প্রশ্নঃ 1871
আসসালামুয়ালাইকুম ভাই আমার প্রশ্ন হল — প্রচলিত তাবলীগ জামাতে কী যাওয়া যাবে?
14 Jan 2026
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। যাওয়া যাবে, তবে সবার মধ্যেই ভুল-ভ্রান্তি আছে, সেগুলো রাখতে হবে।
প্রশ্নঃ 1655
Hazrat Zakaria (rhm) er lekha Tabligi Nesab boitir fazael e dorud o fazael e sadakat chaptar e bohu shirk bedat ache, eta ki sothik? Boiti ki masjid e talim kora jabe?
07 Jan 2026
এই বইটি সম্পর্কে আমার জানা নেই। শিরক বিদআত থাকলে তো সঠিক হতে পারে না। বর্জন করতে হবে। হাদীসের বই তালিম করা ভাল। যেমন, রিয়াজুস সালিহীন।
প্রশ্নঃ 1649
As salaamu Aalaikum, sir amar prosno holo ekhonkar Iliasi tablig kora jabe ki? Hajrat Zakaria saheber Tabligi nesab boi tate ki jal, joif hadis ebong shirki kotha ache? boiti ki pora jabe?
07 Jan 2026
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। ইলিয়াসি তাবলীগ এই শব্দটি খুবই নোংরা এবং মিথ্যা। হযরত ইলিয়াস রাহ. মানুষকে ইসলামের পথে দাওয়াত দেওয়ার জন্যই এই পদ্ধটি আবিস্কার করেছিলেন। তাবলীগ জামাত এবং অন্যান্য দাওয়াতী প্রতিষ্ঠান এবং যে কোন দায়ী কেউ ভুলত্রুটির ঊধ্বে নয়। তারা মানুষকে আল্লাহর পথে ডাকছেন এটা নিঃসন্দেহ ভাল কাজ। তাদের ভুল-ত্রুটি থাকতে পারে, এটা অস্বাভাবিক নয়। সম্ভব হলে উত্তম পন্থায় তাদের ভুলগুলো ধরিয়ে দিতে পারেন। তবে এই সব ভুল-ত্রুটির কারণে অহেতুক সমালোচনা কোন কাজে আসে না। এই প্রসঙ্গে শায়খ ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহ. এক প্রশ্নের উত্তরে বলেছিলেন, কুরআন-সুন্নাহ ভিত্তিক সহীহ দাওয়াত দেয়ার জন্য অন্য কোন দল বা মতের সমালোচনা মূলত কোনো ভাল ফল দেয় না। এতে এসকল দলের কেউ পরিবর্তনও হয় না। আপনি তাদের সাথে দাওয়াতে কাজে অংশ নিবেন, আপনি ভাল কাজের মধ্যে আছেন। তবে কোন কাজ কুরআন-সুন্নাহর মুখালেফ মনে হলে তা করবেন না। আর বইটি সম্পর্কে আমার জানা নেই। কুরআন-সুন্নাহর সাথে সাংঘর্ষিক বিষয় থাকলে অবশ্যই পরিহার করতে হবে।
প্রশ্নঃ 1496
চিল্লা দেওয়া টিক কিনা?
06 Jan 2026
মানুষদের উপর মূল দায়িত্ব হলো কুরআন ও হাদীসের কথা মানুষের কাছে পৌছানো। সেই দায়িত্ব পৌছাতে অনেকে অনেক পদ্ধতি গ্রহণ করেছেন। চিল্লা সেই সব পদ্ধতির একটি। সুতরাং চিল্লা দিতে কোন সমস্যা নেই।
প্রশ্নঃ 1459
আমার গ্রামে কাকরাইলের তাবলিগ জামাতের পক্ষ থেকে একটি মারকাজ করা হচ্ছে । সেখানে মাদ্রাসা ও মসজিদ থাকবে । তাবলিগের কাজ হবে। এই মারকাজে কি জমি ও টাকা দেয়া আমার জন্য জায়েজ হবে?
