আস-সুন্নাহ ট্রাস্ট এ আপনাকে স্বাগতম

প্রশ্নোত্তর

ক্যাটাগরি
সব প্রশ্ন অর্থনৈতিক আকিকা আকীদা নামায আখিরাত ব্যক্তিগত ও পারিবারিক আদব আখলাক ইতিহাস ঈদ-কুরবানী ঈমান তাওহীদ রিসালাত জানাযা-কবর যিয়ারত জান্নাত-জাহান্নাম জিহাদ তাফসীর ত্বহারাত পবিত্রতা সফর জুমআ তারাবীহ নফল সালাত বিতর পোশাক-পরিচ্ছেদ ফারায়েজ ফিতরা বিচার-আচার বিবাহ-তালাক মানত যাকাত যিকির/দুআ/আমল রোজা লেনদেন শিরক-বিদআত সাধারণ দান-সদকাহ সিরাত/সামায়েল সুন্নাত হজ্জ হাদীস ও উসূলুল হাদীস হালাল হারাম বিবিধ কুরআন হাদীস বাতিল ফিরকা দাওয়াত ও তাবলিগ জাদু-টোনা মসজিদ মুসাফির রমযান সুদ-ঘুষ হালাল ইতিকাফ কাজা/কাফফারা গুনাহ জায়েয তায়াম্মুম ব্যক্তিগত ও তাবলিগ সদকাহ বিদআত কসর তাওবা জিন-পরি ব্যবসা-বাণিজ্য বই অসিয়ত
প্রশ্নঃ 2109
আসসালামু আলাইকুম, জুমাআর সলাত সম্পাদনের পর, যদি আমি মসজিদে চার রকাত সলাত আদায় করতে চাই তাহলে কি আমি এক সালামে চার রকাত সালাত আদায় করবো? না দুই রকাত সলাত পড়ে সালাম ফিরিয়ে, আবার দুই রকাত পড়ব? বিস্তারিত জানাবেন ইনশাআল্লাহ।
19 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম।এক সালামেও পড়তে পারেন আবার দুই সালামেও পড়তে পারেন। বাধা ধরা কোন নিয়ম নেই। তবে আমার মনে হয় এক সালামে পড়াই ভাল।

প্রশ্নঃ 2038
আমাদের দেশে আহলে হাদিস মসজিদে প্রতিনিয়ত খুতবা হয় ১ ঘন্টা ১৫ মিনিট কখনো ১ ঘন্টা ৩০ মিনিট কিন্তু নামাজ হয় ৫ হতে ৭ মিনিট। এটি কি সুন্নাত সম্মত? হলে দলিলসহ জানতে চাই।
18 Jan 2026

দুই রাকআত নামায পড়তে তো ৫-৭ মিনিটই লাগার কথা। বক্তব্য তো লম্বা হতেই পারে। সমস্য কোথায় বুঝলাম না। নামাযের ওয়াক্তের ভিতর নামায পড়লেই তো হলো।

প্রশ্নঃ 1956
আসসালামু আলাইকুম, আমার প্রশ্ন হলো ১- জুম্মার দিন বাদ আসর কেউ যদি এই দরুদ -আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিনিন নাবিয়্যিল উম্মিয়্যি ওয়ালা আলিহি ওয়াসাল্লিম তাসলীমা পড়ে তাহলে তার জীবনের 80 বছরের গুনাহ মাফ হয়ে যাবে। এর কি কোনো দলিল আছে? ২-গরু কোরবানি করার সঠিক সুন্নতি পদ্ধতি কি?
17 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। ১। না, কোন দলীল নেই। ২। স্পষ্ট করে প্রশ্নটি করুন। আপনি কী জানতে চাচ্ছেন তা স্পষ্ট নয়।

প্রশ্নঃ 1955
জুমা নামাজ শেষে আমাদের মসজিদে হুজুর মুনাজাত ধরে সেই মুনাজাতে কি আমিও অশংগ্রহন করতে পারবো?
17 Jan 2026

