহমান অনূদিত তাওযীহুল কুরআন পড়তে পারেন। বিস্তারিত তাফসীরের জন্য হাফেজ ইবনে কাসীর রচিত তাফসীরুল কুরআনীল আযীম (তাফসীরে ইবনে কাসীর) পড়তে পারেন। হাদীস পড়ার ক্ষেত্রে আপনি কুতুবে সিত্তা পড়বেন। এছাড়া রিয়াদুস সালেহীন এবং অন্যান্য বিষয়ভিত্তিক হাদীসের কিতাব পড়তে পারেন।
প্রশ্নঃ 277
আসসালামু আলাইকুম স্যর আমার প্রশ্ন হলো কুরআনে কেনো আল্লাহার নামের সঙ্গে পুরুষ লিঙ্গ বাচক শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে । যেমন সুরা ইখলাশ আয়াত নং ১
27 Dec 2025
ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ।
স্ত্রীবাচক শব্দ না হলে আরবী ভাষাষ পুরুষবাচক সর্বনামই ব্যবহৃত হয়।
প্রশ্নঃ 244
ALLAH gift me son. I want to call him with a Islamic name with good meaning.
27 Dec 2025
রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন,
إِنَّ أَحَبَّ أَسْمَائِكُمْ إِلَى اللَّهِ عَبْدُ اللَّهِ وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ
অর্থ: নিশ্চয় আল্লাহ তায়ালার নিকট সবচেয়ে উত্তম নাম হলো আব্দুল্লাহ, আব্দুর রহমান। সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৫৭০৯। এছাড়াও আরো সুন্দর অর্থ বিশিষ্ট অনেক নাম আছে। আপনি সেগুলো রাখতে পারেন।
প্রশ্নঃ 126
আস্ সালামুআলাইকুম। আমরা কারো মৃত্যুতে শুনি এটাই তার হায়াত ছিল অর্থাৎ আল্লাহর ফয়সালা।
কিন্তু যারা আত্মহত্যা করেন তাদেরকে কেন জাহান্নামে নিক্ষেপের কথা বলা হয়েছে। তাহলে কি তাদের মৃত্যু আল্লাহর ফয়সালা নয়? ফয়সালা হলে কেনই বা তাকে শাস্তি দেওয়া হবে?
22 Dec 2025
অযুতে ঘাড় মাসেহ করার ব্যাপারে কোন সহীহ হাদীস পাওয়া যায় না। তবে কয়েকটি যয়ীফ হাদীসে এ বিষয়টি পাওয়া যায়। তাই এই বিষয়টিকে কোন কোন আলেম মুস্তাহাব বলেছেন, আবার কোন কোন আলেম বিদআত বলেছেন।
কুলি আর নাকে পানি এক সাথেও করা যায় আবার আালাদা আলাদাও করা যায়, দুই ধরনের হাদীসই আছে। আপনার যেভাবে সুবিধা হয় সেভাবে করবেন। আর ঘাড় মাসেহ করার ব্যাপারে কয়েকটি দূর্বল হাদীস বর্ণিত আছে। তার একটি হলো,
قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: من توضأ ومسح عنقه لم غل بالأغلال يوم القيامة
অর্থ: রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন, যে ব্যক্তি ওযু করবে এবং ঘাড় মাসেহ করবে কিয়ামতের দিন তাকে শিকল পরানো হবে না। তারীখ আসবাহান, ১/২৪২। এই বিষয়ে বিভিন্ন হাদীসের বিশ্লেষন শেষে মোল্লা আলী কারী হানাফী রাহ. বলেন,
قال أئمتنا إن مسح الرقبة مستحب أو سنة
অর্থ: আমাদের ইমামগণ বলেছেন, ঘাড় মাসেহ করা মুস্তাহাব অথবা সুন্নাত। আল-আসরারুল মারফুয়াহ, পৃষ্ঠা- ৩১৫। কোন কোন আলেম বিদআত বলেছেন। তবে দলিলের আলোকে বিদআত নয় বলেই মনে হয়।
প্রশ্নঃ 239
if my hindu classmade says subhabijaya happy dewali etc than what can I do? if I am saying same to you though it is not from heart only for friendship, is it jayej?
25 Dec 2025
না, এর উত্তর কোন অযুহাতেই এভাবে দেয়া যাবে না। আপনি কিছুই বলবেন না অথবা বলবেন আপনি ভাল থাকুন এজাতীয় শব্দ।
প্রশ্নঃ 180
মুহতারাম। আস সালামু আলাইকুম। আমার প্রশ্নঃ আমাদের দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কে আপনি অবগত। এই অবস্থায় কোন মহিলা কি মুখ ও হাতের কবজি পর্যন্ত খোলা রেখে পুরুষের সাথে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকুরী করতে পারবে? এতে করে কি পর্দা রক্ষা হবে? এভাবে চাকুরী করা কি জায়েজ হবে? বিস্তারিত জানালে খুশী হবো।
23 Dec 2025
ওয়া আলাইকুমুস সালাম।
একান্ত বাধ্য না হলে পুরুষদের মধ্যে কোনো অবস্থাতেই চাকরী করা ঠিক নয়। পোশাকের পর্দা ছাড়াও পর্দার একটি বড় দিক নারী পুরুষের একত্রে অবস্থান বর্জন করা। একান্ত বাধ্য হলেই শুধু নিজের পোশাকের পরিপূর্ণ পর্দাসহ চাকরী করবেন এবং সাথে সাথে পুরুষ সহকর্মীদের সাথে বা পাশে বসা ও তাদের সাথে খোশগল্প সম্পূর্ণ বর্জন করবেন। এরূপ গল্পগুজব ক্রমান্বয়ে অন্তর থেকে তাকওয়া দূর করে দেয়, এমনকি পারিবারিক জীবনও ভাল লাগে না; বরং কর্মস্থলে এসে গল্প করতেই অধিক ভাল লাগে। এগুলো মুমিন-মুমিনার জন্য অত্যন্ত কঠিন অবক্ষয়।
প্রশ্নঃ 177
বেহেশতিজেওর বই সমনধে ঝানতে চাই। এই বই এর 3 অংশে যে শব কাহীনি আছে এবং তাবিঝ আছে তাকি ভাল।
23 Dec 2025
বেহেশতি জেওর একটি প্রাথমিক ফিকহি কিতাব। সাধারণ মানুষদের জন্য এটা সংকলন করা হয়েছে। তাবিজের বিষয়ে জানতে দেখুন,
রাহে বেলায়াত বইটির শেষ অধ্যায়।
প্রশ্নঃ 162
বাংলাদেশে মাদরাসা শিক্ষা এবং সাধারণ শিক্ষা পাঠক্রম: ইতিহাস এবং তুলনা artical banglata chai
23 Dec 2025
আমরা এখানে মাসআলা মাসায়েল বিষয়ে আলচনা করি। আর্টিকেল নয়। এই বিষয়ে একটি আরবী আর্টিকেল আছে পড়ে নিতে পারেন।
প্রশ্নঃ 140
about firka
23 Dec 2025
দেওবন্দি ফিরকা বলে কোন ফিরকা নেই। পাক-ভারত উপমহাদেশে কওমী মাদরাসা হিসেবে পরিচিত মাদারাসাগুলো ভারতের দেওবন্দ মাদরাসার আদর্শে পরিচালিত হয়। তাদের মধ্যে ভাল ও মন্দ থাকতে পারে। তবে সাধারণভাবে ভারতীয় উপমহাদের ইসলামী শিক্ষা ও দাওয়াতের তাদের অবদান সবচেয়ে বেশি।
প্রশ্নঃ 134
আমার সব গুলো প্রশ্নর দিলে খুশি হব সে বলে যদি চাকুরি হয় তাহলে অনেক যোগ্য মানুষকে চাকুরি দেয়ার চেষ্টা করবে ইনশাআল্লাহ বিনা ঘুষ নিয়ে এখানে শরীয়া কি বলে
23 Dec 2025
আপনার প্রশ্ন স্পষ্ট নয়। তবে মনে হচ্ছে আপনি আপনার নেক নিয়্যাতের বিষয়ে জানতে চেয়েছেন। এটা আপনার ভাল নিয়্যাত যে, আপনি চাকরী পেলে অন্যদেরকে বিনা ঘুষে চাকরী দেবেন।
প্রশ্নঃ 132
আসসালামু আলাইকুম। আমার দীঘ দিন ধরে চাকুরি খুজতে কিন্তু পাচ্ছে না। আর এ কারনে সে বিয়েও করছে না তাকে বাসা থেকে অনেকবার বিয়ের জন্য চাপ দেওয়া হয়েছে কিন্তু সে বিয়ে করে না বলে আগে চাকুরি পেয়ে নি তারপর বিয়ে কিন্তু তার কিছু মেয়ে বন্ধু আছে তাকে যিনার কথা বললে বলে বিয়ের সময় সব বন্ধ করে দিবে এখন আমার প্রশ্ন হল আমার ভাইকে চকুরির ব্যপারে কাউকে ঘুষ দিয়া কি ঠিক হবে কেননা সে তো যিনা ছাড়ছে না আর তার এই চকুরির ব্যাপারে কোনো রকম সাহায্য করা কি ঠিক হবে আর যদি সে ওই ঘুষের টাকা টা চাকুরির পর বিনা সওয়াবের আশায় দান করে দেয় তাহলে কি হবে?