06 Jan 2026
মসজিদ-মাদরাসা নির্মাণ শ্রেষ্ঠ কাজের অন্যতম। অবশ্যই আপনি তাতে টাকা ও জমি দিতে পারবেন।
প্রশ্নঃ 1382
40 diner chilla sommondhe jante chai. Hadis Quran aloke bolben In Sha Allah.
05 Jan 2026
৪০ দিন চিল্লা অর্থাৎ ৪০ দিনের জন্য বাড়ির বাইরে গিয়ে আল্লাহর পথে মানুষকে ডাকা তাবলীগ জামাতের একটি কর্মসূচী। যেমন, আমরা মাদ্রাসায় নিয়ম করেছি যে, ৩০ দিন পর ছাত্ররা ২দিন ছুটি পাবে। এখানে কুরআন-হাদীসের কী দরকার বুঝলাম না। তারা তো বলেন না যে, ৪০ দিনের কম হলে বা বেশী হলে গুনাহ হবে অথবা কুরআন হাদীসে ৪০ দিন যাওয়ার কথা বলা হয়েছে। এটা একটা সাংগঠনিক নিয়ম মাত্র। এমন নিয়ম অন্যান্য সকল সংঠনের আছে। যেমন দুই বছর পর পর সম্মেলন করা ইত্যাদি। আপনার যদি ইচ্ছা হয় এর চেয়ে বেশী দিনের জন্য যান, কেউ আপনাকে বাধা দিবে না। তবে যখন কোন প্রতিষ্ঠানে কাজ করা হয় তখন তার নিয়ম-কানুন মেনে চলতে হয়, এটাই দুনিয়ার নিয়ম। সুতরাং এই নিয়ে অহেতুক গবেষণা নিষ্প্রয়োজন। আশা করি আপনার উত্তর পেয়েছেন।
প্রশ্নঃ 1100
আসসালামু আলাইকুম আমি তাবলীগে যাওয়ার নিয়েত করেছি, এই বিষয়ে আমার নিয়েত টা কেমন হবে, তাবলীগের নিয়ম কানুন কতটুকু গুরুত্ত দিব, এর উপর (রাহিমুল্লাহর) কোন পরামর্শ জানালে উপকৃত হতাম। আমি তাকেই নিরপেক্ষ মনে করি। তার অনুসারিদের ও তাই মনে করি।
04 Jan 2026
ওয় আলাইকুমুস সালাম। ইসালামের দাওয়াত মানুষের কাছে পৌছাতে হবে। আর এই দাওয়াত পৌছানোর একটি মাধ্যম হলো তাবলীগে যাওয়া। আপনি যেতে পারেন। তবে মানুষ ভুলত্রুটির উর্ধ্বে নয়। ইসলাম সম্পর্কে যে যা বলবে তাই মানতে হবে এমন না মনে করে কিছুটা যাচাই করার মানসিকতা রাখবেন। আল্লাহ আপনাকে কবুল করুন।
প্রশ্নঃ 1050
আচ্ছালামু আলাইকুম। ইদানীং Street Dawah নামে একটা কার্যক্রম দেখতে পাচ্ছি। যেখানে দেখেছি, কিছু ভাইএরা রাস্তায় বিধর্মী মেয়েদের সরাসরি ইসলামের দাওয়াত দিচ্ছে! এভাবে বিপরীত লিঙ্গের কাউকে রাস্তায় সরাসরি দাওয়াত দেওয়াটা রাসূল (সঃ) এবং তার সাহাবাদের জীবন থেকে কতটুক প্রমাণিত? মানে এটা কি জায়েজ?