আপনার ইচ্ছা। বিস্তারিত জানতে দেখুন, আমাদের দেয়া 29 নং প্রশ্নের উত্তর।

প্রশ্নঃ 1945
আসসালামু আলাইকুম… জুমআর সালাত নিয়ে আমার কিছু প্রশ্ন আছে…১)আমাদের দেশের মসজিদে জুমআর সালাত আদায়ের ৩ খুতবা সম্বলিত পদ্ধতি কি সুন্নাহ সম্মত?! যেখানে শুনেছি রাসূল(সঃ) ২ খুতবায় শেষ করতেন… ২) ফরয এর আগে-পরে বাদাল জুমআ ও ক্বাবলাল জুমআ এর ৪ রাকাত কি সুন্নাহ সম্মত?! আমি শুনেছি যে রাসূল(সঃ) ফরযের পূর্বে ২ রাকাত ২ রাকাত করে করে যত ইচ্ছা তত আদায় করার নির্দেশ দিয়েছিলেন…! আর ফরযের পরে তিনি ঘরে গিয়ে ২ রাকাত আদায় করতেন এবং মসজিদে হলে ৪ রাকাত আদায় করতেন… ৩) এখন আরেকটা প্রশ্ন হলো এই সালাত গুলোর নিয়্যত কি হবে? সুন্নাত নাকি নফল সালাতের?
16 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। ৩ খুতবা সম্বলিত পদ্ধতি এই কথাটি ঠিক নয়। এই ধরণের কথা আপত্তিকর।নিশ্চয় আপনি এই কথাটি নিজ থেকে বলছেন না, কারো থেকে শুনেছেন। জুমুআর খুৎবার আগে মানুষের বুঝার জন্য একটি বাংলা বক্তৃতা হয়। আর জুমুআর খুৎবার আগে বক্তৃতা করা সহীহ সূত্রে সাহাবীদের থেকে প্রমানিত। আবু হুরায়রা রা. রাসূলুল্লাহ সা. খুতবা দিতে আসার পূর্বে মানুষদেরকে হাদীস শুনাতেন বলে হাদীসে বর্ণিত আছে। মুসতাদরক হাকিম, হাদীস নং ৩৬৭। যারা আরবী জানেন তাদের জন্য হাদীসটির মূল পাঠ দিয়ে দিলাম। 7- أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ سَلْمَانَ الْفَقِيهُ ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِسْحَاقَ الْقَاضِي ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ ، حَدَّثَنَا عَاصِمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ زَيْدٍ ، عَنْ أَبِيهِ ، قَالَ : كَانَ أَبُو هُرَيْرَةَ يَقُومُ يَوْمَ الْجُمُعَةِ إِلَى جَانِبِ الْمِنْبَرِ فَيَطْرَحُ أَعْقَابَ نَعْلَيْهِ فِي ذِرَاعَيْهِ ثُمَّ يَقْبِضُ عَلَى رُمَّانَةِ الْمِنْبَرِ ، يَقُولُ : قَالَ أَبُو الْقَاسِمِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، قَالَ مُحَمَّدٌ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : قَالَ الصَّادِقُ الْمَصْدُوقُ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، ثُمَّ يَقُولُ فِي بَعْضِ ذَلِكَ : وَيْلٌ لِلْعَرَبِ مِنْ شَرٍّ قَدِ اقْتَرَبَ فَإِذَا سَمِعَ حَرَكَةَ بَابِ الْمَقْصُورَةِ بِخُرُوجِ الإِمَامِ جَلَسَ هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ عَلَى شَرْطِ الشَّيْخَيْنِ وَلَمْ يُخَرِّجَاهُ ইমাম হাকীম হাদীসটি বর্ণনা করার পর বলেছেন, এই হাদীস থেকে প্রমাণিত হয়, ইমাম সাহেব খুতবা দিতে আসার পূর্বে হাদীস বর্ণনা করা মুস্তাহাব। রাসূলুল্লাহ সা. জুমুআর ফরজ সালাতের পূর্বে সুন্নাত সালাত আদায়ের জন্য বলেছেন। সহীহ বুখারীর এই হাদীসটি লক্ষ করুন: عَنْ سَلْمَانَ الْفَارِسِيِّ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم : مَنِ اغْتَسَلَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ وَتَطَهَّرَ بِمَا اسْتَطَاعَ مِنْ طُهْرٍ ثُمَّ ادَّهَنَ ، أَوْ مَسَّ مِنْ طِيبٍ ثمَّ رَاحَ فَلَمْ يُفَرِّقْ بَيْنَ اثْنَيْنِ فَصَلَّى مَا كُتِبَ لَهُ ثُمَّ إِذَا خَرَجَ الإِمَامُ أَنْصَتَ غُفِرَ لَهُ مَا بَيْنَهُ وَبَيْنَ الْجُمُعَةِ الأُخْرَى সালমান ফারসী রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলূল্লাহ সা. বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমুআর দিন ভালভাবে গোসল করে তেল বা সুগন্ধি ব্যবহার করে (মসজিদে) গমন করবে অতঃপর (মসজিদে) কাউকে না ডিঙিয়ে সাধ্যানুযায়ী নামায পড়বে এবং যখন ইমাম খুতবা দেয়ার জন্য বের হবে তখন চুপ করে তা শুনবে, তার এক জুমুআ থেকে অপর জুমুআর মাঝের সব গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে। সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৯১০। এই হাদীসে রাকআত সংখ্যা নির্দিষ্ট করা হয় নি। আলেমগণ বলেছেন দুই রাকআত থেকে শুরু করে যত ইচ্ছা পড়বে, যত বেশী পড়বে সওয়াব ততো বেশী হবে। রাকআত সংখ্যার ব্যাপারে বিভিন্ন সাহবী থেকে বিভিন্ন সংখ্যা বর্ণিত আছে। দুই রকআত. চার রাকআত ইত্যাদি। চার রাকআতের বিষয়ে নিচের হাদীসটি লক্ষ্য করুন: عبد الرزاق عن الثوري عن عطاء بن السائب عن أبي عبد الرحمن السلمي قال كان عبد الله يأمرنا أن نصلي قبل الجمعة أربعا وبعدها أربعا حتى جاءنا علي فأمرنا أن نصلي بعدها ركعتين ثم اربعا অর্থ: ( তাবেঈ) আবু আব্দুর রহমান আস-সুলামী বলেন, সাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. আমাদেরকে জুমুআর পূর্বে চার রাকআত এবং পরে চার রাকআত নামায পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এরপর আলী রা. আমাদেরকে জুমুআর পর প্রথমে দুই রাকআত এরপর চার রাকআত পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন। মুসান্নাফু আব্দুর রায্যাক, হাদীস নং ৫৫২৫। এই হাদীসটির বিষয়ে শায়খ আলবানী রহ. বলেছেন, وهذا سند صحيح لا علة فيه অর্থ: এটা সহীহ সনদ, তাতে কোন সমস্যা নেই। সিলসিলাতুয যয়ীফাহ, ১০১৬ নং হাদীসের আলোচনা। উক্ত সহীহ হাদীসটি দ্বারা আমারা জানতে পারলাম যে, প্রখ্যাত সাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. চার রাকআত ক্ববলাল জুমুআ ও চার রাকআত বাদালা জুমুআ পড়ার আদেশ দিয়েছেন। উপরোক্ত আলোচনা দ্বারা আমরা বুঝলাম যে, জুমুআর আগে নামায সুন্নাত, তবে রাসূলুল্লাহ সা. থেকে রাকআত সংখ্যা বিষয়ে কোন কিছু বর্ণিত হয়নি। সুতরাং যে যতটুকু ইচ্ছা করে ততোটুকু পড়তে পারে। দুই দুই রাকআত করে পড়তে পারেন আবার চার রাকআত করেও পড়তে পারেন। জুমুআর শেষেও চার রাকআত পড়তে পারেন। ফরজ ও ওয়াজিব বাদে সব নামাযের নিয়ত এক। নফল সুন্নাত আলাদা করার কোন সুযোগ নেই।

