আস-সুন্নাহ ট্রাস্ট এ আপনাকে স্বাগতম

প্রশ্নোত্তর

ক্যাটাগরি
সব প্রশ্ন অর্থনৈতিক আকিকা আকীদা নামায আখিরাত ব্যক্তিগত ও পারিবারিক আদব আখলাক ইতিহাস ঈদ-কুরবানী ঈমান তাওহীদ রিসালাত জানাযা-কবর যিয়ারত জান্নাত-জাহান্নাম জিহাদ তাফসীর ত্বহারাত পবিত্রতা সফর জুমআ তারাবীহ নফল সালাত বিতর পোশাক-পরিচ্ছেদ ফারায়েজ ফিতরা বিচার-আচার বিবাহ-তালাক মানত যাকাত যিকির/দুআ/আমল রোজা লেনদেন শিরক-বিদআত সাধারণ দান-সদকাহ সিরাত/সামায়েল সুন্নাত হজ্জ হাদীস ও উসূলুল হাদীস হালাল হারাম বিবিধ কুরআন হাদীস বাতিল ফিরকা দাওয়াত ও তাবলিগ জাদু-টোনা মসজিদ মুসাফির রমযান সুদ-ঘুষ হালাল ইতিকাফ কাজা/কাফফারা গুনাহ জায়েয তায়াম্মুম ব্যক্তিগত ও তাবলিগ সদকাহ বিদআত কসর তাওবা জিন-পরি ব্যবসা-বাণিজ্য বই অসিয়ত
প্রশ্নঃ 2133
Assalamualikum, amr prosno ta holo 2 waktao r namaj ak sata aga pora jay kina? jamon ami chittagong thala dhaka jabo 4 tar dika ami chittagong thaka asorar namaj pora rowana hobo kinto onek bus a magriber namajer somoy biroti da na ar fola magriber namaj kaja hoya jay, a karoma ami jabar aga Asor o magriber namaj 4 ta baja ak sata porta parbo kina?
20 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। না, আসর ও মাগবির এক সাথে পড়তে পারবেন না। তবে মাগরিব ও ইশা একসাথে ইশার সময়ে পড়তে পারেন বলে অধিকাংশ ফকীহ মত দিয়েছেন। বিস্তারিত জানতে দেখুন

প্রশ্নঃ 2079
সালাম দেওার সময় কি হাত তুলতে হয়?
18 Jan 2026

না, সালাম দেয়ার সময় হাত তুলতে হয় না।

প্রশ্নঃ 1931
আস-সালামু আলাইকুম ওয়া রহমতুল্লাহ, জনাব, আমার প্রশ্ন হচ্ছে, কেমন করে হস্ত মৈথুন থেকে বিরত থাকবো। এটা একটা কঠিন কাজ আমার কাছে। এটার শাস্তি ও বিরত থাকার উপায়সমুহ বলে দিন।
16 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আল্লাহকে ভয় করা, জাহান্নামকে ভয় করাই পাপ ছেড়ে দেয়ার প্রথম উপায়। সকল আলেমের নিকট এটা জঘন্য পাপ। পাপের শাস্তি আল্লাহ জাহান্নামে দিবেন। সুতরাং আপনি প্রথমত আল্লাহকে যথাযথ ভয় করুন। দ্বিতীয়ত যদি সামর্থ্য থাকে তাহলে বিবাহ করে নিন। এছাড়া রোজা রাখার পরামর্শ দিয়েছে রাসূলুল্লাহ সা.। বাজার একটা বই পাওয়া যাচ্চে, যার নাম হে আমার ছেলে মূল লেখক ড. আলী তানতাবী। আপনি উক্ত বইটি পড়লে আপনার অনেক উপকার হবে বলে মনে করছি।

প্রশ্নঃ 1837
যে কোন ভাবে, হাত থেকে কোরআন শরীফ নিচে পড়ে গেলে কি করা যায় । কাফফারা বা অন্য কি সমাধান আছে জানাবেন।
13 Jan 2026

কুরআন শরীফকে যথাযথ সম্মানের সাথে রাখা প্রত্যেক মূমিনের কতৃব্য। এরপরও যদি কোন সময় অসম্মান হয়ে যায় তাহলে আল্লাহ তায়ালার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে। কোন কাফফারা দিতে হবে না।

প্রশ্নঃ 1816
অনেক সময় অ্যাকজন মানুষ এর পা অপরজন মানুষ এর শরীরে অনিচ্ছায় লেগে ডায়। তখন আমরা যার গায়ে পা লেগেছে তার শরীরে হাত লাগিয়ে চুমু খাই……এ ব্যাপারে সহি বিধান জানাবেন।
13 Jan 2026

এটা দু:খ প্রকাশের একটি সামাজিক মাধ্যম। এখানে দোষের কিছু নেই। আপনি মৌখি দু:খও প্রকাশ করতে পারেন।

প্রশ্নঃ 1771
আস-সালামু আলাইকুম ১. সিয়াম থাকা আবস্তা আমার দাঁতের গোড়া থেকে রক্ত বেরোয়, যদি অজুর জন্য কুলি করি তবু রক্ত বেরোয়, আমার রোজা হবে কি? 2. আমি যেখানে কাজ করি সে হিন্দু। যখন সে পূজা করে তার ঠাকুরে বাসন আমাকে দিয়ে ধোয়ায়, ফুল আনায়, এটা কি করা আমার উচিত? আমি পূজা করিনা বা তার পূজার কিছু খাই না।
13 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম।