04 Jan 2026
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। প্রয়োজনে মেয়েদের সাথে কথা বলা জায়েজ। আর একজন অমুসলিমেকে ইসলামের দাওয়াত দেয়া খুবই প্রয়োজন। সুতরাং এটা না জায়েজ হওয়ার কোন কারণ আছে বলে মনে হচ্ছে না। তবে দাওয়াত দানকারী যেন কোন ধরনের ফিৎনাতে না পড়েন সেদিকে খেয়াল করতে হবে।
প্রশ্নঃ 915
ইযহারুল হক বইয়ের pdf দরকার।
02 Jan 2026
ইযহারুল হক বইয়ের PDF লিংক আমাদের কাছে নেই।
প্রশ্নঃ 807
আমাদের সমাজে তাবলীগ নামে একটি জামাআত রয়েছে। যারা নির্দিষ্ট এলাকার মসজিদ থেকে বিভিন্ন এলাকার মসজিদে গিয়ে থাকেন। যার সময়সীমা ৩ দিনের জামাআত অথবা ৪০ দিনের এক চিল্লা ইত্যাদি। যার মাধ্যমে দেখা যাই, এখানে গিয়ে অনেকের মাঝে পরিবর্তন আসে। আবার তাবলিগের বইগুলোকে নিয়ে অনেক বিতর্কিত কথা শুনেছি, যা কিনা কোরআন ও সহিহ হাদিস সম্মত নয় !!
এখন আমার প্রশ্ন হল ৩ দিনের জামাআত অথবা ৪০ দিনের এক চিল্লায় গিয়ে এইসব বইগুলো থেকে তালিম করার সুন্নাহ সম্মত বিধান কি? স্যার এই সম্বন্ধে কি বলেছেন, জানালে খুব ই উপকার হয়।
01 Jan 2026
সুন্নাত বিধান তো স্পষ্ট কুরআন-হাদীসের সহীহ কথাগুলো মানুষদেরকে বলতে হবে। জেনে শুনে কোন বাতিল কথা মানুষদেরকে বলা যাবে না। কোনটা সঠিক এবং সঠিক নয় তা মানুষদেরকে স্পষ্ট করে দিতে হবে। তাদের কিছু ভাল বইও আছে, সেগুলো তালীম করুন। যেমন, মুন্তাখাবুল হাদীস।
প্রশ্নঃ 743
আসসালামুয়ালাইকুম। প্রশ্নঃ আমার সাথে কয়েকজন কাদিয়ানী (আহমদী মুসলিম জামাত) ফ্রেন্ড আছে, তারা আমাকে প্রায়ই দাওয়াত দেয়। এখন কাদিয়ানীদের বাসায় ইফতার করা যাবে কিনা? আরেকটা প্রশ্ন হচ্ছে কাদিয়ানী ইমামের পিছনে নামাজ পড়া যাবে কিনা?
31 Dec 2025
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। মুসলিম বিশ্বের সকল আলেম একমত কাদীয়ানীরা মুসলিম নয়। আর ইফতার একটি ইবাদাত। আপনি কেন একটি ইবাদতের কাজে অন্যধর্মের মানুষদের সাথে জড়াবেন? আপনি ওখানে যাওয়া থেকে বিরত থাকুন। যারা মুসলিম নয় তাদের পিছনে আবার নামায কিসের? মনে রাখবেন কাদীয়ানী একটি বিশেষ ধর্ম। সুতরাং কাদীয়ানীসহ অন্য কোন ধর্মের পিছনে মুসলমানের নামায হবে না।
প্রশ্নঃ 693
আসসালামুয়ালাইকুম, মুহতারামের কাছে আমার প্রশ্ন, আমার এলাকার তাবলিগ ভায়েরা তাবলিগে যাওয়ার জন্য আমাকে অনেক উৎসাহ দেয় এবং আমি অনেকবার তাদের সাথে ৩দিনের তাবলিগে গিয়েছিলাম….এখন তারা আমাকে ৪০ দিনের জন্য অনেক উৎসাহ দিচ্ছে …কিন্তু আমি দেখেছি তারা অনেক জাল ও জয়ীফ হাদিসের উপর আমল করে এবং সেগুলো বলে দাওয়াত দেয়। এমত অবস্থায় কি আমি তাবলিগে যাব? মুহতারাম আমাকে একটু বুজিয়ে বলবেন কারন আমি আপনের কিছু বক্তব্য শুনার পরে কিছু কিছু গুমরাহী থেকে ফিরে এসেছি। সবই আল্লাহর ইচ্ছা তাই আপনের উপর আমার আস্থা আছে আশা করি আপনি এখন আমাকে কিছু ভাল পরামর্শ দেবেন….