প্রশ্নঃ 1943
জুমআর নামায মিস হলে বাড়ীতে কত রাকাআত নামায আদায় করবো?
16 Jan 2026

চার রাকআত যুহর পড়বেন।

প্রশ্নঃ 1748
জুম্মার সালাতের আগে ও পরে কত রাকাত সুন্নাত নামাজ আছে?
08 Jan 2026

রাসূলুল্লাহ সা. জুমুআর ফরজ সালাতের পূর্বে সুন্নাত সালাত আদায়ের জন্য বলেছেন। সহীহ বুখারীর এই হাদীসটি লক্ষ করুন: عَنْ سَلْمَانَ الْفَارِسِيِّ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم : مَنِ اغْتَسَلَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ وَتَطَهَّرَ بِمَا اسْتَطَاعَ مِنْ طُهْرٍ ثُمَّ ادَّهَنَ ، أَوْ مَسَّ مِنْ طِيبٍ ثمَّ رَاحَ فَلَمْ يُفَرِّقْ بَيْنَ اثْنَيْنِ فَصَلَّى مَا كُتِبَ لَهُ ثُمَّ إِذَا خَرَجَ الإِمَامُ أَنْصَتَ غُفِرَ لَهُ مَا بَيْنَهُ وَبَيْنَ الْجُمُعَةِ الأُخْرَى সালমান ফারসী রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলূল্লাহ সা. বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমুআর দিন ভালভাবে গোসল করে তেল বা সুগন্ধি ব্যবহার করে (মসজিদে) গমন করবে অতঃপর (মসজিদে) কাউকে না ডিঙিয়ে সাধ্যানুযায়ী নামায পড়বে এবং যখন ইমাম খুতবা দেয়ার জন্য বের হবে তখন চুপ করে তা শুনবে, তার এক জুমুআ থেকে অপর জুমুআর মাঝের সব গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে। সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৯১০। এই হাদীসে রাকআত সংখ্যা নির্দিষ্ট করা হয় নি। আলেমগণ বলেছেন দুই রাকআত থেকে শুরু করে যত ইচ্ছা পড়বে, যত বেশী পড়বে সওয়াব ততো বেশী হবে। রাকআত সংখ্যার ব্যাপারে বিভিন্ন সাহবী থেকে বিভিন্ন সংখ্যা বর্ণিত আছে। দুই রকআত. চার রাকআত ইত্যাদি। দলীলসহ বিস্তারিত জানতে দেখুন, আমাদের দেয়া 0469 নং প্রশ্নের উত্তর্। জুমুআর ফরজের পরে দুই, চার বা এর চেয়ে বেশী সংখক রাকআত সুন্নাত সালাত আদায় পারেন। নিচের হাদীসগুলো দেখুন: عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ ، رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا ، قَالَ : صَلَّيْتُ مَعَ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم رَكْعَتَيْنِ قَبْلَ الظُّهْرِ وَرَكْعَتَيْنِ بَعْدَ الظُّهْرِ وَرَكْعَتَيْنِ بَعْدَ الْجُمُعَةِ وَرَكْعَتَيْنِ بَعْدَ الْمَغْرِبِ وَرَكْعَتَيْنِ بَعْدَ الْعِشَاءِ আব্দুল্লাহ ইবনে উমার রা. থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সা. এর সাথে সালাত আদায় করেছি যুহরের আগে দুই রাকআত, যুহরের পরে দুই রাকআত, জুমুআর পরে দুই রাকআত, মাগরিব পরে দুই রাকআত এবং এশার পরে দুই রাকআত। সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১১৬৯। عَنْ أَبِى هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ -صلى الله عليه وسلم- إِذَا صَلَّى أَحَدُكُمُ الْجُمُعَةَ فَلْيُصَلِّ بَعْدَهَا أَرْبَعًا আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন, যখন তোমাদের কেউ জুমুআর নামায পড়বে সে যেন তার পরে চার রাকআত আদায় করে । সহীহ মুসলিম হাদীস নং ২০৭৩। উক্ত হাদীসদ্বয়ে আমরা দুই এবং চার রাকআত পড়ার প্রমান পায়। এছাড়া সাহাবীদের থেকে ছয় রাকআত পড়ার কথাও সহীহ হাদীসে পাওয়া যায়। সুন্নাত নামায রাকআত নির্দিষ্ট নয়। আশা করি বুঝতে পেরেছেন।

প্রশ্নঃ 1673
আসসালামু আলাইকুম, আমাদের স্থানীয় মসজিদে জুম্মা খুতবাতে মসজিদে এর খাদেম টাকা তুলে থাকেন খুতবা চলা কালে। আমি তাকে প্রশ্ন করি যে হাদিসে এসেছে খুতবার সময় পাশের জন কথা বললে তাকে চুপ থাকো এই কথা বলা জায়েজ নেই। তাহলে আপনারা টাকা তুলেন তা কি জায়েজ হচ্ছে? প্রতি উওরে তিনি বলেন যে, খুদবার ২টি অংশ ইমাম যখন বসে আবার দাঁড়িয়ে খুতবা শুরু করেন ঐ অংশটি হলো দোয়ার অংশ তখন হাটা চলা করা যায়। সঠিক মাসালা জানালে উপকৃত হবো।
08 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। নীচের হাদীসদুটি লক্ষ্য করুন।

أن أبا هريرة أخبره أن رسول الله صلى الله عليه و سلم قال إذا قلت لصاحبك يوم الجمعة أنصت والإمام يخطب فقد لغوتঅনুবাদ-হযরত আবু হুরায়রা রাঃ বলেন-রাসূল সাঃ ইরশাদ করেছেন-যখন তুমি তোমার পাশের জনকে জুমআর দিন বল-চুপ থাক এমতাবস্থায় যে, ইমাম সাহেব খুতবা দিচ্ছে, তাহলে তুমি অযথা কাজ করলে। সহীহ বুখারী, হাদীস নং-৮৯২।

عن أبي الدرداء قال : جلس رسول الله صلى الله عليه و سلم يوما على المنبر فخطب الناس وتلا آية والى جنبي أبي بن كعب فقلت له يا أبي متى أنزلت هذه الآية قال فأبى أن يكلمنى ثم سألته فأبى أن يكلمنى حتى نزل رسول الله صلى الله عليه و سلم فقال لي أبي مالك من جمعتك إلا ما لغيت فلما انصرف رسول الله صلى الله عليه و سلم جئته فأخبرته فقلت أي رسول الله انك تلوت آية وإلى جنبي أبي بن كعب فسألته متى أنزلت هذه الآية فأبى أن يكلمنى حتى إذا نزلت زعم أبى أنه ليس لي من جمعتي إلا ما لغيت فقال صدق أبي فإذا سمعت أمامك يتكلم فأنصت حتى يفرغ 

আবুদ দারদা (রাঃ) বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মিম্বারে বসে মানুষের উদ্দেশ্যে খোতবা দিচ্ছিলেন। তিনি একটি আয়াত তেলাওয়াত করলেন। আমার পাশে ছিল উবাই ইবনে কাব। আমি তাঁকে বললাম: উবাই; এ আয়াতটি কখন নাযিল হয়েছে? তিনি আমার সাথে কোন সাড়া দিলেন না। আমি এরপরেও তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম। তারপরেও তিনি কোন সাড়া দিলেন না। এক পর্যায়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন মিম্বার থেকে নামলেন তখন উবাই আমাকে বললেন: তুমি যে অনর্থক কথা বলেছ সেটা ছাড়া তুমি জুমার কোন সওয়াব পাবে না। অতঃপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন নামায শেষ করলেন তখন আমি তাঁর কাছে এসে বিষয়টি জানালাম: তখন তিনি বললেন, উবাই ঠিক বলেছে। যখন ইমাম কথা বলা শুরু করে তখন ইমাম কথা শেষ করা পর্যন্ত চুপ থাকবে”।মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং ২১৭৭৮, সুনানে ইবেনে মাজাহ, ১১১১। হাদীসটি সহীহ।