১। না, রক্ত বের হলে রোজার কোন ক্ষতি হয় না। তবে রক্ত যদি আপনি খেয়ে ফেলেন তাহলে রোজা ভঙ্গ হয়ে যাবে।

২। এটা গোনাহর কাজে এক ধরণের সহযোগীতা । কুরআনে গোনাহর কাজে সহযোগীতা করতে নিষেধ করা হয়েছে।আপনি এই কাজ থেকে সরে আসুুন। সচ্ছ কোন কাজ খুঁজুন। 

প্রশ্নঃ 1764
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু আলহামদুলিল্লাহ,আমি আগের প্রশ্ন গুলার উত্তর পেয়েছি,আল্লাহ আপনাদের উপর রহমত ও বরকত দান করুন। ১. দৈনন্দিন জীবনের আদব/সুন্নত (খাওয়া, ওযু, গোসল, ওয়াশরুম-এ যাওয়া ইত্যাদি) স্যার এর কোন বইতে পাওয়া যাবে? রাহে বেলায়েত বইতে দুআ গুলা পাই। আসলে অনেক জায়গায় অনেক রকম পড়ি বিভ্রান্ত লাগে,স্যার এর কোনো বইতে পেলে মানসিক শান্তি লাগে যেন সহীহ তা আমল করতে পারি।
13 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আমরা আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করছি যে,আমরা আপনাদের খেদমতে কিছু করতে পারছি। এগুলো নিয়ে স্যার রহ. নির্দিষ্ট কোন বই লেখেন নি। তবে খুতবাসহ স্যার রাহ. এর বইগুলো পড়লে বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন বিষয় পেতে পারেন।

প্রশ্নঃ 1617
কাউকে দাড়িয়ে কি সম্মান করা যাবে? যেমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে করা হয় এবং বড় কাউকে দেখলে দাড়িয়ে সালাম দেওয়া।
07 Jan 2026

عن أنس قال : لم يكن شخص أحب إليهم من رسول الله صلى الله عليه و سلم قال وكانوا إذا رأوه لم يقوموا لما يعلمون من كراهيته لذلك আনাস বিন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “সাহাবায়ে কিরামের নিকট রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অপেক্ষা কোন ব্যক্তিই অধিক প্রিয় ছিলো না। অথচ তাঁরা যখন তাঁকে দেখিতেন তখন দাঁড়াতেন না। কেননা, তাঁরা জানতেন যে, তিনি ইহা পছন্দ করেন না। ” সুনানু তিরমিযিو হাদীস নং ২৭৫৪। হাদীসটি সহীহ। সুতরাং এভাবে দাঁড়িয়ে সম্মান জানোনো উচিৎ নয়। তবে

প্রশ্নঃ 1602
Wife husband k name dhore dakte parbe ki? Jodi na pare tobe ki bhabe dakbe?
07 Jan 2026

ইসলামের দৃষ্টিতে বাধা নেই। তবে আমাদের সমাজ বিষয়টি ভালভাবে গ্রহণ করে না তই বিকল্প চিন্তা করা উচিত। মানুষ যেভাবে ডাকে সেভাবে ডাকবে।

প্রশ্নঃ 1595
বর্তমানে কিছু হিজাবী নারী মাথায় স্কার্ফ এভাবে পড়ে যে, মাথা অনেক উঁচু ও স্ফীত দেখায়। এটা হাদীসে নিষিদ্ধ উটের কুজের মত এর অন্তর্ভুক্ত কি না?
07 Jan 2026

স্বাভাবিকের চেয়ে উঁচু যদি হয় তাহলে এমন করা উচিত নয়। হাদীসের নিষেধাজ্ঞার মধ্যে পড়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।

প্রশ্নঃ 1524
খেলাধূলার ক্ষেত্রে ইসলামী মূলনীতি কী? কোন কোন খেলা বৈধ এবং কোন কোন খেলা অবৈধ?দাবা এবং ক্যারম খেলা কি বৈধ? কেউ কেউ বলে আঙ্গুল দ্বারা যেসব খেলা হয় সেসব নাকি নিষিদ্ধ?
07 Jan 2026