31 Dec 2025
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আপনি হয়তো জানেন স্যার ইন্তকাল করেছেন। এসব ক্ষেত্রে স্যারের বক্তব্য ছিল এরকম যে, আপনি যেতে পারেন তবে জাল-যইফ থেকে আপনি বেচেঁ থাকবেন। মুমিনেন দায়িত্ব হলো সর্বাবস্থায় মানুষকে আল্লাহর পথে আহ্ববান করা। তবে এটা একটা পদ্ধতি মাত্র। আপনি যেতে পারেন।
প্রশ্নঃ 373
শায়েখ বা শাইখ মানে কি? কাদেরকে শায়েখ বা শাইখ বলা হয়?
28 Dec 2025
শায়খ শব্দটির শাব্দিক অর্থ হলো বৃদ্ধ, বয়স্ক লোক, প্রধান ব্যাক্তি ইত্যাদী। তবে ইসলাম সম্পর্কে অভিজ্ঞ ব্যক্তিকে অধিকাংশ ক্ষেত্রে শায়খ বলা হয়। অন্যান্য ক্ষেত্রেও তার ব্যবহার আছে।
প্রশ্নঃ 372
কাফের আর মুশরিক এর মধ্যে পার্থক্য কি? কাফের এবং মুশরিক কাকে বলা হয়?
28 Dec 2025
কুফর আরবী শব্দ। কুফর এর আভিধানিক অর্থ হলো অবিশ্বাস, অস্বীকার, অকৃতজ্ঞতা ইত্যাদি। ইসলামী পরিভাষায় আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের (সা.) উপর এবং ঈমানের রুকনগুলোতে বিশ্বাস না থাকাকেই কুফর বলে। শিরক শব্দটিও আরবী।
শিরক এর আভিধানিক অর্থ হলো অংশীদার করা বা বানানো, সহযোগী বানানো ইত্যদী। আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে আল্লাহর কোনো বিষয়ে আল্লাহর সমকক্ষ মনে করা বা আল্লাহর প্রাপ্য কোনো ইবাদত আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো জন্য পালন করা বা আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে ডাকাকে ইসলামী পরিভাষায় র্শিক বলে। ইসলামী পবিভাষায় বিশ্বাসের অবিদ্যমানতাই কুফর বা অবিশ্বাস। আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের উপর এবং ঈমানের রুকনগুলিতে বিশ্বাস না থাকাকেই ইসলামের পরিভাষায় কুফর বলে গণ্য। অস্বীকার, সন্দেহ, দ্বিধা, হিংসা, অহংকার, ইত্যাদি যে কোন কারনে যদি কারো মধ্যে ঈমান বা দৃঢ় প্রত্যয়ের বিশ্বাস অনুপস্থিত থাকে তবে তাকে ইসলামী পরিভাষায় কুফর বলে গণ্য করা হয়।