সুতরাং ঐ খাদেমের কথা সঠিক নয়। কোন খুতবা চলাকালীন কথা বার্তা বা অন্য কোন কাজ করা যাবে না।

প্রশ্নঃ 1485
আস সালামু আলাইকুম, জুম্মার ফরজ নামাযের আগের চার রাকাত সুন্নত কি বাসায় পড়া যায়?
06 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। ফরজ সালাত বাদে অন্য সকল সালাত বাড়িতে পড়া যায় এবং বাড়িতে পড়াই উত্তম। সুতরাং জুমআর আগের সুন্নাতও বাড়ি পড়তে পারেন। এই বিষয়ে অনেকগুলো হাদীস বর্ণিত আছে। তার মধ্যে একটি হাদীসে রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন, فَصَلُّوا أَيُّهَا النَّاسُ فِي بُيُوتِكُمْ فَإِنَّ أَفْضَلَ الصَّلاَةِ صَلاَةُ الْمَرْءِ فِي بَيْتِهِ إِلاَّ الْمَكْتُوبَة.হে লোকসকল! তোমরা বাড়িতে সালাত আদায় করো, কেননা ফরজ সালাত বাদে সকল সালাত নিজ বাড়িতে পড়া সর্বোত্তম। সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৭৩১। এই বিষয়ে বিস্তারিত জানতে পড়ুন, শায়খ ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহ. রচিত রাহে বেলায়াত গ্রন্থের ৩৯০-৩৯২। এছাড়া জুমুআর দিন মসজিদে এসে সুন্নাত সালাত আদায় করার কথাও হাদীসে আছে।

প্রশ্নঃ 1305
জনাব আসসালামুআলাইকুম, আমার প্রশ্ন হচ্ছে: জুম্মার খুতবা এবং বয়ান কি মাইকে দেওয়া যাবে যাতে বাড়িতে বসে মহিলারা শুনতে পান? মজজিদের ভিতরে সাউন্ড বক্স এ সাধারনত দেওয়া হয়ে থাকে? কেউ কেউ বলছেন এটি ফিতনা সৃষ্টি করবে। দয়া করে জানাবেন।
05 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালমা। হ্যাঁ, জুমুআর বয়ান মাইকে দেয়া জায়েজ আছে। কী ফিৎনা সৃষ্টি হবে বুঝলাম না। বর্তমানে অনেক মসজিদে মাইকে খুৎবা দেয়া হয়। আমাদের ”আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর আস-সুন্নাহ মাসজিদ কমপ্লেক্স” -এ ও  খুৎবা-বয়ান মাইকে দেয়া হয়।

প্রশ্নঃ 1283
আস সালাম মুয়ালাইকুম, ভাই আমার প্রশ্ন হলো আমি যেখানে থাকি এখানে মসজিদ নেই জুমার নামাজ হবে কি?
05 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ। আপনি প্রশ্নটি আরো স্পষ্ট করলে ভাল হতো। কোন দেশে আছেন, মসজিদ কত দূরে, আপনার কতজন মুসলিম আছেন ইত্যাদি। তবে আপনার জন্য যদি মসজিদে যাওয়া সাধারণভাবে সম্ভব না হয় এবং যেখানে থাকেন সেখানে কোন স্থানে জুমার নামাযের জামাত কায়েম করার কোন সুযোগ না থাকে তাহলে জুহরের নামায পড়বেন। আর সম্ভব হলে জুমুআর নামায পড়বেন।

প্রশ্নঃ 1222
আসসালামু আলাইকুম! জুমার নামাজে দুই রাকাত ফরজ ব্যতীত কয় রাকাত সুন্নাত ও নফল নামাজ আদায় করতে হয়?
05 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। হাদীসে জুমুআর ফরজ নামাযের আগে পরের সুন্নাত-নফল নামাযের রাকআত সংখ্যা নির্ধারণ করে দেয়া হয়নি। বরং সহীহ হাদীসে আছে খুতবা আরম্ভ হওয়া পর্যন্ত সুন্নাত নামায পড়বে। জুমুআর পরে কোন কোন হাদীসে রাসূলুল্লাহ সা. চার রাকআত পড়ার কথা বলেছেন (সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২০৭৪), আবার কোন কোন হাদীসে আছে তিনি দুই রাকআত পড়েছেন (সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১১৬৯)। আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ থেকে সহীহ সনদে উল্লেখ আছে তিনি ফরজের আগে চার রাকআত পড়তে বলেছেন। আপনি যতটুকু পারবেন পড়বেন। আল্লাহ আমাদের সকলকে ক্ষমা করুন।

প্রশ্নঃ 487
আস সালামুআলাইকুম : ১. জুমার ২ রাকাত ফরয নামাযের আগে আমরা যে ৪ রাকাআত কাবলাল জুমা পরি এটা কি সাহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত? ২. আমাদের মসজিদে অনেক মুমিন ভাইকে বলতে শুনি ৪ রাকাআত বাদাল জুমা না পড়লে গুনাহ হবে এটা কতটুকো সত্য?
29 Dec 2025

ওয়া আলাইকুমুস সালাম।

রাসূলুল্লাহ সা. জুমুআর ফরজ সালাতের পূর্বে সুন্নাত সালাত আদায়ের জন্য বলেছেন। সহীহ বুখারীর এই হাদীসটি লক্ষ করুন:

عَنْ سَلْمَانَ الْفَارِسِيِّ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم : مَنِ اغْتَسَلَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ وَتَطَهَّرَ بِمَا اسْتَطَاعَ مِنْ طُهْرٍ ثُمَّ ادَّهَنَ ، أَوْ مَسَّ مِنْ طِيبٍ ثمَّ رَاحَ فَلَمْ يُفَرِّقْ بَيْنَ اثْنَيْنِ فَصَلَّى مَا كُتِبَ لَهُ ثُمَّ إِذَا خَرَجَ الإِمَامُ أَنْصَتَ غُفِرَ لَهُ مَا بَيْنَهُ وَبَيْنَ الْجُمُعَةِ الأُخْرَى