23 Dec 2025
ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ।
যিনার কাছে যেতেও কুরআনে নিষেধ করা হয়েছে। সুতরাং কোন ভাবেই যিনা বা ব্যাভিচারে লিপ্ত হওয়া যাবে না। ঘুষ নিয়ে চাকরীর বিষয়ে আমাদের দেয়া অন্য প্রশ্নের উত্তর দেখুন। অবৈধ টাকা সওয়াবের আশা না করে গরীবদেরকে দিয়ে দিতে হবে।
প্রশ্নঃ 122
ইস্তেগফারের নিয়ম
22 Dec 2025
আমাদের অনেকই এই أستغفر الله رب من كل ذنب, وأتوب إليه দিয়ে ইস্তেগফার করি । কিন্তু কিছুদিন পূর্বে এক আলেম সাহেব বলেন, এই ইস্তেগফার কোন হাদিসের কিতাবে নেই, এবং কেউ দেখাতে পারবেও না । জানার বিষয় হল তার কথা সঠিক কি না? জানিয়ে বাদিত করবেন। আমাদরে অনইে এই أستغفر الله رب من كل ذنب, وأتوب إليه দিয়ে ইস্তগেফার করি । কন্তিু কছিুদনি র্পূবে এক আলমে সাহবে বলনে, এই ইস্তগেফার কোন হাদসিরে কতিাবে নইে, এবং কউে দখোতে পারবওে না । জানার বষিয় হল তার কথা সঠকি কি না? জানযি়ে বাদতি করবনে। ইস্তিগফারের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বিষয় মুমিন-মনের উপলব্ধি। মানব মনের একটি অতি আকর্ষণীয় কাজ অন্যের অন্যায়গুলো বড় করে দেখা ও নিজের অন্যায়কে ছোট ও যুক্তিসঙ্গত বলে মনকে প্রবোধ দেওয়া। আমরা একাকী বা একত্রে যখনই চিন্তাভাবনা বা গল্প করি, তখনই সাধারণত অন্যের অন্যায়গুলো আলোচনা করি। মুমিনের আত্মিক জীবন ধ্বংসে এটি অন্যতম কারণ। মুমিনকে সদা সর্বদা নিজের পাপের কথা চিন্তা করতে হবে। এমনকি আল্লাহর অগণিত নিয়ামতের বিপরীতে তাঁর ইবাদতের দুর্বলতাকেও পাপ হিসাবে গণ্য করে সকাতরে সর্বদা আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে। সকল প্রকার পাপকে কঠিন, ভয়াবহ ও নিজের জীবনের জন্য ধ্বংসাত্মক বলে দৃঢ়তার সাথে বিশ্বাস করে বারবার ক্ষমা চাইতে হবে। এ পাপবোধ নিজেকে সংকুচিত করার জন্য নয়। এ পাপবোধ আল্লাহর কাছে ক্ষমা চেয়ে নিজেকে ভারমুক্ত, পবিত্র, উদ্ভাসিত ও আল্লাহর নৈকট্যের পথে এগিয়ে নেয়ার জন্য। আব্দুল্লাহ ইবনু মাসঊদ বলেছেন:
إِنَّ الْمُؤْمِنَ يَرَى ذُنُوبَهُ كَأَنَّهُ فِي أَصْلِ جَبَلٍ يَخَافُ أَنْ يَقَعَ عَلَيْهِ وَإِنَّ الْفَاجِرَ يَرَى ذُنُوبَهُ كَذُبَابِ وَقَعَ عَلَى أَنْفِهِ فَقَالَ لَهُ هكَذَا فَطَارَ
মুমিন ব্যক্তি তাঁর পাপকে খুব বড় করে দেখেন, যেন তিনি পাহাড়ের নিচে বসে আছেন, ভয় পাচ্ছেন, যে কোনো সময় পাহাড়টি ভেঙ্গে তাঁর উপর পড়ে যাবে। আরা পাপী মানুষ তার পাপকে খুবই হালকাভাবে দেখেন, যেন একটি উড়ন্ত মাছি তার নাকের ডগায় বসেছে, হাত নাড়ালেই উড়ে যাবে। বুখারী (৮৩-কিতাবুদ দাআওয়াত, ৪-বাবুত তাওবাহ) ৫/২৩২৪ (ভারতীয় : ২/৯৩৩); তিরমিযী (৩৮-কিতাব সিফাতিল কিয়ামাহ, ১৫-বাব..সিফাত আওয়ানিল হাওয) ৪/৫৬৮ (ভা ২/৭৬)। হুহহু এই বাক্যে ইসতিগফার হাদীসে পাওয়া যায় না। তবে এই বাক্য দ্বারাও ইসতিগফার করা যাবে, কেননা মুমিন যে কোনো ভাষায় আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে পারেন। ভাষা বা বাক্যের চেয়ে মনের অনুশোচনা ও আবেগ বেশি প্রয়োজনীয়। তবে রাসূলুল্লাহ সা.-এর শেখানো বাক্য ব্যবহার করা উত্তম। সাধারণভাবে বিভিন্ন হাদীসে ইসতিগফারের জন্য আসতাগফিরুল্লাহ (আমি আল্লাহর নিকট ক্ষমা চাচ্ছি ) এবং কখনো এর সাথে ওয়া আতূবু ইলাইহি (এবং আমি তাঁর কাছে তাওবা করছি) বাক্য ব্যবহার করা হয়েছে। এখানে কয়েকটি মাসনূন বাক্য উল্লেখ করছি:
১। أَستَغْفِرُ اللهَ
উচ্চারণ: আস্তাগফিরুল্লা-হ। অর্থ: আমি আল্লাহর ক্ষমা প্রার্থনা করছি। সুনানু তিরমিযী, হাদীস নং ৩০০। হাদীসটি সহীহ। ২। أَسْتَغْفِرُ اللهَ وَأَتُوْبُ إِلَيْهِ
উচ্চারণ: আস্তাগফিরুল্লা-হা ওয়া আতূবু ইলাইহি। অর্থ : আমি আল্লাহর ক্ষমা প্রার্থনা করছি ও তাঁর দিকে ফিরে আসছি। সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১১১৬।
৩। رَبِّ اغْفِرْ لِيْ وَتُبْ عَلَيَّ إِنَّكَ (أنْتَ) التَّوَّابُ الرَّحِيْمُ (الغَفُوْرُ)
উচ্চারণ : রাব্বিগ্ ফিরলী, ওয়া তুব আলাইয়্যা, ইন্নাকা আনতাত তাওয়া-বুর রাহীম। দ্বিতীয় বর্ণনয় রাহীম-এর বদলে: গাফূর। অর্থ: হে আমার প্রভু, আপনি আমাকে ক্ষমা করুন এবং আমার তাওবা কবুল করুন। নিশ্চয় আপনি মহান তাওবা কবুলকারী করুণাময়। দ্বিতীয় বর্ণনায়: তাওবা কবুলকারী ও ক্ষমাকারী। সুনানু ইবনে মাজাহ, হাদীস নং৩৮১৪; সুনানু তিরমিযী, হাদীস নং ৩৪৩৪। হাদীসটি সহীহ।
৩। (৩ বার)
أَسْتَغْفِرُ اللهَ (الْعَظِيْمَ) الَّذِيْ لاَ إلهَ إِلاَّ هُوَ الحَيُّ الْقَيُّوْمُ وَأَتُوْبُ إِلَيْهِ
উচ্চারণ : আসতাগফিরুল্লা-হাল্ (আযীমাল্) লাযী লা- ইলা-হা ইল্লা- হুআল হাইউল কাইঊমু ওয়া আতূবু ইলাইহি। অর্থ: আমি মহান আল্লাহর ক্ষমা প্রার্থনা করছি, যিনি ছাড়া কোনো মাবুদ নেই, তিনি চিরঞ্জীব ও সর্ব সংরক্ষক, এবং তাঁর কাছে তাওবা করছি। সুনানে আবু দাউদ, হাদীস নং ১৫১৭। হাদীসটি সহীহ।
৪। (সাইয়্যেদুল ইস্তিগফার)
اللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّي لا إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ خَلَقْتَنِيْ وَأَنَا عَبْدُكَ وَأَنَا عَلَى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ أَبُوءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَيَّ وَأَبُوءُ لَكَ بِذَنْبِيْ فَاغْفِرْ لِيْ فَإِنَّهُ لاَ يَغْفِرُ الذُّنُوْبَ إِلاَّ أَنْتَ