খেলাধুলার ক্ষেত্রে ইসলামের মূলনীতি নিম্নরূপ: খেলাধুলা প্রধানত দুই ধরনের। ১। জিহাদেন জন্য সহায়ক এমন খেলাধুলা। যেমন সাতার, তীর চালনা, ঘোড়া চালনা ইত্যাদি। এগুলো জায়েজ। ২। জিহাদের জন্য সহায়ক নয় এমন খেলাধুলা। এগুলো আবার দুই প্রকার। ১। হাদীসে নিষেধাজ্ঞা আছে এমন খেলা।যেমন পাশা খেলা। সহীহ মুসলিমের হাদীসে (হাদীস নং ২২৬০) রাসূলুল্লাহ সা. এই খেলা থেকে নিষেধ করেছেন। সুতরাং এই ধরনের খেলা হারাম। ২। হাদীসে নিষেধাজ্ঞা নেই এমন খেলা। এগুলো আবার দুই ভাগে বিভক্ত। ১। এমন খেলা যাতে হারাম জিনিসের উপস্থিতি থাকে বা প্রয়োজন হয়।যেমন বিভিন্ন ধরনের প্রতিমূর্তি এবং প্রাণীর ছবি। এই খেলাগুলো হারাম। ২। কোন হারাম জিনিস থাকে না। যেমন ফুটবল, ক্রিকেট, টেবিল টেনিস ইত্যাদি। এই ধরনের খেলা কয়েকটি শর্তসাপেক্ষে জায়েজ। ১। জুয়া থেকে মুক্ত হতে হবে। অর্থাৎ বাজি ধরে খেলতে পারবে না। ২। আল্লাহ তায়ালার যিকির থেকে বিরত রাখবে না। যেমন, নামায থেকে রিবত রাখবে না। এবং অন্যান্য ওয়াজিব আনুগত্য থেকেও বিরত রাখবে না। যেমন পিতামাতার দেখাশোনা, সন্তানদের খোঁজখবর নেয়া ইত্যাদি। ৩। খেলোয়াড় তার অধিকাংশ সময় খেলাধুলার পিছনে লাগাবে না। মানুষের মাঝে খেলোয়াড় হিসাবে প্রসিদ্ধ হবে না। খেলাকে পেশা হিসাবে গ্রহণ করবে না। খেলাকে পেশা হিসাবে গ্রহন করার বিষয়ে কুরআনে সতর্ক করে বলা হয়েছে الَّذِينَ اتَّخَذُواْ دِينَهُمْ لَهْوًا وَلَعِبًا وَغَرَّتْهُمُ الْحَيَاةُ الدُّنْيَا فَالْيَوْمَ نَنسَاهُمْ كَمَا نَسُواْ لِقَاء يَوْمِهِمْ هَذَا যারা তাদের ধর্মকে খেলাধুলারূপে গ্রহণ করবে এবং দুনিয়ার জীবন যাদেরকে ধোঁকায় ফেলবে আজ আমি তাদেরকে ভুলে যাবে যেমনভাবে তারা আজকের সাক্ষাতকে (কিয়ামতকে) ভুলে গিয়েছিল। সূরা আরাফ, আয়াত নং ৫১। ৪। খেলার কোন নির্দিষ্ট সময় থাকবে না। যেমন ৬০ মিনিটি, তিন ঘন্টা ইত্যাদি। এই হলো সংক্ষেপে খেলাধুলার মূলনীতি। তথ্যসূত্র, আল-ইসলাম সুয়াল ও জওয়াব, প্রশ্ন নং ২২৩০৫। (ইন্টাননেট, আরবী)। সুতরাং কেরাম খেলা যদি আল্লাহর যিকির ও বান্দার প্রতি কর্তব্য থেকে উদাসীন না করে তাহলে উপরের চারটি শর্তসাপেক্ষে বৈধ। আর দাবা খেলায় যেহেতু বিভিন্ন প্রতিমূর্তি ব্যবহার হয় তাই হারাম হবে। দাবা খেলার বিষয়ে শায়খ উসায়মিন রহ. বলেছেন, الشطرنج متى شغل عما يجب باطنا أو ظاهرا حرم باتفاق العلماء كما لو شغل عن واجب كالصلاة ، أو ما يجب من مصلحة النفس أو الأهل ، أو الأمر بالمعروف أو النهي عن المنكر أو صلة الرحم أو بر الوالدين ، أو ما يجب فعله من نظرٍ في ولاية أو إمامة أو غير ذلك من الواجبات ، فإنه حرام بإجماع المسلمين . وكذلك إذا اشتمل على محرم كالكذب أو اليمين الكاذبة أو الخيانة أو الظلم أو الإعانة عليه أو غير ذلك من المحرمات فإنه حرام بإجماع المسلمين). أما إذا لم يشغل عن واجب ولم يتضمن محرماً ، فقد اختلف العلماء في حكمه ، فذهب جمهور العلماء (أبو حنيفة ومالك وأحمد وبعض أصحاب الشافعي) إلى تحريمه أيضاً সংক্ষিপ্ত তরজামা হলো, দাবা যদি মানুষকে তার ওয়াজিব কাজগুলো থেকে বিরত রাখে তাহলে সকল আলেমের মতে হারাম। ওয়াজিব কাজ আল্লাহর হকের ক্ষেত্রে হতে পারে আবার বান্দার হকের ক্ষেত্রেও হত পারে।আর যদি ওয়াজিব কাজগুলো থেকে বিরত না রাখে তবুও অধিকাংশ আলেমের মতে হারাম। যেসব আলেম হারাম বলেছেন তাদের মধ্যে রয়েছে ইমাম আবু হানীফা, মালেক, আহমাদ রহ. এবং শাফেয়ী মাজাহাবের অনেক আলেম। মাজমউল ফাতাওয়া ৩২/২১৮-২৪০।তথ্যসূত্র, আল-ইসলাম সুয়াল ও জওয়াব, প্রশ্ন নং ১৪০৯৫। (ইন্টাননেট, আরবী)। সাহবীদের থেকেও দাবা খেলা হারাম হওয়াব ব্যাপারে বক্তব্য আছে। সুতরাং দাব খেলা বৈধ নয়। মোট কথা কিছু খেলা শর্তসাপেক্ষে জায়েজ । কিন্তু বর্তমানে এই সব খেলা মানুষদেরকে আল্লাহর জিকির থেকে বিরত রাখছে, বিভেদের কারণ হচ্ছে, ইচ্ছা অনিচ্ছায় অনেক হারামের ভিতর লিপ্ত করছে। সুতরাং খেলাধুলা থেকে বিরত থাকার মধ্যেই কল্যান ও বরকত। আশা করি আপনি আপনার প্রশ্নের উত্তর পেয়েছে। বিস্তারিত জানতে উক্ত তথ্যসূত্রগুলো দেখতে পারেন। সেখানে আরো বিস্তরিত দলীলসহ আছে।