সালমান ফারসী রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলূল্লাহ সা. বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমুআর দিন ভালভাবে গোসল করে তেল বা সুগন্ধি ব্যবহার করে (মসজিদে) গমন করবে অতঃপর (মসজিদে) কাউকে না ডিঙিয়ে সাধ্যানুযায়ী নামায পড়বে এবং যখন ইমাম খুতবা দেয়ার জন্য বের হবে তখন চুপ করে তা শুনবে, তার এক জুমুআ থেকে অপর জুমুআর মাঝের সব গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে। সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৯১০। এই হাদীসে রাকআত সংখ্যা নির্দিষ্ট করা হয় নি। আলেমগণ বলেছেন দুই রাকআত থেকে শুরু করে যত ইচ্ছা পড়বে, যত বেশী পড়বে সওয়াব ততো বেশী হবে। রাকআত সংখ্যার ব্যাপারে বিভিন্ন সাহবী থেকে বিভিন্ন সংখ্যা বর্ণিত আছে। দুই রকআত. চার রাকআত ইত্যাদি। চার রাকআতের বিষয়ে নিচের হাদীসটি লক্ষ্য করুন:

عبد الرزاق عن الثوري عن عطاء بن السائب عن أبي عبد الرحمن السلمي قال كان عبد الله يأمرنا أن نصلي قبل الجمعة أربعا وبعدها أربعا حتى جاءنا علي فأمرنا أن نصلي بعدها ركعتين ثم اربعا.

অর্থ: ( তাবেঈ) আবু আব্দুর রহমান আস-সুলামী বলেন, সাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. আমাদেরকে জুমুআর পূর্বে চার রাকআত এবং পরে চার রাকআত নামায পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এরপর আলী রা. আমাদেরকে জুমুআর পর প্রথমে দুই রাকআত এরপর চার রাকআত পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন। মুসান্নাফু আব্দুর রায্যাক, হাদীস নং ৫৫২৫। এই হাদীসটির বিষয়ে শায়খ আলবানী রহ. বলেছেন,

وهذا سند صحيح لا علة فيه

অর্থ: এটা সহীহ সনদ, তাতে কোন সমস্যা নেই।সিলসিলাতুয যয়ীফাহ, ১০১৬ নং হাদীসের আলোচনা। উক্ত সহীহ হাদীসটি দ্বারা আমারা জানতে পারলাম যে, প্রখ্যাত সাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. চার রাকআত ক্ববলাল জুমুয়া পড়ার আদেশ দিয়েছেন। উপরোক্ত আলোচনা দ্বারা আমরা বুঝলাম যে, জুমুআর আগে নামায সুন্নাত, তবে রাসূলুল্লাহ সা. থেকে রাকআত সংখ্যা বিষয়ে কোন কিছু বর্ণিত হয়নি। সুতরাং যে যতটুকু ইচ্ছা করে ততোটুকু পড়তে পারে। একজন সাহবী থেকে চার রাকআত পড়ার নির্দেশ এসেছে তাই নিঃসন্দেহে বলা যায় চার রাকআতও পড়া যায় এবং এটাও সুন্নাত। জুমুআর পরে সুন্নত নামায সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমানিত। সুতরাং জুমুআর পরে নামায পড়া সুন্নাত। আমাদেরকে সুন্নাতের অনুস্বরণ করতে হবে।

প্রশ্নঃ 269
জুমআর সালাতে পূর্বে একবার বাংলায় এবং একবার আরবিতে অর্থাৎ দুবার খুৎবা দেয়া কি বেদায়াত?
27 Dec 2025
না, এভাবে প্রথমে বাংলায় বক্তব্য দিয়ে পরে আরবীতে খুৎবা দিলে কোন সমস্যা নেই। বরং আমাদের দেশের মানুষের জন্য ভাল। আর এমন করাই উত্তম।
প্রশ্নঃ 475
জনাব, আস সালামু আলাইকুম : ১. জুমার ২ রাকাত ফরয নামাযের আগে আমরা যে ৪ রাকাআত কাবলাল জুমা পরি এটা কি সাহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত? ২. আমাদের মসজিদে অনেক মুমিন ভাইকে বলতে শুনি ৪ রাকাআত বাদাল জুমা না পড়লে গুনাহ হবে এটা কতটুকো সত্য?
29 Dec 2025

ওয়া আলাইকুমুস সালাম।রাসূলুল্লাহ সা. জুমুআর ফরজ সালাতের পূর্বে সুন্নাত সালাত আদায়ের জন্য বলেছেন। সহীহ বুখারীর এই হাদীসটি লক্ষ করুন:

عَنْ سَلْمَانَ الْفَارِسِيِّ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم : مَنِ اغْتَسَلَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ وَتَطَهَّرَ بِمَا اسْتَطَاعَ مِنْ طُهْرٍ ثُمَّ ادَّهَنَ ، أَوْ مَسَّ مِنْ طِيبٍ ثمَّ رَاحَ فَلَمْ يُفَرِّقْ بَيْنَ اثْنَيْنِ فَصَلَّى مَا كُتِبَ لَهُ ثُمَّ إِذَا خَرَجَ الإِمَامُ أَنْصَتَ غُفِرَ لَهُ مَا بَيْنَهُ وَبَيْنَ الْجُمُعَةِ الأُخْرَى

সালমান ফারসী রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলূল্লাহ সা. বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমুআর দিন ভালভাবে গোসল করে তেল বা সুগন্ধি ব্যবহার করে (মসজিদে) গমন করবে অতঃপর (মসজিদে) কাউকে না ডিঙিয়ে সাধ্যানুযায়ী নামায পড়বে এবং যখন ইমাম খুতবা দেয়ার জন্য বের হবে তখন চুপ করে তা শুনবে, তার এক জুমুআ থেকে অপর জুমুআর মাঝের সব গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে। সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৯১০। এই হাদীসে রাকআত সংখ্যা নির্দিষ্ট করা হয় নি। আলেমগণ বলেছেন দুই রাকআত থেকে শুরু করে যত ইচ্ছা পড়বে, যত বেশী পড়বে সওয়াব ততো বেশী হবে। রাকআত সংখ্যার ব্যাপারে বিভিন্ন সাহবী থেকে বিভিন্ন সংখ্যা বর্ণিত আছে। দুই রকআত. চার রাকআত ইত্যাদি। চার রাকআতের বিষয়ে নিচের হাদীসটি লক্ষ্য করুন:

عبد الرزاق عن الثوري عن عطاء بن السائب عن أبي عبد الرحمن السلمي قال كان عبد الله يأمرنا أن نصلي قبل الجمعة أربعا وبعدها أربعا حتى جاءنا علي فأمرنا أن نصلي بعدها ركعتين ثم اربعا.