উচ্চারণ: আল্লা-হুম্মা, আনতা রাব্বী, লা- ইলা-হা ইল্লা- আনতা, খালাক্বতানী, ওয়াআনা আবদুকা, ওয়াআনা আলা- আহদিকা ওয়াওয়াঅ্দিকা মাস তাতাঅ্তু। আঊযু বিকা মিন শাররি মা- স্বানাতু, আবূউ লাকা বিনিমাতিকা আলাইয়্যা, ওয়াআবূউ লাকা বিযামবি। ফাগ্ফিরলী, ফাইন্নাহু লা- ইয়াগফিরুয যুনূবা ইল্লা- আনতা। অর্থ: হে আল্লাহ, আপনি আমার প্রভু, আপনি ছাড়া কোনো মাবুদ নেই। আপনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন এবং আমি আপনার বান্দা। আমি আপনার কাছে প্রদত্ত অঙ্গিকার ও প্রতিজ্ঞার উপরে রয়েছি যতটুকু পেরেছি। আমি আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করি আমি যে কর্ম করেছি তার অকল্যাণ থেকে। আমি আপনার কাছে প্রত্যাবর্তন করছি আপনি আমাকে যত নিয়ামত দান করেছেন তা-সহ এবং আমি আপনার কাছে প্রত্যাবর্তন করছি আমার পাপ-সহ। অতএব, আপনি আমাকে ক্ষমা করুন, আপনি ছাড়া কেউ পাপ ক্ষমা করতে পারে না। সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৬৩০৬। কুরআন কারীমে মুমিনগণকে বারবার তাওবা ও ইসতিগফার করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাওবা ও ইসতিগফারের জন্য ক্ষমা, পুরস্কার ও মর্যাদা ছাড়াও জাগতিক উন্নতি ও বরকতের সুসংবাদ প্রদান করা হয়েছে। অনুরূপভাবে বিভিন্ন হাদীসে ইসতিগফারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইসতিগফার আল্লাহর অন্যতম যিক্র। যিক্রের সাধারণ ফযীলত ইস্তিগফারকারী লাভ করবেন। এ ছাড়াও ইস্তিগফারের অতিরিক্ত মর্যাদা ও সাওয়াব রয়েছে। আবু হুরাইরা (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন:
وَاللهِ إِنِّي لأَسْتَغْفِرُ اللهَ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ فِي الْيَوْمِ أَكْثَرَ مِنْ سَبْعِينَ مَرَّةً
আল্লাহর কসম! আমি দিনের মধ্যে ৭০ বারেরও বেশি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই এবং তাওবা করি। বুখারী (৮৩-কিতাবুদ দাআওয়াত, ৩-বাব ইসতিগফারিন নাবিয়্যি) ৫/২৩২৪
প্রশ্নঃ 108
assalamualaikum warahmatullah ..., ami mosjide gele amake chilla zawar jonno bole ..unara bole tar kothar cheye kar kotha uttom hote pare ze manushke allaher dike ahoban kore... erpor bole 4-5 diner jonno amader shathe diner mehnote chole ashen ... abbu ammuke bole ashen ... ekhon ami jodi oderke bujhai dolil dei ora to shunbe na ... ami bolsilam ze ami online tablig kori ierf.com e... ekhon ami kivabe jukti diye uttor dibo? oderke bujhaite parbo na ...onek jon okhane pore amar piche lagbe ....kete ashte hobe
22 Dec 2025
আপনাকে ধন্যবাদ। আপনি নিঃসন্দেহ ভাল কাজ করছেন। তারা যা করছে তাও ভাল কাজ। আপনার যদি সময় সুযোগ হয় তাহলে তাদের সাথে দাওয়াতি কাজে অংশ নিবেন। যেতে না পারলে তাদেরকে বুঝিয়ে বলবেন।
প্রশ্নঃ 97
Assalamualaikum, Questions given here are my mothers 1. Im a diabetic patient, however sometimes when I walk in the road my body get touched with other people of the road and takes place not from my own will. Is there will be any gunah for it. 2. Can I go to any market wearing borkhah? If I go so will there be any gunah. 3. If anyone dies and arrange Ziafot and gives meat to eat will there be any gunah to eat that meat?
22 Dec 2025
ওয়া আলাইকুমুস সলাম ওয়া রহমাতুল্লাহ।
( ১) না। অনিচ্ছা সত্ত্বেও যদি এমন কখনো হয়ে যায় তাহলে গুনাহ হবে না।
(২) হ্যাঁ। আপনি বোরকা পরে প্রয়োজনীয় যে কোন জায়াগায় যেতে পারবেন।
(৩) মৃত ব্যক্তির সওয়াবের উদ্দেশ্যে খানা-পিনার আয়োজন করা বিদআত। সুতরাং এমন খানা-পিনা থেকে বিরত থাকা উচিৎ। তবে খেয়ে ফেললে আশা করা যায় গুনাহ হবে না।
প্রশ্নঃ 96
আস-সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ জনাব আমি এক সেট বাংলায় অনুবাদিত বুখারী কিনতে চাই কোন প্রকাশনীর কিনলে ভাল হয় জানালে উপকৃত হবাে।
22 Dec 2025
ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ।
আপনাকে ধন্যবাদ। ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে প্রকাশিত বুখারী শরীফের বাংলা অনুবাদ ক্রয় করুন।
প্রশ্নঃ 79
বাংলাদেশে প্রচলিত ফাতিহা, ওরশ, (সবে মেরাজ, সবে কদর) এর নামে তকবিরের মাধ্যমে খানা খাওয়া কি জায়েয?
20 Dec 2025
আপনাকে ধন্যবাদ। প্রচলিত ফাতিহা, ওরশ, সবে মেরাজ, সবে কদরের নামে খাওয়া দাওয়া সবই জঘন্য বানোয়াট ও খেলাফে সুন্নাত কাজ। সাহবী, তাবেয়ী, তাবে তাবেয়ী ও পূর্ববর্তী মুসলিমগণ কখনো মৃত্যু দিবস কিংবা জন্মদিবসে কোন অনুষ্ঠান আয়োজ করেননি, খাবার বিতরণ করেননি। এমন অনুষ্ঠানের খাবার গ্রহণ করার অর্থই হলো এই সুন্নাত বিরোধী কাজকে সহায়তা করা সুতরাং এমন খানা খাওয়া আমাদের বর্জন করতে হবে। বিস্তারিত জানতে পড়ুন, প্রফেসার ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রচিত এহইয়াউস সুনান বইটি।
প্রশ্নঃ 55
কাউকে মুশরিক বলার অর্থ কি তাকে কাফিরও বলা? মুশরিক মাত্রই কি কাফির? শাসকের অন্যায় কাজের সমালোচনা করা কি জায়েজ?