প্রশ্নঃ 1490
পা ছুঁয়ে সালাম করা যাবে? বিয়ের পরে অনেক শ্বশুর-শাশুরি বাধ্য করে পা ছুঁয়ে সালাম করার জন্য, কি করবো?
06 Jan 2026

পা ছুঁয়ে সালাম করা ইসলামী সংস্কৃতি নয়। সুতরাং এটা বর্জন করা উচিত। আপনি কৌশলে এটা এড়িয়ে যাবেন।

প্রশ্নঃ 1449
আচ্ছালামু আলাইকুম, জীবনে অনেক বার ই কসম দিয়ে রক্ষা করতে পারি নাই। এর সংখ্যা যে কত তা ঠিক জানি ও না। এখন এর কাফফারা আমার কিভাবে আদায় করা উচিত?
06 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। মানুষ অনেক সময় কসম করে রক্ষা করতে পারে না। এর বদলা হিসাবে আল্লাহ তায়ালা কাফফারার ব্যবস্থা করেছেন। একাধিক বিষয়ে কসম ভাঙলে কাফফারা একাধিক দিতে হবে। আপনি একটা অনুমান করে নির্ধারণ করুন কতটি কসম আপনি ভেঙেছেন সেই হিসাবে সামর্থ অনুযায়ী আপনি কাফফারা দেবার চেষ্টা করুন। আর আল্লাহ তায়ালার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন। নিশ্চয় তিনি আপনাকে ক্ষমা করে দিবেন। কাফফারা হলো: দশজন ফকির-মিসকিনকে খাবার খাওয়ানো। খাবারের মান হবে নিজের পরিবারের লোকজন যেমন খাবার খেয়ে থাকে। অথবা দশজন ফকির-মিসকিনকে কাপড় দেয়া। প্রত্যেককে কমপক্ষে এতটুকু কাপড় দেয়াযার দ্বারা নামাজ আদায় করা যায়। অথবা একজন কৃতদাস মুক্ত করা। যদি এর কোনোটি সম্ভব না হয়, তাহলে ধারাবাহিকভাবে তিনদিন রোজা রাখতে হবে। এ বিষয়ে পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, لاَ يُؤَاخِذُكُمُ اللَّهُ بِاللَّغْوِ فِي أَيْمَانِكُمْ وَلَكِن يُؤَاخِذُكُم بِمَا عَقَّدتُّمُ الأَيْمَانَ فَكَفَّارَتُهُ إِطْعَامُ عَشَرَةِ مَسَاكِينَ مِنْ أَوْسَطِ مَا تُطْعِمُونَ أَهْلِيكُمْ أَوْ كِسْوَتُهُمْ أَوْ تَحْرِيرُ رَقَبَةٍ فَمَن لَّمْ يَجِدْ فَصِيَامُ ثَلاَثَةِ أَيَّامٍ ذَلِكَ كَفَّارَةُ أَيْمَانِكُمْ إِذَا حَلَفْتُمْ وَاحْفَظُواْ আল্লাহ তায়ালা অনর্থক শপথের জন্য তোমাদেরকে দায়ী করবেন না। কিন্তু যেসব শপথ তোমরা ইচ্ছাকৃতভাবে কর, সে সবের জন্য তিনি তোমাদের দায়ী করবেন। এর কাফফারা হলো, দশজন ফকির-মিসকিনকে মধ্যম ধরনের খাবার দান, যা তোমরা তোমাদের পরিজনদের খেতে দাও। অথবা তাদেরকে কাপড় দান কিংবা একজন কৃতদাস মুক্তি। আর যার সামর্থ্য নেই, তার জন্য তিনদিন রোজা রাখা। এটাই তোমাদের কসমের কাফফারা। [সুরা মায়িদা : ৮৯] আল্লাহ তায়লা ভাল জানেন।