অর্থ: ( তাবেঈ) আবু আব্দুর রহমান আস-সুলামী বলেন, সাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. আমাদেরকে জুমুআর পূর্বে চার রাকআত এবং পরে চার রাকআত নামায পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এরপর আলী রা. আমাদেরকে জুমুআর পর প্রথমে দুই রাকআত এরপর চার রাকআত পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন। মুসান্নাফু আব্দুর রায্যাক, হাদীস নং ৫৫২৫। এই হাদীসটির বিষয়ে শায়খ আলবানী রহ. বলেছেন, وهذا سند صحيح لا علة فيه অর্থ: এটা সহীহ সনদ, তাতে কোন সমস্যা নেই।সিলসিলাতুয যয়ীফাহ, ১০১৬ নং হাদীসের আলোচনা। উক্ত সহীহ হাদীসটি দ্বারা আমারা জানতে পারলাম যে, প্রখ্যাত সাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. চার রাকআত ক্ববলাল জুমুয়া পড়ার আদেশ দিয়েছেন। উপরোক্ত আলোচনা দ্বারা আমরা বুঝলাম যে, জুমুআর আগে নামায সুন্নাত, তবে রাসূলুল্লাহ সা. থেকে রাকআত সংখ্যা বিষয়ে কোন কিছু বর্ণিত হয়নি। সুতরাং যে যতটুকু ইচ্ছা করে ততোটুকু পড়তে পারে। একজন সাহবী থেকে চার রাকআত পড়ার নির্দেশ এসেছে তাই নিঃসন্দেহে বলা যায় চার রাকআতও পড়া যায় এবং এটাও সুন্নাত। জুমুআর পরে সুন্নত নামায সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমানিত। সুতরাং জুমুআর পরে নামায পড়া সুন্নাত। আমাদেরকে সুন্নাতের অনুস্বরণ করতে হবে।