20 Dec 2025
হ্যাঁ। কাউকে মুশরিক বলার অর্থ তাকে কাফেরও বলা। মুশরিক মাত্রই কাফের। বিষযটি নিচে বিস্তারিত আলোচনা হল। কুফ্র আরবী শব্দ। কুফ্র এর আভিধানিক অর্থ হলো অবিশ্বাস, অস্বীকার, অকৃতজ্ঞতা ইত্যাদি। ইসলামী পরিভাষায় আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের (স.) উপর এবং ঈমানের রুকনগুলোতে বিশ্বাস না থাকাকেই কুফর বলে। শিরক শব্দটিও আরবী। শিরক এর আভিধানিক অর্থ হলো অংশীদার করা বা বানানো, সহযোগী বানানো ইত্যদী। আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে আল্লাহর কোনো বিষয়ে আল্লাহর সমকক্ষ মনে করা বা আল্লাহর প্রাপ্য কোনো ইবাদত আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো জন্য পালন করা বা আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে ডাকাকে ইসলামী পরিভাষায় শিরক বলে। ইসলামী পবিভাষায় বিশ্বাসের অবিদ্যমানতাই কুফর বা অবিশ্বাস। আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের উপর এবং ঈমানের রুকনগুলিতে বিশ্বাস না থাকাকেই ইসলামের পরিভাষায় কুফর বলে গণ্য। অস্বীকার, সন্দেহ, দ্বিধা, হিংসা, অহংকার, ইত্যাদি যে কোন কারনে যদি কারো মধ্যে ঈমান বা দৃঢ় প্রত্যয়ের বিশ্বাস অনুপস্থিত থাকে তবে তাকে ইসলামী পরিভাষায় কুফর বলে গণ্য করা হয়। অনুরুপভাবে মহান আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে কোনো বিষয়ে তাঁর সমতুল বা সমকক্ষ বা তাঁর সাথে তুলনীয় বলে বলে বিশ্বাস করার মাধ্যমে আল্লাহর একত্ব ও অতুলনীয়ত্ব অস্বীকার করাও কুফর। তবে এ পর্যায়ের কুফরকে ইসলামের পরিভাষায় শিরক বলা হয়। কুফর ও শিরক পরস্পর অবিচ্ছ্যেভাবে জড়িত। কাউকে কোনোভাবে কোনো বিষয়ে মহান আল্লাহর সমকক্ষ বা তুলনীয় মনে করার অর্থই তাঁর একত্বে অবিশ্বাস বা কুফরী করা। আল্লাহর তাওহীদ ও রাসূলগণের দাওয়াতে অবিস্বাস না করে কেউ শিরক করতে পারে না। কাজেই মুশরিক মাত্রই কাফের বলে গণ্য হবে। অপরদিকে কাউকে আল্লাহর সমকক্ষ না মেনে ঈমানের কোনো রুকন অবিশ্বাস করলে তা শুধু কুফর বলে গণ্য। সুতরাং কাফের মাত্রই মুশরিক নয়। যেমন যদি কেউ আল্লাহর অস্তিত্বে বা তাঁর প্রতিপালনের একত্বে অবিশ্বাস করে বা মুহাম্মাদ (স.) এর রিসালাত, খাতমুন নবুওয়াত ইত্যাদি অস্বীকার করে তবে তা কুফ্র হলেও বাহ্যত তা শিরক নয়। কারণ এরুপ ব্যক্তি সুস্পষ্ট ভাবে কাউকে আল্লাহর সাথে তুলনীয় দাবি করছে না। তবে প্রকৃতপক্ষে এরুপ কুফরের সাথেও শিরক জড়িত। কারন এরুপ ব্যক্তি কোন না কোন ভাবে এ জড় বিশ্বকে মহান আল্লাহর মত অনাদি-অনন্ত বলে বিশ্বাস করছে, বিশ্ব পরিচালনায় প্রকৃতি বা অন্য কোন শক্তিকে বিশ্বাস করছে। উপরের আলোচনা থেকে স্পষ্ট যে, কাউকে মুশরিক বলার অর্থই হলো তাকে কাফেরও বলা। মুশরিক মাত্রই কাফের। তবে সকল কাফের সাধারণ ভাবে মুশরিক নয়। একটি কথা মনে রাখা জরুরী যে, কেউ কুফুরী কোন কাজ করলেই তাকে কাফের বলা যায় না। সমাজের অনেক মানুষই নিজেকে মুমিন ও তাওহীদে বিশ্বাসী বলে দাবি করার পরেও বিভিন্ন প্রকার শিরক ও কুফরের মধ্যে লিপ্ত থাকেন। এদের এ সকল কর্ম শিরক বা কুফর বলে আমরা নিশ্চিত জানার পরেও এদেরকে কাফির বা মুশরিক বলার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা ইসলামের নির্দেশ। কোনো কর্মকে শিরক বা কুফর বলা এবং কোনো ব্যক্তিকে কাফের বা মুশরিক বলার মাঝে অনেক পার্থক্য রয়েছে। আব্দুল্লাহ ইবনে উমার রা. বলেন, রাসূল সা. বলেছেন,
إِذَا كَفَّرَ الرَّجُلُ أَخَاهُ فَقَدْ بَاءَ بِهَا أَحَدُهُمَا
যদি কোনো ব্যক্তি তার ভাইকে কাফের বলে,তবে এ কথা দুজনের একজনের উপর প্রযোয্য হবে। সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৬০। আবু জার রা. বলেন, রাসূল সা. বরেছেন,
مَنْ دَعَا رَجُلاً بِالْكُفْرِ أَوْ قَالَ عَدُوَّ اللَّهِ. وَلَيْسَ كَذَلِكَ إِلاَّ حَارَ عَلَيْهِ
যদি কেউ কোন মানুষকে কুফুরির সাথে জড়িত করে আহহ্বান করে অথবা তাকে বলে হে আল্লাহর শত্রু আর সে তা না হয়, তবে তা বক্তার উপর বর্তবে। সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৬১
আরো বিস্তারিত জানার জন্য পড়ুন কুরআন সুন্নাহের আলোকে ইসলামী আকীদা এই বইটি। শাসকের অন্যায় কাজের সমালোচনা জায়েজ। শুধু জায়েজই নয় আবশ্যিক কর্তব্যও বটে। রাষ্ট্র, রাষ্ট্রপ্রধান, সরকার বা শাসক-প্রশাসকের পাপের ক্ষেত্রে মুমিনের দায়িত্ব ঘৃনা ও আপত্তি। শাসক বা প্রশাসকের পাপ বা অন্যায় কাজ দুপ্রকার, তাদের জীবনের ব্যক্তিগত অন্যায় কাজ এবং অন্যায় কাজের নির্দেশনা বা অন্যায় নির্ভর আইন,নীতি বা বিধান প্রণয়ন। সকলক্ষেত্রে মুমিনদের নূনতম দায়িত্ব অন্যায় কাজকে ঘৃনা করা। এরপর মুমিন সাধ্যমত আপত্তি ও প্রতিবাদ করবেন। এরুপ অন্যায় কাজ মেনে নেওয়া, স্বীকৃতি দেওয়া, এবিষয়ে তাদের অনুসরণ করা বা এর পক্ষে অবস্থান নেওয়া মুমিনের জন্য নিষিদ্ধ। তবে অন্যান্য বিষয়ে রাষ্ট্রীয় আনুগত্য বজায় রেখে রাষ্ট্রীয় শৃঙ্খলার মধ্যে থেকে সমালোচনা করতে হবে,আপত্তি ও প্রতিবাত জানাতে হবে। কোন ভাবেই আইন অমান্য, শৃঙ্খলা ভঙ্গ কিংবা আইন নিজের হাতে তুলে নেয়া যাবে না। উম্মে সালামা রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন,
إِنَّهُ يُسْتَعْمَلُ عَلَيْكُمْ أُمَرَاءُ فَتَعْرِفُونَ وَتُنْكِرُونَ فَمَنْ كَرِهَ فَقَدْ بَرِئَ وَمَنْ أَنْكَرَ فَقَدْ سَلِمَ وَلَكِنْ مَنْ رَضِىَ وَتَابَعَ গ্ধ. قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ أَلاَ نُقَاتِلُهُمْ قَالَ لاَ مَا صَلَّوْا
অচিরেই তোমাদের উপর অনে শাসক প্রশাসক আসবে যারা ন্যায় ও অন্যায় উভয় প্রকার কাজ করবে। যে ব্যক্তি তাদের অন্যায়কে ঘৃনা করবে সে অন্যায়ের অপরাধ থেকে মুক্ত হবে। আর যে ব্যক্তি আপত্তি করবে সে (আল্লাহর অসন্তুষ্টি থেকে ) নিরাপত্তা পাবে। কিন্তু যে এসকল অন্যায় কাজ মেনে নেবে বা তাদের অনুসরণ করবে (সে বাচঁতে পারবে না)। সাহাবীগণ বললেন হে আল্লাহর রাসূল আমরা কি তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধকরব না? তিনি বললেন, না, যতক্ষন তারা সালাত আদায় করবে। সহীহ মুসলিম, হাদীস নং১৮৫৪। আউফ ইবনে মালিক রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন,
أَلاَ مَنْ وَلِىَ عَلَيْهِ وَالٍ فَرَآهُ يَأْتِى شَيْئًا مِنْ مَعْصِيَةِ اللَّهِ فَلْيَكْرَهْ مَا يَأْتِى مِنْ مَعْصِيَةِ اللَّهِ وَلاَ يَنْزِعَنَّ يَدًا مِنْ طَاعَةٍ
তোমরা হুশিয়ার! তোমাদের কারো উপর যদি কেন শাসক প্রশাসক নিযুক্ত হন এবং সে দেখতে পায় যে,উক্ত শাসক বা প্রশাসক আল্লাহর অবাধ্যতার কোন কাজে লিপ্ত হচ্ছেন, তবে সে যেন আল্লাহর অবাধ্যতার উক্ত কর্মকে ঘৃনা করে, কিন্তু আনুগত্য থেকে হাত গুটিয়ে নিবে না। সহীহ মুসলিম, হাদীস নং১৮৫৫। উপরের আলোচনা থেকে স্পষ্ট যে, সাধ্যমত শাসকের অন্যায় কাজের সমালোচনা করা, প্রতিবাদ করা প্রতেক মুমিনের দায়িত্ব। তবে অন্যান্য ক্ষেত্রে রাষ্টের প্রতি আনুগত্য বজায় রাখতে হবে। রাষ্ট্রীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ হয় এমন কাজ করা যাবে না । আল্লাহ সবাইকে তাওফীক দিন। কাউকে মুশরকি বলার র্অথ কি ত্যাকে কাফরিও বলা? মুশরকি মাত্রই কি কাফরি? শাসকরে অন্যায় কাজরে সমালোচনা করা কি জায়জে?