অনুরুপভাবে মহান আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে কোনো বিষয়ে তাঁর সমতুল বা সমকক্ষ বা তাঁর সাথে তুলনীয় বলে বলে বিশ্বাস করার মাধ্যমে আল্লাহর একত্ব ও অতুলনীয়ত্ব অস্বীকার করাও কুফর। তবে এ পর্যায়ের কুফরকে ইসলামের পরিভাষায় শিরক বলা হয়।
কুফর ও শিরক পরস্পর অবিচ্ছ্যেভাবে জড়িত। কাউকে কোনোভাবে কোনো বিষয়ে মহান আল্লাহর সমকক্ষ বা তুলনীয় মনে করার অর্থই তাঁর একত্বে অবিশ্বাস বা কুফরী করা। আল্লাহর তাওহীদ ও রাসূলগণের দাওয়াতে অবিস্বাস না করে কেউ শিরক করতে পারে না। কাজেই মুশরিক মাত্রই কাফের বলে গণ্য হবে। অপরদিকে কাউকে আল্লাহর সমকক্ষ না মেনে ঈমানের কোনো রুকন অবিশ্বাস করলে তা শুধু কুফ্র বলে গণ্য।
সুতরাং কাফের মাত্রই মুশরিক নয়। যেমন যদি কেউ আল্লাহর অস্তিত্বে বা তাঁর প্রতিপালনের একত্বে অবিশ্বাস করে বা মুহাম্মাদ (সা.) এর রিসালাত, খাতমুন নবুওয়াত ইত্যাদি অস্বীকার করে তবে তা কুফ্র হলেও বাহ্যত তা শিরক নয়। কারণ এরুপ ব্যক্তি সুস্পষ্ট ভাবে কাউকে আল্লাহর সাথে তুলনীয় দাবি করছে না। তবে প্রকৃতপক্ষে এরুপ কুফরের সাথেও শিরক জড়িত। কারন এরুপ ব্যক্তি কোন না কোন ভাবে এ জড় বিশ্বকে মহান আল্লাহর মত অনাদি-অনন্ত বলে বিশ্বাস করছে, বিশ্ব পরিচালনায় প্রকৃতি বা অন্য কোন শক্তিকে বিশ্বাস করছে।
প্রশ্নঃ 349
আসসালামু আলাইকুম।
আমরা 6-7 জন স্টাফ-বাসে অফিসে যাই। আমাদের এক ভাই প্রতিদিন অফিস যাওয়ার পথে গাড়িতে বুখারী, মুসলিম, আবু দা্উদ ইত্যাদি হাদীস কিতাবের বাংলা অনুবাদ থেকে 5-6টি হাদীস পড়ে শুনান।দু-একজন অভিমত দেন যে এভাবে চলন্ত গাড়িতে হাদীসের তালিম করলে হাদীসের অসম্মান করা হয়।আমরা কী করব বুঝতে পারছি না। এ বিষয়ে আপনার নিকট শরীয়তের কুরআন হাদীসের আলোকে আলোকে সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা আশা করছি।
28 Dec 2025
ওয়া আলাইকুমুস সালাম।
না, এতে হাদীসের প্রতি অসম্মানের কিছু নেই। আপনারা এভাবে হাদীসের তালীম করছেন এটা খুবই আনন্দের বিষয়। আল্লাহ আমাদের সবাইকে দীনের উপর চলার তাওফীক দিন।
প্রশ্নঃ 213
এখনকার ফুরফুরা শরীফ সম্পর্কে আপনার মতামত কি?