প্রশ্নঃ 190
মুহতারাম,আসসালামু আলাইকুম। আমার প্রশ্ন হলো,আমি শুনেছি যে, শুক্রবার অর্থাৎ জুমার দিন ঈদ হলে এবং ঈদের নামাজ জামাতে আদায় করলে ঐ দিন জুমার নামাজ আদায় না করলেও চলে। একথাটি পবিত্র কুর-আন ও হাদিসের আলোকে কতখানি সত্য
23 Dec 2025
এ বিষয়ে একটি হাদীসের অর্থ নির্ণয়ে মুহাদ্দিস ও ফকীহগণ মতভেদ করেছেন। হাদীসটি নিম্নরুপ:
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ رَسُولِ اللهِ صَلَّى الله عَليْهِ وسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ : اجْتَمَعَ عِيدَانِ فِي يَوْمِكُمْ هَذَا ، فَمَنْ شَاءَ أَجْزَأَهُ مِنَ الْجُمُعَةِ ، وَإِنَّا مُجَمِّعُونَ إِنْ شَاءَ اللَّهُ
অর্থ: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. রাসূলুল্লাহ সা. বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, আজ তোমাদের দুইটা ঈদ একত্র হয়েছে। যে চায় তার জন্য (ঈদের নমাায) জুমুআ হিসাবে যথেষ্ট। তবে আমরা উভয় নামাযই আদায় করব। সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস নং ১৩১১। হাদীসটি সহীহ। অন্য একজন সাহাবী থেকেও সহীহ সনদে এমনটি বর্ণিত আছে। এ হাদীসের ভিত্তিতে কোনো কোনো মুহাদ্দিস ও ফকীহ বলেছেন যে, জুমুআর দিনে ঈদ হলে জুমুআর সালাত ঐচ্ছিক হয়ে যায়। তবে অধিকাংশ মুহাদ্দিস ও ফকীহ এ মতটির বিরোধিতা করেছেন। তারা বলেন, মরুবাসী বেদুঈনদের জন্য জুমুআর সালাত ফরয নয়। এরূপ অনেক মরুবাসী বেদুঈন ঈদের দিনে ঈদ পালনের জন্য মদীনায় আগমন করতেন। রাসূলুল্লাহ (সা.) মূলত তাদের জন্য এ কথা বলেছিলেন। অর্থাৎ তোমরা মরুবাসীরা যারা চাও তারা চলে যেতে পার। তবে আমরা- মদীনাবাসীগণ জুমুআর সালাত আদায় করব। তোমরা ইচ্ছা করলে সে পর্যন্ত থাকতেও পার। নিম্নের বর্ণনাটি এ ব্যাখ্যা প্রমাণ করে:
الشَّافِعِىُّ أَخْبَرَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ أَبِى عُبَيْدٍ مَوْلَى ابْنِ أَزْهَرَ قَالَ : شَهِدْتُ الْعِيدَ مَعَ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ رَضِىَ اللَّهُ عَنْهُ فَجَاءَ فَصَلَّى ثُمَّ انْصَرَفَ فَخَطَبَ فَقَالَ : إِنَّهُ قَدِ اجْتَمَعَ لَكُمْ فِى يَوْمِكُمْ هَذَا عِيدَانِ فَمَنْ أَحَبَّ مِنْ أَهْلِ الْعَالِيَةِ أَنْ يَنْتَظِرَ الْجُمُعَةَ فَلْيَنْتَظِرْهَا ، وَمَنْ أَحَبَّ أَنْ يَرْجِعَ فَلْيَرْجِعْ فَقَدْ أَذِنْتُ لَهُ
অর্থ: ইমাম শাফেয়ী রহ.,ইমাম মালেক রহ. থেকে তিনি ইবনে শিহাব যুহরী রহ. থেকে বর্ণনা করেন যে, আবু উবাইদ বলেন, আমি ঈদের দিন উসমান রা. এর সাথে ছিলাম। তিনি আসলেন, নামায পড়ালেন অতঃপর খুৎবা দিতে গিয়ে বললেন, তোমাদের জন্য আজ দুটি ঈদ একত্র হয়েছে। গ্রাম থেকে যারা এসেছে তারা যদি চাই জুমুআর নামাযের জন্য অপেক্ষা করতে পারে আর যদি চাই ফিরে যেতে পারে। আমি তাদের অনুমতি দিলাম। আসসুনানুল কুবরা লিলবাইহাক্কী, হাদীস নং ৬৫১৬। ইমাম বাইহাক্কী রহ, বলেন, সনদ সহীহ। উক্ত হাদীসে আমরা দেখছি যে, উসমান রা. শুধু মরুবাসী বেদুঈনদের মানুষদের অনুমতি দিয়েছেন, শহরবাসীকে নয়। এর বিষয়টি এমন যে রাসূলুল্লাহ সা. থেকে বিষয়টি না জানলে তার পক্ষে ইবাদতের ক্ষেত্রে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয়। অন্য একটি হাদীসে আছে,
عَنْ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ قَالَ : اجْتَمَعَ عِيدَانِ عَلَى عَهْدِ النَّبِىِّ -صلى الله عليه وسلم- فَقَالَ :্র مَنْ أَحَبَّ أَنْ يَجْلِسَ مِنْ أَهْلِ الْعَالِيَةِ فَلْيَجْلِسْ فِى غَيْرِ حَرَجٍ
অর্থ: উমার ইবনে আব্দুল আযীয রহ. বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. এর সময় দুটি ঈদ একত্র হলো (ঈদ ও জুমুআ)। তখন তিনি (রাসূলুল্লাহ সা.) বললেন, গ্রামের লোকদের মধ্যে যে বসতে চাই তার বসতে কোন সমস্যা নেই। আসসুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্কী, হাদীস নং ৬৫১৫। হাদীসটি মুরসাল। আরো একটি হাদীসে রাসূলুল্লাহ সা. থেকে এমন বক্তব্য পাওয়া যায়। তবে হাদীসটিকে ইমাম বায়হাক্কী যয়ীফ বলেছেন। দেখুন, আস-সুনানুল কুবরা, হাদীস নং ৬৫১৪। উপরুক্ত দলীল সমূহের ভিত্তিতে প্রতীয়মান হয় যে, শহরবাসীর জন্য ঈদ ও জুমুআ উভয় নামাযই আদায় করতে হবে। আর মরুবাসী বেদুঈন লোকেরা চাইল শহরে এসে জুমুআ আদায় করতে পারে, না করলেও সমস্যা নেই। ইমাম আবু হানীফা, ইমাম শাফেয়ী, ইমাম মালেক সহ অধিকাংশ আলিম ও ফকীহের অভিমত এটাই। শরহে আবু দাউদ লিল আইনি, ৪/৩৯৭; আল-ইসতিযকার,২/৩০৭; সুবুলস সালাম, ২/৫২; কিতাবুল উম্ম. ২/২৩৯। শেষ কথা: উপরের আলোচনার মাধ্যমে আমরা বুঝতে পারি যে,অধিকাংশ আলেমের নিকট যাদের উপর জুমুআর ওয়াজিব তাদের জন্য ঈদের দিনেও জুমুআ পড়তে হবে। আর যদি ধরেও নেই যে, ইচ্ছাধিকার সবার জন্য তবুও জুমুআর নামায আদায় করা সুন্নাত ও উত্তম। কেননা হাদীসে আমার দেখেছি যে, রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন, আমরা জুমুআ আদায় করব। আল্লাহ তায়ালা ভাল জানেন।
প্রশ্নঃ 182
জুমাআর দিনে ঈদ হলে কেও যদি ঈদ এর সালাত জামাতে পরে তবে তার জন্য কি জুমার সালাতে আসা জারুরি? নাকি সে জোহরের সালাত আদায় করবে? হাদিসের দলিল সহ জানালে খুশি হব। আল্লাহ আপনাকে উত্তম বদলা দান করুন।
23 Dec 2025
এ বিষয়ে একটি হাদীসের অর্থ নির্ণয়ে মুহাদ্দিস ও ফকীহগণ মতভেদ করেছেন। হাদীসটি নিম্নরুপ:
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ رَسُولِ اللهِ صَلَّى الله عَليْهِ وسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ : اجْتَمَعَ عِيدَانِ فِي يَوْمِكُمْ هَذَا ، فَمَنْ شَاءَ أَجْزَأَهُ مِنَ الْجُمُعَةِ ، وَإِنَّا مُجَمِّعُونَ إِنْ شَاءَ اللَّهُ