হ্যাঁ। কাউকে মুশরিক বলার অর্থ তাকে কাফেরও বলা। মুশরিক মাত্রই কাফের। বিষযটি নিচে বিস্তারিত আলোচনা হল। কুফ্র আরবী শব্দ। কুফ্র এর আভিধানিক অর্থ হলো অবিশ্বাস, অস্বীকার, অকৃতজ্ঞতা ইত্যাদি। ইসলামী পরিভাষায় আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের (স.) উপর এবং ঈমানের রুকনগুলোতে বিশ্বাস না থাকাকেই কুফর বলে। শিরক শব্দটিও আরবী। শিরক এর আভিধানিক অর্থ হলো অংশীদার করা বা বানানো, সহযোগী বানানো ইত্যদী। আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে আল্লাহর কোনো বিষয়ে আল্লাহর সমকক্ষ মনে করা বা আল্লাহর প্রাপ্য কোনো ইবাদত আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো জন্য পালন করা বা আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে ডাকাকে ইসলামী পরিভাষায় শিরক বলে। ইসলামী পবিভাষায় বিশ্বাসের অবিদ্যমানতাই কুফর বা অবিশ্বাস। আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের উপর এবং ঈমানের রুকনগুলিতে বিশ্বাস না থাকাকেই ইসলামের পরিভাষায় কুফর বলে গণ্য। অস্বীকার, সন্দেহ, দ্বিধা, হিংসা, অহংকার, ইত্যাদি যে কোন কারনে যদি কারো মধ্যে ঈমান বা দৃঢ় প্রত্যয়ের বিশ্বাস অনুপস্থিত থাকে তবে তাকে ইসলামী পরিভাষায় কুফর বলে গণ্য করা হয়। অনুরুপভাবে মহান আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে কোনো বিষয়ে তাঁর সমতুল বা সমকক্ষ বা তাঁর সাথে তুলনীয় বলে বলে বিশ্বাস করার মাধ্যমে আল্লাহর একত্ব ও অতুলনীয়ত্ব অস্বীকার করাও কুফর। তবে এ পর্যায়ের কুফরকে ইসলামের পরিভাষায় শিরক বলা হয়। কুফর ও শিরক পরস্পর অবিচ্ছ্যেভাবে জড়িত। কাউকে কোনোভাবে কোনো বিষয়ে মহান আল্লাহর সমকক্ষ বা তুলনীয় মনে করার অর্থই তাঁর একত্বে অবিশ্বাস বা কুফরী করা। আল্লাহর তাওহীদ ও রাসূলগণের দাওয়াতে অবিস্বাস না করে কেউ শিরক করতে পারে না। কাজেই মুশরিক মাত্রই কাফের বলে গণ্য হবে। অপরদিকে কাউকে আল্লাহর সমকক্ষ না মেনে ঈমানের কোনো রুকন অবিশ্বাস করলে তা শুধু কুফর বলে গণ্য। সুতরাং কাফের মাত্রই মুশরিক নয়। যেমন যদি কেউ আল্লাহর অস্তিত্বে বা তাঁর প্রতিপালনের একত্বে অবিশ্বাস করে বা মুহাম্মাদ (স.) এর রিসালাত, খাতমুন নবুওয়াত ইত্যাদি অস্বীকার করে তবে তা কুফ্র হলেও বাহ্যত তা শিরক নয়। কারণ এরুপ ব্যক্তি সুস্পষ্ট ভাবে কাউকে আল্লাহর সাথে তুলনীয় দাবি করছে না। তবে প্রকৃতপক্ষে এরুপ কুফরের সাথেও শিরক জড়িত। কারন এরুপ ব্যক্তি কোন না কোন ভাবে এ জড় বিশ্বকে মহান আল্লাহর মত অনাদি-অনন্ত বলে বিশ্বাস করছে, বিশ্ব পরিচালনায় প্রকৃতি বা অন্য কোন শক্তিকে বিশ্বাস করছে। উপরের আলোচনা থেকে স্পষ্ট যে, কাউকে মুশরিক বলার অর্থই হলো তাকে কাফেরও বলা। মুশরিক মাত্রই কাফের। তবে সকল কাফের সাধারণ ভাবে মুশরিক নয়। একটি কথা মনে রাখা জরুরী যে, কেউ কুফুরী কোন কাজ করলেই তাকে কাফের বলা যায় না। সমাজের অনেক মানুষই নিজেকে মুমিন ও তাওহীদে বিশ্বাসী বলে দাবি করার পরেও বিভিন্ন প্রকার শিরক ও কুফরের মধ্যে লিপ্ত থাকেন। এদের এ সকল কর্ম শিরক বা কুফর বলে আমরা নিশ্চিত জানার পরেও এদেরকে কাফির বা মুশরিক বলার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা ইসলামের নির্দেশ। কোনো কর্মকে শিরক বা কুফর বলা এবং কোনো ব্যক্তিকে কাফের বা মুশরিক বলার মাঝে অনেক পার্থক্য রয়েছে। আব্দুল্লাহ ইবনে উমার রা. বলেন, রাসূল সা. বলেছেন,
إِذَا كَفَّرَ الرَّجُلُ أَخَاهُ فَقَدْ بَاءَ بِهَا أَحَدُهُمَا
যদি কোনো ব্যক্তি তার ভাইকে কাফের বলে,তবে এ কথা দুজনের একজনের উপর প্রযোয্য হবে। সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৬০। আবু জার রা. বলেন, রাসূল সা. বরেছেন,
مَنْ دَعَا رَجُلاً بِالْكُفْرِ أَوْ قَالَ عَدُوَّ اللَّهِ. وَلَيْسَ كَذَلِكَ إِلاَّ حَارَ عَلَيْهِ
যদি কেউ কোন মানুষকে কুফুরির সাথে জড়িত করে আহহ্বান করে অথবা তাকে বলে হে আল্লাহর শত্রু আর সে তা না হয়, তবে তা বক্তার উপর বর্তবে। সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৬১
আরো বিস্তারিত জানার জন্য পড়ুন কুরআন সুন্নাহের আলোকে ইসলামী আকীদা এই বইটি। শাসকের অন্যায় কাজের সমালোচনা জায়েজ। শুধু জায়েজই নয় আবশ্যিক কর্তব্যও বটে। রাষ্ট্র, রাষ্ট্রপ্রধান, সরকার বা শাসক-প্রশাসকের পাপের ক্ষেত্রে মুমিনের দায়িত্ব ঘৃনা ও আপত্তি। শাসক বা প্রশাসকের পাপ বা অন্যায় কাজ দুপ্রকার, তাদের জীবনের ব্যক্তিগত অন্যায় কাজ এবং অন্যায় কাজের নির্দেশনা বা অন্যায় নির্ভর আইন,নীতি বা বিধান প্রণয়ন। সকলক্ষেত্রে মুমিনদের নূনতম দায়িত্ব অন্যায় কাজকে ঘৃনা করা। এরপর মুমিন সাধ্যমত আপত্তি ও প্রতিবাদ করবেন। এরুপ অন্যায় কাজ মেনে নেওয়া, স্বীকৃতি দেওয়া, এবিষয়ে তাদের অনুসরণ করা বা এর পক্ষে অবস্থান নেওয়া মুমিনের জন্য নিষিদ্ধ। তবে অন্যান্য বিষয়ে রাষ্ট্রীয় আনুগত্য বজায় রেখে রাষ্ট্রীয় শৃঙ্খলার মধ্যে থেকে সমালোচনা করতে হবে,আপত্তি ও প্রতিবাত জানাতে হবে। কোন ভাবেই আইন অমান্য, শৃঙ্খলা ভঙ্গ কিংবা আইন নিজের হাতে তুলে নেয়া যাবে না। উম্মে সালামা রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন,