প্রশ্নঃ 1391
মুহতারামঃ আসসালামু আলাইকুম। আমাদের দেশে বিভিন্ন ওয়াজ মহাফিলে বক্তারা একে অন্যের (এক আলেম অন্য আলেমের) সমালোচনা করে থাকেন, যা মাঝে মাঝে খুবই আপত্তিকরও হয়। বিশেষ করে ড. জাকির নায়েক এই আক্রমনের শিকার বেশি হন (অথচ তিনি বাংলাদেশের কোন আলেম সম্পর্কে কক্ষনো কটু কথা বলেন বলেছে বলে যানা যায় না)। কোন বক্তা এই ধরনের বক্তব্য দিতে থাকলে সেই ওয়াজ মহাফিলে থাকা ঠিক হবে কি? নাকি তার ওয়াজ শুনলে গিবত/অপবাদ শুনার গুনাহ হবে? যাযাকুমুল্লাহ
05 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। শুধু ওয়াজ মাহফিলের বক্তা নয়, যারাই এমন কাজে লিপ্ত হবে তাদেরকে ত্যাগ করতে হবে। সম্ভব হলে সাধ্যমত প্রতিবাদও করবেন।

প্রশ্নঃ 1095
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ জাজাকাল্লাহ খাইরান,আমি আমার আগের প্রশ্ন গুলোর উত্তর পেয়েছি। আমার আজকের প্রশ্ন : ওষুধ খাওয়ার সময় কি বলে খেতে হবে? বিসমিল্লাহ নাকি অন্য কোনো দুআ আছে? অন্য কোনো দুআ থাকলে সেইটা কি?
04 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আমরা আপনাদের খেদমত করতে পারছি জেনে আল্লাহ তায়ালার শুকরি আদায় করছি। আপনি সম্ভবত এর আগে এই প্রশ্নটির সাথে আরো একটি প্রশ্ন করেছিলেন আল্লাহ কোথায় এই ব্যাপারে। দুটি প্রশ্রের উত্তর এক সাথে দিয়ে দিচ্ছি।

১. ওয়া আলাইকুমুস সালাম। ওষুধ খাওয়ার সময় বিসমিল্লাহ বলবেন।

২. আল্লাহ কোথায় আছে সে সম্পর্কে হাফেজ ইবনে কাসীর বলেন,

فللناس في هذا المقام مقالات كثيرة جدا، ليس هذا موضع بسطها، وإنما يُسلك في هذا المقام مذهب السلف الصالح: مالك، والأوزاعي، والثوري، والليث بن سعد، والشافعي، وأحمد بن حنبل، وإسحاق بن راهويه وغيرهم، من أئمة المسلمين قديما وحديثا، وهو إمرارها كما جاءت من غير تكييف ولا تشبيه ولا تعطيل

আসমান ও জমিনকে আল্লাহ ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন, এই ছয় দিনের ব্যস্ততার পর আল্লাহ তাআলা আরশের উপর সমাসীন হন। আল্লাহ আরশের উপর সমাসীন এ স্থানে লোকেরা বহু মতামত পেশ করেছেন বহু জল্পনা-কল্পনা করেছেন। এগুলর ব্যাখ্যা দেওয়ার সুজোগ এখানে নেই। এ ব্যাপারে আমরা শুধু মাত্র পূর্ববর্তী সহীহ আমলকারী বিজ্ঞজনদের মতামত অবলম্বন করেছি। তারা হচ্ছেন ইমাম মালিক, আওযায়ী, সাউরী,লায়েস ইবন সাদ, শাফিঈ, আহমাদ ইবন হাম্বল, ইসহাক ইবন রাহওয়াহ এবং ইসলামের নবীন ও প্রবীন গ্রহণযোগ্য মুসলিম ইমামগন।

আর তাদের মতামত হচ্ছে এই যে, কোন রকম সাদৃশ্য স্থাপন ছাড়াই এইটার(আল্লাহ আরশে সমাসীন এইটার) উপর বিশ্বাস রাখতে হবে। মোট কথা যা কিছু আল্লাহ তাআলা বলেছেন ওইটাকে কোন খেয়াল ও সন্দেহ ছাড়াই মেনে নিতে হবে এবং কোন চুল-চেরা বিশ্লেষণ করা চলবে না তাফসীরে ইবনে কাসীর, সূরা আরাফ, আয়াত নং ৫৪।

অর্থাৎ আল্লাহ বলেছেন তিনি আরশে সুতরাং কোন প্রকার বিশ্লেষণ ছাড়াই মেনে নিতে হবে যে আল্লাহ আরশে সমাসীন এবং আল্লাহ আরশে সমাসীন এইটার কোন সাদৃশ্য ও কল্পনা করা যাবে না কেননা কোন কিছুই তার মত নয়। এই বিষয়ে ইমাম মালেক রহ.কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন,

الاستواء معلوم والكيفية مجهولة، والسؤال عنه بدعة، والايمان به واجب

আল্লাহ তাআলার আরশে ইস্তিওয়া এর বিষয়টি জানা যায়, কিন্তু অবস্থা অজানা। এ বিষয়ে প্রশ্ন করা বিদআত। আর এ বিষয়ে ঈমান রাখা ওয়াজিব। তাফসীরে মানার. সূরা আল-ইমরান আয়াত নং৭। আশা করি বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন। আর আপনি ছেলেকে যা বলেছেন তা বলতে পারেন।

এই বিষয়ে বিস্তারিত জানতে দেখুন শায়খ ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রচিত আল-ফিকহুল আকবার, বঙ্গানুবাদ ও ব্যাখ্য এবং ইসলামী আকীদা বইটি। আমার আপনার ছেলের জন্য দুআ করি আল্লাহ তাকে দীনের দায়ী হিসাবে কবুল করুন।

