প্রশ্নঃ 1558
আসসালামু আলাইকুম, আমি একটি বেসরকারি কোম্পানিতে হিসাবরক্ষক পদে চাকরি করি, আমাদের কোম্পানিটি একটি গার্মেন্টস পন্য উৎপাদনকারী একটি টেক্সটাইল কোম্পানি, বর্তমানে প্রায় প্রতিটি কোম্পানিতে ব্যাংকে লেনদেনের ক্ষেত্রে জামানত হিসাবে কিছু ফিক্সড ডিপোজিট করা লাগে, আমাদের কোম্পানিতে এ রকম কিছু এফ ডি আর বা ফিক্সট ডিপোজিট আছে, এছাড়াও আমাদের কোম্পানির লাভের কিছু অংশ এফ ডি আর করা আছে ও কিছু লোন আছে, যেহেতু আমি হিসাবরক্ষক তাই এই এফ ডি এর সুদ ও লোনের সুদের হিসেব আমার রাখতে হয়। আমার প্রশ্ন হলো,
রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, لَعَنَ رَسُولُ اللَّهِ -صلى الله عليه وسلم- آكِلَ الرِّبَا وَمُوكِلَهُ وَكَاتِبَهُ وَشَاهِدَيْهِ وَقَالَ هُمْ سَوَاءٌ.
রাসূল সা. সুদ দাতা, গ্রহীতা, লেখক, সাক্ষীদ্বয় সবার উপর লানাত দিয়েছেন এবং বলেছেন, তারা সবাই সমান। সহীহ মুসলিম, ৪১৭৭। আমি উপরে লিখেছি আমাদের কোম্পানিটি টেক্সটাইল কোম্পানি, তাহলে কি আমিও এই পাপের অন্তর্ভুক্ত হবো কিনা?
07 Jan 2026
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। সুদের হিসাব রাখলে উক্ত হাদীসের পাপের অন্তর্ভূক্ত হবে। তবে এই কোম্পানীর অন্য পদে চাকুরী করতে কোন সমস্যা নেই। সরাসরি সুদের সাথে যুক্ত এমন কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে।
প্রশ্নঃ 1315
আমার একটি স্টুডিও আছে। তো এখানে পাসফোট, স্টাম ও অন্যান্য সাইজের ছবি করতে হয়। আমার ব্যবসা হালাল হবে কি? যে উত্তরটা দেবেন তার পরিচয় দেবেন?
05 Jan 2026
আপনি ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহ. এই বিষয়ে কী বলেছেন তা জানতে এই লিংকে যান।
প্রশ্নঃ 1277
ইসলামি ব্যাংক এর Mudaraba Monthly Profit Deposit Account (MMPDA) নামে একটি সেবা/ পণ্য রয়েছে, যেখানে হিসাবধারীর জমাকৃত টাকার উপর মাসিক মুনাফা দেয়া হয় । তাদের ঘোষণা অনুযায়ী জমানো টাকা ব্যবসায় বিনিয়োগ করে মুনাফা প্রদান করা হয় । প্রশ্ন হচ্ছে এই মুনাফা কি সুদের আওতামুক্ত ও হালাল?
২) সরকারি প্রাইজ-বন্ডের লটারির টাকা কি হালাল?
৩) বাংলাদেশে এমন কোন প্রতিষ্ঠান আছে কি যারা সুদ-মুক্ত কর্জ প্রদান করে?
05 Jan 2026
১। যদি প্রকৃতপক্ষেই ব্যবসায় বিনিয়োগ করে মুনাফা করে তাহলে উক্ত টাকা নেয়া জায়েজ আছে। সুদ হবে না। ২। না, সরকারী প্রাইজবন্ডের লটারীর টাকা হালাল নয়। এই প্রসঙ্গে বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষ আলেম মাওলানা মুহাম্মাদ ইয়াহইয়া একটি প্রবন্ধে বলেছেন, প্রাইজবন্ড : সরকার প্রাইজবন্ড ছাড়ে। যা যে কোনো ব্যাংক থেকে ভাঙ্গানো যায়। একটা নির্ধারিত মেয়াদের পর লটারীর মাধ্যমে ড্র করা হয়। এরপর বিজয়ীদেরকে পুরস্কার দেওয়া হয়। এই পুরস্কারটাই রিবা নাসিয়্যাহ বা সুদ। প্রাইজবন্ড ক্রয়ের মাধ্যমে ব্যাংককে ঋণ প্রদান করা হচ্ছে। আর ব্যাংক প্রাইজ বা পুরস্কার দেয়ার নামে ক্রেতাকে সুদ দিচ্ছে।রিবার প্রচলিত কয়েকটি রূপ মাওলানা মুহাম্মাদ ইয়াহইয়া, মাসিক আলকাউসার, জুন-জুলাই ২০১৫, শাবান-রমযান ১৪৩৬। ৩। এমন কোন প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে আমার জানা নেই। ইসলামী ব্যাংকসমূহে যোগাযোগ করতে পারেন,তারা হয়তো আপনাকে কোন সঠিক পথ বের করে দিবেন।