অর্থ: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. রাসূলুল্লাহ সা. বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, আজ তোমাদের দুইটা ঈদ একত্র হয়েছে। যে চায় তার জন্য (ঈদের নমাায) জুমুআ হিসাবে যথেষ্ট। তবে আমরা উভয় নামাযই আদায় করব। সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস নং ১৩১১। হাদীসটি সহীহ। অন্য একজন সাহাবী থেকেও সহীহ সনদে এমনটি বর্ণিত আছে। এ হাদীসের ভিত্তিতে কোনো কোনো মুহাদ্দিস ও ফকীহ বলেছেন যে, জুমুআর দিনে ঈদ হলে জুমুআর সালাত ঐচ্ছিক হয়ে যায়। তবে অধিকাংশ মুহাদ্দিস ও ফকীহ এ মতটির বিরোধিতা করেছেন। তারা বলেন, মরুবাসী বেদুঈনদের জন্য জুমুআর সালাত ফরয নয়। এরূপ অনেক মরুবাসী বেদুঈন ঈদের দিনে ঈদ পালনের জন্য মদীনায় আগমন করতেন। রাসূলুল্লাহ (সা.) মূলত তাদের জন্য এ কথা বলেছিলেন। অর্থাৎ তোমরা মরুবাসীরা যারা চাও তারা চলে যেতে পার। তবে আমরা- মদীনাবাসীগণ জুমুআর সালাত আদায় করব। তোমরা ইচ্ছা করলে সে পর্যন্ত থাকতেও পার। নিম্নের বর্ণনাটি এ ব্যাখ্যা প্রমাণ করে:
الشَّافِعِىُّ أَخْبَرَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ أَبِى عُبَيْدٍ مَوْلَى ابْنِ أَزْهَرَ قَالَ : شَهِدْتُ الْعِيدَ مَعَ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ رَضِىَ اللَّهُ عَنْهُ فَجَاءَ فَصَلَّى ثُمَّ انْصَرَفَ فَخَطَبَ فَقَالَ : إِنَّهُ قَدِ اجْتَمَعَ لَكُمْ فِى يَوْمِكُمْ هَذَا عِيدَانِ فَمَنْ أَحَبَّ مِنْ أَهْلِ الْعَالِيَةِ أَنْ يَنْتَظِرَ الْجُمُعَةَ فَلْيَنْتَظِرْهَا ، وَمَنْ أَحَبَّ أَنْ يَرْجِعَ فَلْيَرْجِعْ فَقَدْ أَذِنْتُ لَهُ
অর্থ: ইমাম শাফেয়ী রহ.,ইমাম মালেক রহ. থেকে তিনি ইবনে শিহাব যুহরী রহ. থেকে বর্ণনা করেন যে, আবু উবাইদ বলেন, আমি ঈদের দিন উসমান রা. এর সাথে ছিলাম। তিনি আসলেন, নামায পড়ালেন অতঃপর খুৎবা দিতে গিয়ে বললেন, তোমাদের জন্য আজ দুটি ঈদ একত্র হয়েছে। গ্রাম থেকে যারা এসেছে তারা যদি চাই জুমুআর নামাযের জন্য অপেক্ষা করতে পারে আর যদি চাই ফিরে যেতে পারে। আমি তাদের অনুমতি দিলাম। আসসুনানুল কুবরা লিলবাইহাক্কী, হাদীস নং ৬৫১৬। ইমাম বাইহাক্কী রহ, বলেন, সনদ সহীহ। উক্ত হাদীসে আমরা দেখছি যে, উসমান রা. শুধু মরুবাসী বেদুঈনদের মানুষদের অনুমতি দিয়েছেন, শহরবাসীকে নয়। এর বিষয়টি এমন যে রাসূলুল্লাহ সা. থেকে বিষয়টি না জানলে তার পক্ষে ইবাদতের ক্ষেত্রে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয়। অন্য একটি হাদীসে আছে,
عَنْ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ قَالَ : اجْتَمَعَ عِيدَانِ عَلَى عَهْدِ النَّبِىِّ -صلى الله عليه وسلم- فَقَالَ :্র مَنْ أَحَبَّ أَنْ يَجْلِسَ مِنْ أَهْلِ الْعَالِيَةِ فَلْيَجْلِسْ فِى غَيْرِ حَرَجٍ
অর্থ: উমার ইবনে আব্দুল আযীয রহ. বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. এর সময় দুটি ঈদ একত্র হলো (ঈদ ও জুমুআ)। তখন তিনি (রাসূলুল্লাহ সা.) বললেন, গ্রামের লোকদের মধ্যে যে বসতে চাই তার বসতে কোন সমস্যা নেই। আসসুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্কী, হাদীস নং ৬৫১৫। হাদীসটি মুরসাল। আরো একটি হাদীসে রাসূলুল্লাহ সা. থেকে এমন বক্তব্য পাওয়া যায়। তবে হাদীসটিকে ইমাম বায়হাক্কী যয়ীফ বলেছেন। দেখুন, আস-সুনানুল কুবরা, হাদীস নং ৬৫১৪। উপরুক্ত দলীল সমূহের ভিত্তিতে প্রতীয়মান হয় যে, শহরবাসীর জন্য ঈদ ও জুমুআ উভয় নামাযই আদায় করতে হবে। আর মরুবাসী বেদুঈন লোকেরা চাইল শহরে এসে জুমুআ আদায় করতে পারে, না করলেও সমস্যা নেই। ইমাম আবু হানীফা, ইমাম শাফেয়ী, ইমাম মালেক সহ অধিকাংশ আলিম ও ফকীহের অভিমত এটাই। শরহে আবু দাউদ লিল আইনি, ৪/৩৯৭; আল-ইসতিযকার,২/৩০৭; সুবুলস সালাম, ২/৫২; কিতাবুল উম্ম. ২/২৩৯। শেষ কথা: উপরের আলোচনার মাধ্যমে আমরা বুঝতে পারি যে,অধিকাংশ আলেমের নিকট যাদের উপর জুমুআর ওয়াজিব তাদের জন্য ঈদের দিনেও জুমুআ পড়তে হবে। আর যদি ধরেও নেই যে, ইচ্ছাধিকার সবার জন্য তবুও জুমুআর নামায আদায় করা সুন্নাত ও উত্তম। কেননা হাদীসে আমার দেখেছি যে, রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন, আমরা জুমুআ আদায় করব। আল্লাহ তায়ালা ভাল জানেন।
প্রশ্নঃ 181
মুহতারাম আস সালামু আলাইকুম। আমার প্রশ্ন: জুম্মার ফরজ নামাজের পুর্বকালে তাহিয়াতুল মসজিদ ছাড়া কাবলাল জুম্মা সুন্নাত নামাজ পড়তে হবে কি? জুম্মার ফরজ নামাজের পরে কত রাকাত সুন্নাত পড়তে হবে? বিস্তারিত জানাবেন।
23 Dec 2025
ওয়া আলাইকুমুস সালাম।
মসজিদে প্রবেশ করে বসার পূর্বে রাসূলুল্লাহ সা. দুরাকআত সালাত আদায় করতে বলেছেন। জুমুআর দিনেও এই দুরাকআত সালাত আদায় করতে হবে। তবে এই সালাত আদায় না করে জুমুআর সুন্নাত আদায় করলেও তা আদায় হয়ে যাবে। আর যদি মসজিদের মধ্যে না বসেই কেউ জুমআর সুন্নাত আদায় করে তাহলেও তার তাহিয়্যাতুল মসজিদ আদায় হয়ে যাবে বলে আলেমগণ বলেছেন।
প্রশ্নঃ 76
আস-সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। মুহতারাম,কোন ছাহাবী বা তাবেয়ী কখন অনারব ভাষায় জুমআর দ্বিতীয় খুতবা দিয়েছেন কিনা দলীলের আলোকে জানালে কৃতজ্ঞ হব।
20 Dec 2025
ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ। কোন সাহাবী বা তাবেঈ জুমুয়ার কোন খুৎবা আরবী ছাড়া অন্য কোন ভাষায় দিয়েছেন বলে জানা যায় না। তবে তাঁরা আরবী ভাষায় ব্যবহার হয় এমন দুচারটা অন্য ভাষার শব্দ খুৎবার মধ্যে ব্যবহার করতেন। এছাড়াও আঞ্চলিক আরবী ভাষায় সাহাবী তাবেয়ীগন খুৎবাহ দিতেন বলে জানা যায়। এই বিষয়ে বিস্তারিত জানতে পড়ুন খুতবাতুল ইসলাম বইটির ভূমিকা, পৃষ্ঠা ১৩-২৮।

কপিরাইট স্বত্ব © ২০২৫ আস-সুন্নাহ ট্রাস্ট - সর্ব স্বত্ব সংরক্ষিত| Design & Developed By Biz IT BD