প্রশ্নঃ 1080
আখলাক ভালো করার কোনো কোরান ও সুন্না মোতাবেক কোনো দুআ আছে?
04 Jan 2026

আপনি ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহ. রচিত "রাহে বেলায়াত" বইটি দেখুন, ওখানে আপনার কাঙ্খিত সংকল দুআ পাবেন ইনশাআল্লাহ।

প্রশ্নঃ 1029
আমরা যে বাসায় ভাড়া থাকি এই বাসায় উঠার পর থেকেই দেখছি আমার বাসার অথবা বাড়িওলার বাসার অথবা দারোয়ান এর সংসার এ (অন্য ভাড়াটিয়াদের সাথে যোগাযোগ নেই) অসুখ যেন লেগেই থাকে। আমার সন্দেহ হয় বাড়ি টা ভালো না মানে বাড়িটা ভালো জায়গায় পরে নাই,হতে পারে নাপাক জায়গায় বাড়ি করা হয়েছে অথবা অন্য কিছু । রোগ -ব্যাধি তো আল্লাহর পক্ষ থেকেই আসে আবার এটাও তো ঠিক খারাপ জায়গাও তো হয় যেমন আমরা মনে করি শশান খারাপ জায়গা,খারাপ জীন থাকে। আসলেই খারাপ জায়গা বলে কিছু কি আছে? আমার এই খারাপ মনে করা বা ধারণা করাটা কি পাপ হইতেছে?
04 Jan 2026

আপনি যেটা মনে করছেন সেটা কুসংস্কার ছাড়া কিছু নয়। খারাপ জায়গাতে বাড়ি হওয়ার কারনে রোগ-ব্যাধি হচ্ছে এই ধারণা অমূলক। আর এই ধরনের খারাপ জায়গা বলতে কিছু নেই। আপনি আল্লাহর কাছে দুআর করুন যেন, তিনি সব ধরণের রোগ- ব্যধি দূর কর দেন। আমরাও আপনার জন্য দুআ করছি।

প্রশ্নঃ 978
গোসল করার আগে অজু করে এর পর গোসল করার সময় কাপড়ের উপর দিয়ে লজ্জাস্থানে স্পর্শ লাগলে কি অজু নষ্ট হয়ে যাবে? এবং আবার অজু করতে হবে কি না?
03 Jan 2026

না, এতে ওযুর কোন সমস্যা হবে না।

প্রশ্নঃ 970
আসসালামুআলাইকুম, পবিত্র কোরআনের তিলাওয়াতে সেজদার আয়াত পাঠ করেছি। আবার তখন সূর্যও পুরোপুরি উঠে নাই। (মানে তখন সূর্য উঠতেছে) তাহলে আমি সেজদা টা কখন আদায় করব? যখন পাঠ করেছি তখনি নাকি সূর্য পুরোপুরি উঠার পর?
03 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুুস সালাম। সূর্য পুরোপুরি উঠার পর করবেন।

প্রশ্নঃ 933
আস সালামু আলাইকুম। আমার প্রশ্ন হল খাবার খাওয়ার পর কি প্লেটে হাত ধোয়া যাবে?
03 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। খাবারের পর প্লেটো হাত ধোয়া যাবে।এতে কোন সমস্যা নেই।

প্রশ্নঃ 798
১। অনেকে বলে যে চুল কালার করলে নামায় হয় না(সাদা চুল কলপ বা অন্য কিছু ব্যবহার করে) এই সম্পকে কোন হাদীস আছে? ২। কারোর গায়ে লাথি লগলে কুরআন ও হাদীসের আলোকে কি করতে হবে?
01 Jan 2026

সাদা চুল কালো করলে নামায হয় নাএই কথা ঠিক নয়। তবে বয়সের কারণে চুল পাকলে সেই চুলে কালার করা না জায়েজ। কারো গায়ে লাথি লাগেল যে যদি অপমানিত বোধ করে তাহলে তার কাছে দু:খ প্রকাশ করবেন।

প্রশ্নঃ 742
আসসালামু আলাইকুম। আল্লাহ্ স্যার কে জান্নাত নসীব করুন। আমার প্রশ্ন হলঃ কারো কাজ-কারবার অথবা কথা বার্তায় মনে কষ্ট এলে তার বিরুদ্ধে যদি কারো কাছে গীবত না করে, নিজে নিজেই বিরক্তি প্রকাশ করি (যেমনঃ একজনের একটা কাজ আমার খুব বেশি মাত্রায় অপছন্দনিয় হল। সে আমার কাছ থেকে চলে যাওয়ার পর আমি নিজে নিজেই বিরক্তি সহ কারে বললাম, বেটা আবুল মার্কা কথা বলে, ফালতু কথা বলে, মাথার মধ্যে কিছুই নাই) এই জাতীয় কথা আমি নিজে নিজেই বকলাম। জনাবের কাছে আমার প্রশ্ন হল, এতে কি আমি গুনাহগার হবে? জানতে পারলে খুব উপকৃত হব। কারন এটা আমার ক্ষেত্রে বেশি পরিমান হয়ে থাকে।
31 Dec 2025