23 Dec 2025
ফুরফুরার প্রথম ও মূল পীর আবু বকর সিদ্দিকী রহি. মারা গেছেন ১৯৩৯ ইং সনে। এরপর তার সন্তানগণ বহু পথ ও মতে বিভক্ত হয়েছেন। তাঁর বড় ছেলে ছিলেন আব্দুল হাই সিদ্দিকী। তিনি ১৯৭৭ সালে মৃত্যুবরণ করেন। তার বড় ছেলে ছিলেন আব্দুল কাহহার সিদ্দীকী। তিনি ২০০৬ সালে মৃত্যু বরণ করেন। আব্দুল কাহ্হার সিদ্দীকী শিরক-বিদআতের কঠোর বিরোধী ছিলেন। তার দরবার ও ভক্তদের মধ্য থেকে দিন শিরক বিদআত উৎখাতের জন্য যথেষ্ট চেষ্টা করেন। তাঁর ছেলে আব্দুল হাই মিশকাত সিদ্দিকী পিতার স্থলে কাজ করছেন। তিনিও শিরক বিদআত থেকে মুক্ত থাকতে সদা-সচেষ্ট। তবে এর পাশাপাশি বর্তমানের ফুরফুরার মূল পীর আবু বকর সিদ্দিকীর বংশধরদের মধ্যে অনেকেই বিদআতের পক্ষে সোচ্চার। বিস্তারিত জানতে ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর লিখিত ফুরফুরার পীর আবু জাফর সিদ্দিকী রচিত
আল মাউযুআত বইটি পড়ন।
প্রশ্নঃ 194
আসসালামু আলাইকুম, বর্তমানে হাফেজা,আলেমা ও দীনদার মুসলিম বোনরা ফেসবুকের মাধ্যমে দীন প্রচার করছেন। আমার প্রশ্ন হচ্ছে ফেসবুকে দীন প্রচারের জন্য ইসলামের কোন মূলনীতি গুলো মেনে চলতে হবে
23 Dec 2025
ওয়া আলাইকুমুস সালাম।
আলাদা কোন মূলনীতি অনুস্বরণ করতে হবে না। বরং সাধারণ যে মূলনীতি আছে সেগুলো মেনে চললেই হবে। কারো অহেতুক সমালোচনা না করে ইসলামের সহীহ বিষয়টি মানুষকে জানাতে হবে। কথা যেন যুক্তি ভিত্তিক ও দলীল ভিত্তিক হয় সেদিকে সর্বদা খেয়াল রাখতে হবে।
প্রশ্নঃ 166
May the peace of allah be upon on you,.i am from west bengle, mursidabad.. Amar prasna -about taqdir ami jantam je (1) allah manus create korechen .2)manur ke free will dewa ache and 3) according to this the exam would be happend ..,. But in your book i have gotten 1) allahor will and knowladge a sob hoi (islami aqida-pg-344,346) 1) allah knows all.2) alahor capture a sob. These are in my knowldge but sir i dont understand that sob allaho ichchai hoi..wassalam
23 Dec 2025
আল্লাহর বিশেষণের বিষয়ে বৈপরীত্য কল্পনার একটি দিক তাকদীর। কুরআন ও হাদীস থেকে আমরা আল্লাহর অনাদি-অনন্ত, সর্বব্যাপী জ্ঞানের কথা, তাঁর ক্ষমতা ও ইচ্ছার কথা জানতে পারি এবং পাশাপাশি আল্লাহর ন্যায়পরায়ণতা, ন্যায়বিচার ও করুণার কথা জানতে পারি। অনেকে এ দু বিশেষণের মধ্যে বৈপরীত্য কল্পনা করেছেন। প্রথম বিশেষণের মাধ্যমে আমরা জানি যে, মহান আল্লাহর অনাদিকাল থেকে তাঁর সৃষ্টির মধ্যে কে, কখন, কিভাবে কি কর্ম করবে তা সবই জানেন। আমরা কুরআন ও হাদীসের মাধ্যমে জানি যে, মহান আল্লাহ তাঁর এ জ্ঞান লাওহে মাহফুযে লিপিবদ্ধ করে