إِنَّهُ يُسْتَعْمَلُ عَلَيْكُمْ أُمَرَاءُ فَتَعْرِفُونَ وَتُنْكِرُونَ فَمَنْ كَرِهَ فَقَدْ بَرِئَ وَمَنْ أَنْكَرَ فَقَدْ سَلِمَ وَلَكِنْ مَنْ رَضِىَ وَتَابَعَ قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ أَلاَ نُقَاتِلُهُمْ قَالَ لاَ مَا صَلَّوْا
অচিরেই তোমাদের উপর অনে শাসক প্রশাসক আসবে যারা ন্যায় ও অন্যায় উভয় প্রকার কাজ করবে। যে ব্যক্তি তাদের অন্যায়কে ঘৃনা করবে সে অন্যায়ের অপরাধ থেকে মুক্ত হবে। আর যে ব্যক্তি আপত্তি করবে সে (আল্লাহর অসন্তুষ্টি থেকে) নিরাপত্তা পাবে। কিন্তু যে এসকল অন্যায় কাজ মেনে নেবে বা তাদের অনুসরণ করবে (সে বাচঁতে পারবে না)। সাহাবীগণ বললেন হে আল্লাহর রাসূল আমরা কি তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধকরব না? তিনি বললেন, না, যতক্ষন তারা সালাত আদায় করবে। সহীহ মুসলিম, হাদীস নং১৮৫৪। আউফ ইবনে মালিক রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন,
أَلاَ مَنْ وَلِىَ عَلَيْهِ وَالٍ فَرَآهُ يَأْتِى شَيْئًا مِنْ مَعْصِيَةِ اللَّهِ فَلْيَكْرَهْ مَا يَأْتِى مِنْ مَعْصِيَةِ اللَّهِ وَلاَ يَنْزِعَنَّ يَدًا مِنْ طَاعَةٍ
তোমরা হুশিয়ার! তোমাদের কারো উপর যদি কেন শাসক প্রশাসক নিযুক্ত হন এবং সে দেখতে পায় যে,উক্ত শাসক বা প্রশাসক আল্লাহর অবাধ্যতার কোন কাজে লিপ্ত হচ্ছেন, তবে সে যেন আল্লাহর অবাধ্যতার উক্ত কর্মকে ঘৃনা করে, কিন্তু আনুগত্য থেকে হাত গুটিয়ে নিবে না। সহীহ মুসলিম, হাদীস নং১৮৫৫। উপরের আলোচনা থেকে স্পষ্ট যে, সাধ্যমত শাসকের অন্যায় কাজের সমালোচনা করা, প্রতিবাদ করা প্রতেক মুমিনের দায়িত্ব। তবে অন্যান্য ক্ষেত্রে রাষ্টের প্রতি আনুগত্য বজায় রাখতে হবে। রাষ্ট্রীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ হয় এমন কাজ করা যাবে না । আল্লাহ সবাইকে তাওফীক দিন।
প্রশ্নঃ 48
আস-সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। মুহতারাম, আপনার কাছে আমার কাছে আমার জানার বিষয় হল, আউস ও খাজরাজের লোকেরা কোন ধর্মের মানুষ ছিলেন?
20 Dec 2025
ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ।
প্রশ্নটি করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। নিম্নে আপনার প্রশ্নের উত্তর প্রদত্ত হল । আউস ও খাজরাজ গেত্রের লোকেরা আরবের অন্যান্য মানুষদের মতই ইব্রাহীম আঃ এর ধর্মের অনুসারী ছিলেন। এধর্মের ভিতরে তারা বিভিন্ন ধরনের বিকৃতি সাধন করেন এবং তারা শিরকে লিপ্ত হন। তারা আল্লাহর একত্বে বিশ্বাসী ছিলেন। তবে আল্লাহর রহমত লাভের জন্য ফিরিশতা, জিন, নবী, ওলীগণ, তাদের প্রতিমা বা স্মৃতিবিজড়িত স্থান ও দ্রব্যের পুজা করতেন। এছাড়া নানাবিধ কুসংস্কার তাদের মধ্যে প্রসার লাভ করে।
প্রশ্নঃ 47
Is Sheikh Albani the best muhaddis in thise century
20 Dec 2025
শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহ. তাঁর সময়ের শ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিসদের অন্যতম ছিলেন। হাদীস শাস্ত্রে তাঁর খেদমত ব্যাপক।তবে তিনি বর্তমান সময়ের বেস্ট মুহাদ্দিস ছিলেন এটা এক কথায় বলা কঠিন। বিষয়টি আপেক্ষিক। কারো নিকট তিনি বেস্ট মুহাদ্দিস আবার কারো নিকট নন। আর এরূপ কথা বলা উচিতও নয়। এগুলো অতিভক্তিমূলক কথা মাত্র। শাইখ মুহাম্মাদ নাসিরুদ্দীন আলবানী একজন বড় মুহাদ্দিস ছিলেন এক কথাটুকুই তাঁর মূল্যায়নের জন্য এতটুকুই যথেষ্ট। আল্লাহ সবচেয়ে ভাল জানেন। আল্লাহ শাইখ আলবানীকে তাঁর কর্মের যোগ্য পুরস্কার দান করুন ও তাকে রহমত করুন। আমাদের আবেগকে সুন্নাতের অনুগত করার তাওফীক দান করুন।
প্রশ্নঃ 19
বাংলা উচ্চারণ দেখে পড়লে কোরআন পড়া হবে কি না?
20 Dec 2025
প্রশ্নটি করার জন্য আপনাকে জাযাকাল্লাহ। নিম্নে এ বিষয়ে কিঞ্চিত আলোচনা করা হল, আশা করি আপনি তাতে আপনার প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাবেন ইনশাল্লাহ। বাংলা উচ্চারন দেখে পড়লে কোরআন পড়া তো হবেই না, বরং কোরআন পড়তে গিয়ে ঈমানবিরেধি কথা বলার কারনে ঈমান চলে যেতে পারে। কারন কোরআন একটি ভাষা, একটি কথা যার উচ্চারণের ভুলত্রুটির কারনে অর্থ পরিবর্তন হয়ে যায়। যেমন, ه এবং ح উভয়েরই বাংলা উচ্চারনে হা বলি বা লিখি। অথচ আরবীতে উভয়ের উচ্চারণস্থল ভিন্ন ভিন্ন(ه উচ্চরণ করতে হয় হলক বা কন্ঠনালির শুরু হতে আর ح উচ্চারণ করতে হয় কন্ঠনালির মাঝখান হতে) এবং উচ্চারণের এ ভিন্নতার কারণে অর্থের মাঝেও ব্যাপক পরিবর্তন ঘটে। উদাহরণস্বরুপ, আলহামদু লিল্লাহ বলার সময় যদি হা এর উচ্চরন কন্ঠনালির শুরু থেকে হয় তাহলে আল্লাহকে গালি দেয়া হল আর যদি উচ্চারনটি কন্ঠনালির মাঝখান থেকে হয় তাহলে আল্লাহর প্রশংসা করা হল। বিষয়টি শুধু এস্থানের সাথেই সীমাবদ্ধ নয় বরং কোরআনের প্রত্যেকটি স্থানের সাথেই গভীরভাবে জড়িত। সুতরাং এব্যাপারে আমাদের সাবধান থাকতে হবে। কোরআন আরবীতেই শুদ্ধভাবে পড়ার চেষ্টা করবেন । যদি কোথাও ভুল হয়ে যায় তাহলে বান্দা আন্তরিক হলে আশা করা যায় আল্লাহ মাফ করবেন। আল্লাহ আমাদের সকলকে সহী শুদ্ধভাবে কোরআন তেলাওয়াত তাওফীক দান করুন। আমীন।
প্রশ্নঃ 15
আওস ও খাজরাজ গোত্রের লোকেরা কোন ধর্মের মানুষ ছিল?