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আমরাও দুআ স্যার রহ. যেন জান্নাতবাসী হোন। কারো দোষত্রুটি অন্যের কাছে বললে তখন গীবত হবে, গুনাহ হবে। নিজে নিজে বললে গুনাহ হবে না। তবে এসব থেকেও বিরত থাকাই ভাল। কারণ এটা একটি অনর্থক কাজ আর কুরআনে সূরা মুমিনুনে আল্লাহ তায়ালা অনর্থক কাজ থেকেও বিরত থাকতে বলেছেন।

প্রশ্নঃ 674
কোন বিবাহিত মেয়ে যদি তার কওমি মাদ্রাসার হুজুরদের সাথে হাস্য রসিকতা করে তবে কি ঐ মেয়ের স্বামী দাইয়ুস হবে? এক্ষেত্রে স্বামীর করণীয় কি? স্বামী কি ঐ মেয়েকে মাদ্রাসায় পড়ানো বাদ দেওয়াবে? জানিয়ে উপকৃত করবেন।
30 Dec 2025

কওমী, আলীয়া, স্কুল, কলেজ বা ইউনিভার্সিটি যেখানেই হোক কোন মুসলিম প্রাপ্ত বয়স্ত মেয়ের জন্য গায়রে মাহরাম কোন পুরুষের সাথে হাস্য-রসিকতা জায়েজ নেই। কেউ এমন করলে তা থেকে বিরত রাখতে যা যা করার তা করতে হবে। আপনার প্রশ্নের উত্তরে বলছি, আপনি পড়ানো বাদ দিতে পারেন।

প্রশ্নঃ 571
কোন ভালো কাজ করার পরে মনের মধ্যে খুশি খুশি লাগে? এটা কি আহঙ্কার? সেক্ষেত্রে কি করনীয়?
29 Dec 2025

না, কোন ভাল কাজ করে মনের মধ্যে ভাল লাগা, খুশি লাগা অহঙ্কার নয়। শয়তান অনেক সময়্ এমন ধারনা দিযে আমাদেরকে ভাল কাজ থেকে দূরে রাখতে চাই। আমরা আপনার জন্য দুআ করি আল্লাহ যেন আপনাকে বেশী বেশী ভাল কাজ করা তাওফিক দেন। আমীন।

প্রশ্নঃ 541
আস-সালামু আলাইকুম, অনেকেই ইসলাম এর কথা বলতে গিয়ে অন্য ধর্মের দেবতাদের খারাপ কথা বলে, এটা সম্পর্কে ইসলাম কি বলে? কুরআন ও সহিহ হাদিস এর আলোকে উত্তরটা দিলে খুশি হব।
29 Dec 2025

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে বলেছেন, وَلَا تَسُبُّوا الَّذِينَ يَدْعُونَ مِنْ دُونِ اللَّهِ فَيَسُبُّوا اللَّهَ عَدْوًا بِغَيْرِ عِلْمٍ অর্থ: যারা আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো ডাকে (ইবাদত করে) তোমার তাদেরকে গালি দিয়ো না, কেননা না জানার কারণে হয়তো তারা আল্লাহকেই গালি দিবে। সুরা আনয়াম ১০৮। এই আয়াতে আল্লাহ ব্যাতিত অন্য কোন ইলাহ কিংবা দেবদেবীর উপাস্যদের গালী দিতে নিষেধ করা হয়েছে। সুতরাং কারো জন্য উচিত নয় দেবদেবীর কিংবা অন্য কোন ইলাহ বা উপাস্যদের ব্যাপারে খারাপ কথা বলা। তবে দেবদেবী যে ইলাহ হওয়ার যোগ্যত রাখে না এটা যুক্তির সাথে বলা যাবে বরং বলতে হবে। কুরআনুল কারীমের বহু আয়তে মূর্তি যে ইলাহ হওয়ার যোগত্য রাখে না সেই বিষয়ে উদাহরণ দিয়ে বুঝানো হয়েছে। নিচের আয়তটি লক্ষ করুন: وَاذْكُرْ فِي الْكِتَابِ إِبْرَاهِيْمَ إِنَّهُ كَانَ صِدِّيْقاً نَّبِيًّا، إِذْ قَالَ لِأَبِيْهِ يَا أَبَتِ لِمَ تَعْبُدُ مَا لاَ يَسْمَعُ وَلاَ يُبْصِرُ وَلاَ يُغْنِي عَنكَ شَيْئاً، يَا أَبَتِ إِنِّي قَدْ جَاءنِيْ مِنَ الْعِلْمِ مَا لَمْ يَأْتِكَ فَاتَّبِعْنِيْ أَهْدِكَ صِرَاطاً سَوِيّاً، يَا أَبَتِ لاَ تَعْبُدِ الشَّيْطَانَ إِنَّ الشَّيْطَانَ كَانَ لِلرَّحْمَنِ عَصِيّاً، يَا أَبَتِ إِنِّيْ أَخَافُ أَن يَمَسَّكَ عَذَابٌ مِّنَ الرَّحْمَن فَتَكُوْنَ لِلشَّيْطَانِ وَلِيّاً-(مريم ৪১-৪৫)- তুমি এই কিতাবে ইবরাহীমের কথা বর্ণনা কর। নিশ্চয়ই তিনি ছিলেন সত্যবাদী ও নবী। যখন তিনি তার পিতাকে বললেন, হে আমার পিতা! তুমি তার পূজা কেন কর, যে শোনে না, দেখে না এবং তোমার কোন উপকারে আসে না?)। হে আমার পিতা! আমার কাছে এমন জ্ঞান এসেছে, যা তোমার কাছে আসেনি। অতএব তুমি আমার অনুসরণ কর। আমি তোমাকে সরল পথ দেখাব। হে আমার পিতা! শয়তানের পূজা করো না। নিশ্চয়ই শয়তান দয়াময়ের অবাধ্য। হে আমার পিতা! আমি আশংকা করছি যে, দয়াময়ের একটি আযাব তোমাকে স্পর্শ করবে, অতঃপর তুমি শয়তানের বন্ধু হয়ে যাবে।-মারিয়াম ৪১-৪৫