রাখেন। আমরা আরো জানি যে, মহান আল্লাহর রুবূবিয়্যাতের ন্যূনতম দাবি যে, তাঁর জ্ঞানের অগোচরে ও ইচ্ছার বাইরে পৃথিবীতে কিছুই ঘটতে পারবে না। এ থেকে কেউ কেউ দাবি করেছেন যে, তাহলে মানুষ যা কিছু করে তা আল্লাহর নির্দেশেই করে, কাজেই মানুষের কর্মের জন্য তাকে অপরাধী বলে গণ্য করা যায় না। এরা মানুষের স্বাধীন ইচ্ছা, আল্লাহর ন্যায়পরায়ণতা ও কর্মফল বিষয়ক আয়াত ও হাদীসগুলো বিভিন্ন ব্যাখ্যা করে বাতিল করেন। অপরদিকে কেউ কেউ মনে করেন যে, আল্লাহর জ্ঞান, লিখন ও ইচ্ছার এ সকল বিষয় তাঁর ন্যায়পরায়ণতার বিশেষণের সাথে সাংঘর্ষিক। কাজেই ন্যায়পরায়ণতার বিশেষণ গ্রহণ করে অন্যান্য বিশেষণ ব্যাখ্যা করে বাতিল করতে হবে। আসলে এ সবই আল্লাহর বিশেষণকে মানুষের বিশেষণের সাথে তুলনা করার ফল। আল্লাহর ক্ষেত্রে তাঁর সর্বব্যাপী জ্ঞান, লিখনি ও ইচ্ছার সাথে মানুষের স্বাধীন ইচ্ছা, ও ন্যায়বিচারের কোনোরূপ বৈপরীত্য নেই। মুমিন সরল ও সহজ অর্থে উভয় প্রকারের বিশেষণ বিশ্বাস করবেন। সমন্বয়ের জন্য এ বিষয়ক মূলনীতি অনুসরণ করবেন। কোনোভাবেই একটি প্রমাণ করার জন্য অন্যটি ব্যাখ্যা করে বাতিল করবেন না। তাকদীরে বিশ্বাস অর্থ আল্লাহর জ্ঞান ও আল্লাহর ন্যায়পরায়ণতা উভয় বিশেষণে সমানভাবে বিশ্বাস করা।
আল্লাহর নির্ধারণে অবিশ্বাস করলে আল্লাহর জ্ঞান ও ক্ষমতায় অবিশ্বাস করা হয়। আর মানুষের স্বাধীন ইচ্ছায় অবিশ্বাস করলে আল্লাহর ন্যায়পরায়ণতা ও করুণায় অবিশ্বাস করা হয়। এ অবিশ্বাসের শুরু মহান আল্লাহর বিশেষণ ও কর্মকে মানুষের বিশেষণ বা কর্মের মত বলে বিশ্বাস করা থেকে। আল্লাহর সকল বিশেষণ সমানভাবে প্রত্যয়ের সাথে বিশ্বাস করলে এ বিষয়ে কোনো অস্পষ্টতা থাকে না। একটি উদাহরণের মাধ্যমে বিষয়টি আরো স্পষ্ট হবে। মনে করুন, আল্লাহর নির্ধারণ যে, বিষ মৃত্যু আনে। মানুষকে আল্লাহ জ্ঞান দান করেছেন যে, বিষ মৃত্যু আনে। এরপরও কেউ বিষ পান করলে সে মৃত্যু বরণ করবে। তবে তা আল্লাহর ইচ্ছা ও জ্ঞান অনুসারে ঘটবে। আল্লাহ তাঁর অনন্ত জ্ঞানে জানেন যে, নির্দিষ্ট ব্যক্তি নির্দিষ্ট সময়ে স্বেচ্ছায়, বাধ্য হয়ে, জেনে বা না-জেনে বিষ পান করবে। তিনি তাঁর এ জ্ঞান লিপিবদ্ধ করেছেন। তিনি ইচ্ছা করলে ঐ ব্যক্তির ইচ্ছা শক্তি হরণ করে তাকে বিষপান থেকে বিরত রাখতে পারেন বা বিষের ক্রিয়া নষ্ট করে বিষপানকারীকে মৃত্যু থেকে রক্ষা করতে পারেন। আল্লাহর জ্ঞান, লিখনি বা তাকদীর অনুসারে বিষপানকারীর মৃত্যু আসবে অথবা আসবে না। বিষপানকারী বিষপানে তার ইচ্ছা, অনিচ্ছা ও কর্ম অনুসারে পাপ বা পুণ্য লাভ করবে। বিস্তারিত জানতে পড়ুন, আস-সুন্নাহ পাবলিকেশন্স থেকে প্রকাশিত
আল-ফিকহুল আকবার পৃষ্ঠা ১৭৮-১৮৩।
প্রশ্নঃ 109