20 Dec 2025
আউস ও খাজরাজ গেত্রের লোকেরা আরবের অন্যান্য মানুষদের মতই ইব্রাহীম আঃ এর ধর্মের অনুসারী ছিলেন। এধর্মের ভিতরে তারা বিভিন্ন ধরনের বিকৃতি সাধন করেন এবং তারা শিরকে লিপ্ত হন। তারা আল্লাহর একত্বে বিশ্বাসী ছিলেন। তবে আল্লাহর রহমত লাভের জন্য ফিরিশতা, জিন, নবী, ওলীগণ, তাদের প্রতিমা বা স্মৃতিবিজড়িত স্থান ও দ্রব্যের পুজা করতেন। এছাড়া নানাবিধ কুসংস্কার তাদের মধ্যে প্রসার লাভ করে।
প্রশ্নঃ 14
জিনা প্রমাণিত হওয়ার জন্য ৪ জন স্বাক্ষী কেন প্রয়োজন?
20 Dec 2025
প্রশ্নটি করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। নিম্নে আপনার প্রশ্নে উল্লেখিত বিষয়ে আলোচনা করা হল। আশা করি আপনি তাতে আপনার প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাবেন। ইনশাল্লাহ। মহান আল্লাহ সমস্ত মাখলুকাতের মধ্য হতে মানুষকে সবচেয়ে সুন্দর করে সৃষ্টি করেছেন। মানুষ লাভ করেছে সর্বশ্রেষ্ঠ মাখলুকাতের সুমহান মর্যাদা। উদ্দেশ্য একটাই, মানুষ তাঁর সৃষ্টিকর্তা মহান আল্লাহর ইবাদত করবে। সবসময় সবক্ষেত্রে তাঁর এবং তাঁর রাসূল সাঃ এর দিকনির্দেশনা মেনে চলবে। সর্বাত্নক চেষ্টা করবে নিজেকে জান্নাতিদের সফলকাম কাঁতারে শামিল করার জন্য। শতচেষ্টার পরেও প্রকাশ্য দুশমন শয়তানের প্ররোচনায়, প্রবৃত্তির তাড়নায় কখন কখন মানুষ তার প্রতিপালককে ভুলে যায়। বিচ্যুত হয় সঠিক পথ থেকে, আর লিপ্ত হয় নানা রকম অপকর্মে। হাতছাড়া করে ফেলে শ্রেষ্ঠত্যের মহান গুন। তারপরেও ইসলাম চাই মানুষ তার পাপ কর্মের ব্যাপারে লজ্জিত আর অনুতপ্ত হয়ে ফিরে আসুক আল্লাহর দিকে। তাঁর কাছে ক্ষমা চেয়ে ফিরে পাক তার হারানো সম্মান। আর তার পাপকর্মটি গোপন থাকুক অন্যান্য মানুষের নিকট। কেউ যদি তার দোষত্রুটি জেনে ফেলে তাকে উৎসাহ প্রদান করা হয়েছে উক্ত দোষ গোপন রাখতে। উপরোন্ত তা গোপন রাখার ব্যাপারে হাদীস শরীফে ফযীলত বর্ণনা করা হয়েছে। এক হাদীসে তিনি বলেন:
مَنْ سَتَرَ مُسْلِمًا سَتَرَهُ اللَّهُ يَوْمَ الْقِيَامَة
যে ব্যাক্তি কোন মুসলমানের দোষ গোপন করবে আল্লাহ তায়ালা কিয়ামতের দিন তার দোষ গোপন করবেন। বুখারী, আস-সহীহ, হাদীস নং ২৪৪২। মুসলিম, আস-সহীহ, হাদীস নং ৬৭৪৩। পাশাপাশি কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে দোষচর্চা করতে। বিদায় হজ্জের ভাষণে রাসূলে কারীম সাঃ বলেন:
فَإِنَّ دِمَاءَكُمْ وَأَمْوَالَكُمْ وَأَعْرَاضَكُمْ بَيْنَكُمْ حَرَامٌ
অর্থঃ তোমাদের রক্ত, তোমাদের সম্পদ, তোমাদের সম্মান পরষ্পরের জন্য হারাম (সম্মানিত)। বুখারী, আস-সহীহ, হাদীস নং ৬৭। মুসলিম, আস-সহীহ, হাদীস নং ৪৪৭৮। কোরআনুল কারীমে মহান আল্লাহ কারো দোষচর্চা বা গীবত করাকে মৃতভাইয়ের গোশত খাওয়ার সাথে তুলনা করেছে।এরশাদ হয়েছে:
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اجْتَنِبُوا كَثِيرًا مِنَ الظَّنِّ إِنَّ بَعْضَ الظَّنِّ إِثْمٌ وَلَا تَجَسَّسُوا وَلَا يَغْتَبْ بَعْضُكُمْ بَعْضًا أَيُحِبُّ أَحَدُكُمْ أَنْ يَأْكُلَ لَحْمَ أَخِيهِ مَيْتًا فَكَرِهْتُمُوهُ وَاتَّقُوا اللَّهَ إِنَّ اللَّهَ تَوَّابٌ رَحِيمٌ
অর্থঃ হে মুমিনগণ ! তোমরা অধিকাংশ ধারনা থেকে বিরত থাক ; কারণ কিছু কিছু ধারণা পাপ। আর তোমরা একে অপরের দোষ তালাশ করনা। আর কেউ যেন কারো পশ্চাতে দোষচর্চা না করে। তোমাদের মধ্যে কেউ কি তার মৃত ভাইয়ের গোশত খেতে পছন্দ করে? বস্তুত তোমরা তো এটাকে অপছন্দই করো। তোমরা আল্লাহকে ভয় কর ; আল্লাহ তাওবা কবুল কারী, পরম দয়ালু। সূরা-হুজরাত, আয়াত-১২। অনুরুপভাবে অযৌক্তিক বা বিনা কারনে কাউকে হত্যা করার ব্যাপারে ইসলাম ঘোর বিরোধী। কোরআনে কারীমে বিনা কারনে একজনের হত্যাকে সমস্ত মানুষকে হত্যা করার সাথে তুলনা করেছে। মহান আল্লাহ বলেন:
مَنْ قَتَلَ نَفْسًا بِغَيْرِ نَفْسٍ أَوْ فَسَادٍ فِي الْأَرْضِ فَكَأَنَّمَا قَتَلَ النَّاسَ جَمِيعًا
অর্থঃ যে ব্যাক্তি কোন হত্যাকান্ড ছাড়া বা দুনিয়ায় কোন ধবংসাত্ম ক কাজ করা ছাড়া কাউকে হত্যা করল সে যেন সকল মানুষকেই হত্যা করল। সূরা মায়িদা, আয়াত নং ৩২। কোন অপরাধ অথবা গুরুত্বপূর্ণ কোন বিচারকাজ সম্পাদন করার জন্য ইসলাম উক্ত বিষয়ে নিশ্চিত হতে বা শক্তিশালী করতে সাক্ষীর ব্যাবস্থা করেছে। সকল ক্ষেত্রে এক, দুই বা তিনজন সাক্ষী নির্ধারণ করলেও যিনার ক্ষেত্রে চারজন সাক্ষীর শর্তরোপ করা হয়েছে। কোরআনে কারীমে এরশাদ হয়েছে :
وَاللَّاتِي يَأْتِينَ الْفَاحِشَةَ مِنْ نِسَائِكُمْ فَاسْتَشْهِدُوا عَلَيْهِنَّ أَرْبَعَةً مِنْكُمْ
অর্থঃ তোমাদের নারীদের মধ্যে যারা ব্যভিচার করে তাদের বিরুদ্ধে তোমাদের মধ্য হতে চারজন সাক্ষী তলব কর। সূরা নিসা, আয়াত-১৫। চারজনের কম হলে উক্ত সাক্ষ্য গ্রহনযগ্য তো হবেই না, উল্টা তাদের উপরই অপবাদের শাস্তি হিসাবে আশিবার বেত্রাঘাতের বিধান দিয়েছে ইসলাম । এপ্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক এরশাদ করেন:
لَوْلَا جَاءُوا عَلَيْهِ بِأَرْبَعَةِ شُهَدَاءَ فَإِذْ لَمْ يَأْتُوا بِالشُّهَدَاءِ فَأُولَئِكَ عِنْدَ اللَّهِ هُمُ الْكَاذِبُونَ
অর্থঃ তারা কেন এব্যাপারে চারজন সাক্ষী উপস্থিত করেনি? যেহেতু তারা সাক্ষী উপস্থিত করেনি সে কারনে তারা আল্লাহর নিকট মিথ্যাবাদী। সূরা নূর,আয়াত-১৩। অপর একটি আয়াতে আল্লাহ বলেন:
وَالَّذِينَ يَرْمُونَ الْمُحْصَنَاتِ ثُمَّ لَمْ يَأْتُوا بِأَرْبَعَةِ شُهَدَاءَ فَاجْلِدُوهُمْ ثَمَانِينَ جَلْدَةً وَلَا تَقْبَلُوا لَهُمْ شَهَادَةً أَبَدًا وَأُولَئِكَ هُمُ الْفَاسِقُونَ
অর্থঃ যাহার সাধ্ববী নারীদের ব্যাপারে অপবাদ আরোপ করে এবং চারজন সাক্ষী উপস্থিত করেনা, তাদেরবে আশিটি বেত্রঘাত করবে এবং কখন তাদের সাক্ষ্য গ্রহন করবে না । মুমিনের জন্য এটা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সূরা নূর, আয়াত-৪। হযরত আবু হুরাইরা রাঃ থেকে বর্ণীত একটি হাদীসে আছে
سعد بن عبادة قال لرسول الله صلى الله عليه وسلم: يا رسول الله، أرأيت إن وجدت مع امرأتي رجلا، أمهل حتى آتي بأربعة شهداء؟ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: نعم
হযরত সাদ ইবনে উবাদাহ রাঃ রাসূল সাঃ কে জিজ্ঞাসা করলেন, হে আল্লাহর রাসূল সাঃ আমি যদি আমার স্ত্রীর সাথে কাউকে দেখি তাহলে আমি কি চারজন সাক্ষী উপস্থিত করা পর্যন্ত ছেড়ে দিব? উত্তরে রাসূল সাঃ বললেন : হা।শায়েখ শুয়াইব আরনাউত বলেন; হাদীসের সনদটি সহীহ। সহী ইবনে হিব্বান, তাহকীক, শুয়াইব আরনাউত, হাদীস নং ৪৪০৯। মুসলিম, আস-সহীহ, হাদীস নং ১৪৯৮। কাউকে কোন অপরাধে লিপ্ত দেখে তাকে বিচারকের নিকট সোপর্দ করে যথাযথ প্রক্রিয়ায় আতপক্ষ সমর্থনের মাধ্যমে বিচার ছাড়া কেউ শাস্তি দিতে পারবে না। এ প্রক্রিয়ার বাইরে স্বয়ং রাষ্ট্রপ্রধান বা প্রধান বিচারপতিও কাউকে শাস্তি দিতে পারবে না । খলীফা উমার রাঃ আব্দুর রহমান ইবনে আউফ রাঃ কে বলেন:
لَوْ رَأَيْتَ رَجُلاً عَلَى حَدٍّ زِنًا ، أَوْ سَرِقَةٍ وَأَنْتَ أَمِيرٌ فَقَالَ شَهَادَتُكَ شَهَادَةُ رَجُلٍ مِنَ الْمُسْلِمِينَ قَالَ صَدَقْتَ
অর্থঃ আপনি শাসক থাকা অবস্থায় যদি কাউক ব্যভিচারের অপরাধে বা চুরির অপরাধে রত দেখতে পান তাহলে তার বিচারের বিধান কী? ( নিজের দেখাতেই কি বিচার করতে পারবেন?) আব্দুর রহমান রাঃ বললেন, আপনার সাক্ষ্যও একজন সাধারন মুসলিমের সাক্ষ্যের সমান। উমার রাঃ বলেন,আপনি ঠিকই বলেছেন। বুখারী আস-সহীহ, কিতাবুল ফিতান, বাব, আশ্ শাহাাদাত তাকুনু ইনদাল হাকীম। অর্থৎ রাষ্ট্রপ্রধান নিজের হাতে বিচার তুলে নিতে পারবেন না । এমনকি তার সাক্ষ্যের অতিরিক্ত কোন মূল্যও নেই। রাষ্ট্রপ্রধানের একার সাক্ষ্যে কোন বিচার হবে না । বিধিমোতাবেক দুই জন বা চারজন সাক্ষীর কমে বিচারক কারো বিচার করতে পারবেন না। অন্য ঘটনায় উমার রাঃ রাত্রে মদীনায় ঘোরাফেরা করার সময় একব্যাক্তিকে ব্যভিচারে লিপ্ত দেখতে পান। তিনি পরদিন সাহাবীগণকে জিজ্ঞাসা করেন, যদি রাষ্ট্রপ্রধান কাউকে ব্যভিচারে লিপ্ত দেখতে পান তাহলে তিনি কি শাস্তি প্রদান করতে পারবেন? তখন আলী রাঃ বলেন, কখনই না। আপনি ছাড়া আরো তিনজন প্রত্যক্ষ্য সাক্ষী যদি অপরাধের সাক্ষ্য না দেয় তাহলে আপনার উপরের মিথ্যা অপবাদের শাস্তি প্রয়োগ করা হবে। আল কানযুল আকবার ১/২২৭ । এটা স্পষ্ট বিষয় যে, চারজন সাক্ষীর সাক্ষ্যর ভিত্তিতে জিনা প্রমাণীত হওয়া এক বিরাট কঠিন বিষয়। একারনেই শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া রহঃ বলেন:ইসলামের শুরু থেকে এপর্যন্ত সাক্ষ্যর ভিত্তিতে জিনা প্রমাণীত হয়নি। যা হয়েছে তা স্বীকরোক্তির ভিত্তিতে হয়েছে। এব্যাপারে ইসলামের সর্বোচ্চ এ সতর্কতা গ্রহন বা কঠিন শর্তারোপের কারন হল, মানুষের জীবন অতি মূল্যাবান। আর ইসলামের উদ্দে্শ্য হল, অপরাধকে নিয়ন্ত্রণ করা, অপরাধীকে নির্মুল করা নয়। বিচারকের ভুলে অপরাধী বেচে যাক কিন্তু তার ভুলে যেন নিরাপরাধ শাস্তি না পাই এবং কম অপরাধী বেশি শাস্তি না পাই। এজন্য ইসলামে হুদুদকে কঠিন করা হয়েছে এবং হুদুদের ব্যাবস্থাপনা আরো বেশি কঠিন করা হেয়েছে। বিচারক সর্বাত্নক চেষ্টা করবে মৃত্যুদন্ড না দেয়ার জন্য। ফুক্বাহায়ে কেরাম এব্যাপারে একমত পোষণ করেছেন যে, অপরাধের পূর্ণতার ব্যাপারে সামান্যতম সন্দেহ থাকলেও আর মৃত্যুদন্ড দেয়া যাবে না। কারন, বিচারকের ভুলে নিরাপরাধের বা কম অপরাধীর বেশি শাস্তি হওয়ার চেয়ে অপরাধীর মুক্তি বা বেশি অপরাধের জন্য কম শাস্তি বাঞ্চনীয়। তারপরেও যখন এই জঘণ্য কর্মটি চারজন ব্যাক্তি প্রত্যক্ষ্য করতে সক্ষম হয় তাহলে বুঝতে হবে সে ব্যাক্তি অধঃপতনের সর্বনিম্ম পর্যয়ে পৌছে গেছে এবং এই কর্মটি প্রকাশ্যে করেছে। এই অবস্থায় ব্যাপক স্বার্থে ইসলাম তাকে দুনিয়া থেকে বিদায় দেয়ার অনুমতি প্রদান করে। আল্লাহ আমাদেরকে পরিপূর্ণ তাকওয়া অর্জন করার তাওফীক দান করুন।
প্রশ্নঃ 467
1) May I recite Tashahud out of prayer to send Salam to Prophet Mohammad?
2) Is Arabic month Rojob better than Shobe Qodor?
3) Suggest me a Bangla Islamic Book where I can get Duas for day- night and Dua after salat
Thank You in advance
29 Dec 2025
১। সালাতের বাইরে সালাম পাঠানোর জন্য তাশাহুদু পড়ার কথা কোন হাদীসে নেই। আপনি অন্যভাবে সালাতের বাইরে রাসূলুল্লাহ সা. এর উপর সালাম পাঠাবেন।
২। না, রজব মাস শবে কদর থেকে উত্তম নয়। ৩। আপনি সালাতের পরে দুআ ও জিকির বিষয়ে এবং অন্যান্য দুআ ও জিকির সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পড়ন, আস-সুন্নাহ পাবলিকেশন্স থেকে প্রকাশিত, ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রচিত রাহে বেলায়ত বইটি।