প্রশ্নঃ 428
আসসালামু আলাইকু। কদমবুছি করা, কি জায়েজ?
28 Dec 2025
ওয়া আলাইকুুমুস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ।
এটা একটি কুসংস্কার। কোন মূমিনের কদমবুচি করা উচিৎ নয়। বিস্তারিত জানতে দেখুন, আস-সুন্নাহ পাবলিকেশন্স থেকে প্রকাশিত এহইয়াউস সুনান, পৃষ্ঠা ৩৮৬-৩৮৮।
প্রশ্নঃ 347
আস্সালামু আলাইকুম। আমার প্রশ্নটা হল আঙ্গুল ফুটানো নিয়ে। আমি দীর্ঘ দিন যাবত একটি বিষয় লক্ষ্য করিয়াছি যে, আজকাল বেশির ভাগ মানুষ তাদের আঙ্গুল এত বেশি পরিমানে ফুটিয়ে থাকেন যা অনেকটাই তাদের কাছে নেশার মত হয়ে গেছে। অনেকে নামাজের সালাম ফিরানোর সাথে সাথে আঙ্গুল ফুটানোর জন্য ব্যতিব্যস্ত হয়ে পরেন। আঙ্গুল না ফুটিয়ে তারা যেন মোটেও স্বস্তি পাচ্ছেন না। এই ভাবে আঙ্গুল ফুটানোর উপর ইসলামের কোন বিধি নিষেধ আছে কিনা, দয়া করে জানালে খুবই উপকৃত হইব। ধন্যবাদান্তে, মোঃ জাহাঙ্গীর খান, কুনিয়া, তারগাছ, গাজীপুর।
28 Dec 2025
ওয়া আলাইকুমুস সালাম।
নামাযে সমস্যা সৃষ্টি করে এমন যাবতীয় বস্তু থেকেই আমাদের বিরত থাকতে হবে। নামাযের ভিতর আঙ্গুল ফোটানোর ব্যাপারে একটি যয়ীফ হাদীসে নিষেধাজ্ঞার কথা এসছে। নামাযের সালামের পরে আঙ্গুল ফুটানো যাবে না এই মর্মে কোন হাদীস আমাদের জানা নেই। তবে বিনা প্রয়োজনে মসজিদে এই ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকা উচিৎ।
প্রশ্নঃ 322
স্যার, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ ওয়া বারাকাতুহু। এই লিঙ্কের ভিডিও-র আনুমানিক ৫৪মিনিট ২০সেকেন্ড-এর অংশে এই বক্তা বলেছেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লালাহু অলাইহিওয়াসাল্লাম (একবার ) দাড়িয়ে পেশাব করেছেন, কথাটা কি সত্য? https://www.youtube.com/watch?v=ZUe3BBE_sh4ebc=ANyPxKpi9p-Gu0fu0O_hduPVqXUrMceIovnRy6NxcFclDrhYYaANTVCksOP4omFWDxDqRJ_fZZdv আশাকরি উত্তর দিয়ে বাধিত করবেন। সাইফুল ইসলাম হাওলাদার, টোকিও, জাপান
28 Dec 2025
ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ।
হ্যাঁ, একটি হাদীসে উল্লেখ আছে যে, রাসূলুল্লাহ সা. একবার দাঁড়িয়ে পেশাব করেছিলেন। জামে তিরমিযী হাদীস নং ২৬। তবে ঐ একবারই তিনি এমনটি করেছিলেন। অন্যান্য সকল হাদীসে তিনি বসে পেশাব করেছেন বলে উল্লেখ আছে। এমন কি আয়েশা রা. বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সা. দাঁড়িয়ে পেশাব করেছিলেন একথা বিশ্বাস করবে না। জামে তিরমিযী, হাদীস নং ২৯। সুতরাং সাধারণ অবস্থায় দাঁড়িয়ে পেশাব করা উচিৎ নয়। তবে বিশেষ কোন প্রয়োজনে এমনটি করলে অনুচিৎ হবে না।

কপিরাইট স্বত্ব © ২০২৫ আস-সুন্নাহ ট্রাস্ট - সর্ব স্বত্ব সংরক্ষিত| Design & Developed By Biz IT BD