আমাদের এলাকায় চরমোনাই পীরের অনেক অনুসারী। এবিদআতী অনুসারীরা ইদানিং মহিলাদের দিয়ে দল গঠন করে বাড়ী বাড়ী যেয়ে চরমোনাই পীরের লেখা বই দিয়ে অসচেতন-অর্ধ শিক্ষিত মহিলাদের ধর্ম পালনের জন্য তালিম দিচ্ছে। এঘটনা বর্ননা দিয়েছেন আমার মা। আমার মাসহ আরো কিছু আলিম-ফাজিল পাশ মেয়েদের নিয়ে দাওয়াতী কর্যক্রম চালাতে চায়। এ তালিমী বা দাওয়াতী কর্যক্রম চালাতে তারা কোন কিতাব-এর অনুসরন করবে? আমাকে কোরআন ও সহি হাদিসের আলোকে এমন একটি #কিতাব#-এর নাম জানান, যে #কিতাব# থেকে তারা অতি সহজে মা-বোনদের বুঝাতে পারে।
22 Dec 2025
কুরআন-সুন্নাহ ভিত্তিক সহীহ দাওয়াত দেয়ার জন্য অন্য কোন দল বা মতের সমালোচনা মূলত কোনো ভাল ফল দেয় না। এতে এসকল দলের কেউ পরিবর্তনও হয় না। আমাদের দায়িত্ব হলো আমাদের সাধ্যমত সহীহ দাওয়াত মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া। আপনি কুরআন কারীম ও সহীহ সুন্নাহ নির্ভর দাওয়াত মানুষের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করুন। এজন্য সংক্ষিপ্ত ভাল কোনো তাফসীরের গ্রন্থ গ্রহণ করবেন। যেমন তাফসীর তাওযীহুল কুরআন। সহীহ হাদীসগ্রন্থগুলোর মধ্যে রিয়াদুস সালিহীন গ্রন্থটি সংক্ষেপ ও উপকারী। এরপর আস-সুন্নাহ ট্রাস্ট প্রকাশিত ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর লিখিত
রাহে বেলায়াত ও
এহইয়াউস সুনান গ্রন্থ দুটি রাখতে পারেন। এছাড়া উপকারী সহীহ পুস্তক অনুসন্ধান করতে থাকুন।
প্রশ্নঃ 118
Sir, I request for you. Please answer the question. Furfura pir said that, Fufura established free from Shirk Bidyat. Now, dear sir,I want to know about Furfura established free from Shirk Bidyat. Please give evidence for Quran Sunnah. Thanks
22 Dec 2025
ফুরফুরার প্রথম ও মূল পীর আবু বকর সিদ্দিকী রহি. মারা গেছেন ১৯৩৯ ইং সনে। এরপর তার সন্তানগণ বহু পথ ও মতে বিভক্ত হয়েছেন। তাঁর বড় ছেলে ছিলেন আব্দুল হাই সিদ্দিকী। তিনি ১৯৭৭ সালে মৃত্যুবরণ করেন। তার বড় ছেলে ছিলেন আব্দুল কাহহার সিদ্দীকী। তিনি ২০০৬ সালে মৃত্যু বরণ করেন। আব্দুল কাহ্হার সিদ্দীকী শিরক-বিদআতের কঠোর বিরোধী ছিলেন। তার দরবার ও ভক্তদের মধ্য থেকে দিন শিরক বিদআত উৎখাতের জন্য যথেষ্ট চেষ্টা করেন। তাঁর ছেলে আব্দুল হাই মিশকাত সিদ্দিকী পিতার স্থলে কাজ করছেন। তিনিও শিরক বিদআত থেকে মুক্ত থাকতে সদা-সচেষ্ট। তবে এর পাশাপাশি বর্তমানের ফুরফুরার মূল পীর আবু বকর সিদ্দিকীর বংশধরদের মধ্যে অনেকেই বিদআতের পক্ষে সোচ্চার। বিস্তারিত জানতে ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর লিখিত ফুরফুরার পীর আবু জাফর সিদ্দিকী রচিত
আল মাউযুআত বইটি পড়ন।